মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬,
৯ আষাঢ় ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
শিরোনাম: সালমান শাহর লাশ উত্তোলনের আদেশ বাতিল      সুশাসন ও সংস্কার ছাড়া বাজেট বাস্তবায়ন কঠিন      দেশজুড়ে কঠোর সতর্কতা      চীনের দালিয়ানে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী      চীন পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী      ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, তেল রপ্তানিতে সুখবর      এবার পাঁচ জেলায় বিজিবি মোতায়েন      
দেশজুড়ে
গজারিয়ায় পাওনা টাকার বিরোধ ও মানহানির শঙ্কা থেকেই তরুণীকে ধর্ষণ ও হত্যা
সাইফুল ইসলাম, গজারিয়া (মুন্সীগঞ্জ)
প্রকাশ: রোববার, ৩১ মে, ২০২৬, ৯:৪৩ পিএম
ছবি: প্রতিনিধি

ছবি: প্রতিনিধি

মুন্সীগঞ্জ জেলার গজারিয়া উপজেলায় হালিমা আক্তার (১৯) নামের তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যার ঘটনার রহস্য উন্মোচন হয়েছে। পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধ ও মানহানির আশঙ্কায় এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পিবিআই।

এ ​ঘটনায় জড়িত চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা হলেন আবু কালাম (৪৮), জামাল হোসেন (৪৪), রাসেল মিয়া (৪৪) ও আল আমিন প্রধান (৫০)। তারা সবাই গজারিয়ার বড় ভাটেরচর এলাকার বাসিন্দা।

শুক্রবার (২৯ মে) সকালে গজারিয়ার ফুলদী নদী থেকে হালিমা আক্তারের মরদেহ উদ্ধার করে নৌ-পুলিশ। মরদেহটি পচন ধরায় প্রাথমিকভাবে পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। পিবিআই মুন্সীগঞ্জের ক্রাইম সিন টিম তথ্য ও প্রযুক্তির সহায়তায় ভিকটিমের পরিচয় শনাক্ত করে। 

নিহত হালিমা গজারিয়ার হোসেন্দী ইউনিয়নের জামালদী গ্রামের মহাসিন বেপারীর মেয়ে। এ ঘটনায় ভিকটিমের বোন হোসনেয়ারা আক্তার বৃষ্টি বাদী হয়ে গজারিয়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

পিবিআই সূত্রে জানা যায়, ভিকটিম হালিমা অভিযুক্ত আবু কালামের কাছে ২৫ হাজার টাকা এবং রাসেলের কাছে ১০ হাজার টাকা পেতেন। এছাড়াও অভিযুক্ত জামালের সাথে হালিমার শারীরিক সম্পর্ক ছিল। তাদের অনৈতিক সম্পর্কের বিষয়টি জামালের এক আত্মীয় দেখে ফেলেছিলেন। এই বিষয়টি ফাঁস হয়ে এলাকায় সামাজিক সম্মান নষ্ট হওয়ার আশঙ্কায় অভিযুক্তরা হালিমাকে হত্যার সিদ্ধান্ত নেন। ​

রোববার (৩১ মে) বিকালে মুন্সীগঞ্জের কোর্ট ইন্সপেক্টর সূত্রে জানা যায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন এবং আমলী আদালত-৫’-এর বিচারক জিনিয়া ইসলামের কাছে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

রোববার সন্ধ্যায় প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে পিবিআই মুন্সীগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আসমা আরা জাহান জানান, ঘটনার ১৫ দিন আগেই অভিযুক্তরা হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে হালিমাকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। পরিকল্পনা অনুযায়ী, মঙ্গলবার (২৬ মে) সন্ধ্যায় কৌশলে হালিমাকে বড় ভাটেরচর নদীর তীরে ডেকে আনা হয়। 

পরে নৌকায় করে নদীর ওপারে ভুট্টা ক্ষেতের মাঝখানে নিয়ে তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করা হয়। একপর্যায়ে হালিমার পরনের প্যান্ট দিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করে লাশ নদীতে ফেলে দেওয়া হয়। আসামিরা নিজেদের অপরাধ স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে।

কেকে/এমএ


আরও সংবাদ   বিষয়:  গজারিয়া   পাওনা টাকার বিরোধ   মানহানির শঙ্কা   তরুণীকে ধর্ষণ   তরুণী হত্যা  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

দেশজুড়ে- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: kholakagojnews@gmail.com, kholakagojadvt@gmail.com

© 2025 Kholakagoj
🔝
close