পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় রাতের আঁধারে বন বিভাগের গাছ কাঁটতে গিয়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
শনিবার (১ আগস্ট) দিবাগত রাতে উপজেলার চরহায়দার ফরেস্ট ক্যাম্পের আওতাধীন আলগার চর থেকে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন উপজেলার দশমিনা ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড কাটাখালী গ্রামের আমির মুন্সির ছেলে মো. হারুন মুন্সি, আলী আশরাফ মৃধার ছেলে মো. মোহসিন মৃধা, শরিফ মোল্লার ছেলে মো. ইব্রাহিম মোল্লা তিন নম্বর ওয়ার্ড হাজির হাট গ্রামের মৃত. আলম বিশ্বাসের ছেলে মো. মনির বিশ্বাস।
জানা যায়, শনিবারি রাত সাড়ে ১২টার সময় উপজেলার চরহায়দার ফরেস্ট ক্যাম্পের আওয়তাধীন আলগার চর বনে কিছু অসাধু গাছ ব্যবসায়ী গাছ কাটছে- এমন গোপন সংবাদ পায় বিট অফিসার। বিট অফিসার উপজেলা বন বর্মকর্তাকে জানালে তিনি দশমিনা থানা-পুলিশের সহযোগিতায় অভিযান পরিচালনা করে গাছ কাঁটা অবস্থায় চারজনকে গ্রেপ্তার করেন।
এ সময় গাছ কাটার করাত, কুঠার, দা ও ১০-১২ মুঠা মোটা দড়ি উদ্ধার করা হয়। একই সময় ২০০ ছোট-বড় গাছ মাটিতে শোয়ানো অবস্থায় দেখা যায়।
বিট কর্মকর্তা রওশান হাসান বাদী হয়ে চারজনের বিরুদ্ধে বন সংরক্ষণ আইনে মামলা করেন।
রওশন হাসান বলেন, ‘শনিবার রাতে খবর পাই, গাছ পাচারকারি চক্র উপজেলার চরহায়দার ফরেস্ট ক্যাম্পের আওতাধীন আলগারচরে বন থেকে গাছ কাটছে। খবর পেয়ে আমি উপজেলা বন কর্মকর্তাকে বিষয়টি জানালে তিনি দশমিনা থানা পুলিশ নিয়ে আসলে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে বনের গাছ কাটা অবস্থায় চারজনকে গ্রেপ্তার করি। তাদের চারজনের বিরুদ্ধে আমি বাদী হয়ে বন সংরক্ষণ আইনে মামলা দায়ে করি।
রোববার (২ আগস্ট) আদালতের মাধ্যমে তাদেরকে জেলে পাঠানো হয়।
উপজেলা বন কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, ‘শনিবার রাতে উপজেলার চরহায়দার ফরেস্ট ক্যাম্পের বিট অফিসার আমাকে জানান, কিছু লোক চরহায়দার ফরেস্ট ক্যাম্পের আলগার চরের বনে গাছ কাটছে। আমি পটুয়াখালী জেলা বন কর্মকর্তার সাথে পরামর্শ করে দশমিনা থানা পুলিশের সহযোগিতায় গাছ কাটা অবস্থায় চারজনকে গ্রেপ্তার করি। বন সংরক্ষণ আইনে মামলা হয়েছে। তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে জেলে পাঠানো হয়েছে।’
কেকে/এমএ