শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬,
৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
শিরোনাম: সব নাগরিকের জন্য বাজেট      মালয়েশিয়া-অস্ট্রেলিয়ার আদলে শিক্ষাব্যবস্থা গড়ার পরিকল্পনা সরকারের      দুই দশক পর কক্সবাজারে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী      রোববারই হতে পারে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা      হঠাৎ বিশ্বজুড়ে ফেসবুক ডাউন, লগআউট মেসেঞ্জার      বেতন বৃদ্ধি দুর্নীতি কমাতে সহায়ক হবে: অর্থমন্ত্রী      নয়াদিল্লিতে বিএসএফ-বিজিবি বৈঠক শেষ হলো যৌথ সংবাদ সম্মেলন ছাড়াই      
খোলাকাগজ স্পেশাল
সব নাগরিকের জন্য বাজেট
আলতাফ হোসেন
প্রকাশ: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৯:০১ এএম আপডেট: ১৩.০৬.২০২৬ ৯:০৯ এএম
ছবি : খোলা কাগজ

ছবি : খোলা কাগজ

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটকে ‘সবার জন্য বাজেট’ বলে আখ্যা দিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, এই বাজেট কোনো রাজনৈতিক দল, গোষ্ঠী বা বিশেষ শ্রেণিকে নয়; বরং দেশের সব মানুষের প্রয়োজন, সম্ভাবনা ও জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্য সামনে রেখেই প্রণয়ন করা হয়েছে। ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার এই বাজেটের ৮০ শতাংশ বাস্তবায়ন হলেই দেশের অর্থনীতিতে আমূল পরিবর্তন আসবে।

অর্থমন্ত্রী জানান, বৈশ্বিক অস্থিরতা, দীর্ঘদিনের পৃষ্ঠপোষকতানির্ভর অর্থনৈতিক কাঠামো এবং সীমিত সম্পদের বাস্তবতায় গণতান্ত্রিক, মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতি গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে প্রস্তাবিত বাজেটে কর্মসংস্থান, বিনিয়োগ, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, সামাজিক সুরক্ষা, দক্ষ জনশক্তি উন্নয়ন এবং সৃজনশীল অর্থনীতিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

গতকাল শুক্রবার ঢাকার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, এবারের বাজেট ভিন্নধর্মী বাজেট; প্রেক্ষাপট ভিন্ন, ভাবনা-দর্শন ভিন্ন। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে প্রতিনিয়ত কিছু না কিছু ঘটছে। একটার পর একটা ঘটনা ঘটছে। এখন চলছে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ। এমন বিশ্ব প্রেক্ষাপটে আমাদের চ্যালেঞ্জ আরও বেশি। এ ছাড়া দীর্ঘ দেড় দশক ধরে দেশে এমন একটি অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ে উঠেছিল, যা মূলত পৃষ্ঠপোষকতানির্ভর ছিল। কিছু ব্যক্তি ও গোষ্ঠী অর্থনৈতিক সুবিধা পেয়েছে, কিন্তু বিপুলসংখ্যক মানুষ অর্থনীতির মূলধারার বাইরে থেকে গেছে। এই প্রেক্ষাপটেই সবাইকে বাঁচিয়ে রেখে গণতান্ত্রিক, মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতির অভিযাত্রার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে এবারের বাজেট দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা কোনো দলের জন্য বাজেট করি না, করার ইচ্ছাও নেই। এমন কোনো বাংলাদেশি নেই, যিনি এই বাজেটের আওতার বাইরে থাকবেন। কেউ বেশি সুবিধা পাবেন, কেউ কম পাবেন; কিন্তু প্রত্যেক মানুষের প্রয়োজনকে আমরা বিবেচনায় নিয়েছি। সীমিত সম্পদ ও নানা অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মধ্যেও সরকার এমন একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক বাজেট তৈরির চেষ্টা করেছে। এবারের বাজেট শুধু নীতিমালার ঘোষণা নয়; বরং বাস্তবায়নের পথনকশাও যুক্ত করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বাজেট বলতে মূলত জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলনের কথা বলি। আমাদের সংবিধানেও বলা হয়েছে, জনগণের ইচ্ছায় জনগণের সম্মতিতে দেশ চালাতে। বহুদিন পর দীর্ঘ সংগ্রামের পর সবার অবদানের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের মানুষ নির্বাচনের মাধ্যমে তাদের প্রত্যাশা পূরণ করেছে।

দেশের সীমিত সম্পদের কথা তুলে ধরে আমির খসরু বলেন, যে কারণে আমরা বারবার বলেছি, আমাদের ব্যয়গুলো হবে—প্রত্যেকটি ব্যয়ের পেছনে, প্রত্যেকটি প্রকল্পের পেছনে আমরা ‘ক্রাইটেরিয়া ফিক্সড’ করছি, চারটা ‘ক্রাইটেরিয়া’। একটা হচ্ছে ভ্যালু ফর মানি, একটা রিটার্ন অন ইনভেস্টমেন্ট, একটা জব ক্রিয়েশন, আরেকটা এনভায়রনমেন্টাল কনসিডারেশন। এই চারটা ‘ক্রাইটেরিয়ার’ ভিত্তিতে আমরা আগামী দিনে সকল প্রকল্প বাস্তবায়নের দিকে নিয়ে যাওয়ার কথা বলেছি।

অর্থমন্ত্রী বলেন, বাজেট প্রক্রিয়া বাংলাদেশে ছয় মাসের একটি কর্মযজ্ঞ। সে জায়গায় আমরা দেড়-দুই মাসের মধ্যে একটা বাজেট প্রস্তুত করেছি। এজন্য যে পরিমাণ শ্রম দিতে হয়েছে, তারপরও সবার সহযোগিতায় সে কাজটা আমরা করেছি। কতটুকু পেরেছি, সেটা দেশের জনগণই সিদ্ধান্ত নেবেন।

আগামী ১ জুলাই থেকে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের ঘোষণা দিয়েছে সরকার। এতে সরকারি চাকরিজীবীদের আয় বাড়বে। যার ফলে দুর্নীতির প্রবণতা কমে আসবে বলে মনে করছেন অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, গত ১১ বছরে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে নিত্যপণ্যের দাম বেড়েছে। সুতরাং, এটি সমন্বয় করা দরকার। সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়লে তাদের আয় বাড়বে, তখন নিশ্চয়ই দুর্নীতি কমার কথা।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ কোনো পুলিশ, র‌্যাব কিংবা সরকারি লোক দিয়ে পিটিয়ে করার বিষয় নয়। এটি সম্পূর্ণ ভুল ধারণা। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করতে হবে সঠিক নীতি ও ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে। সাংবাদিকদের উদ্দেশে অর্থমন্ত্রী বলেন, আপনারা জানেন, মূল্যস্ফীতি তিন মাসের ব্যাপার না। এটি বেশ কয়েক বছর ধরেই বাড়ছে। তিন মাস ধরে তা ৯ শতাংশের ওপরে। এর পেছনে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ এবং বৈশ্বিক বাজারের অস্থিতিশীলতার প্রভাব রয়েছে।

নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাজেটে চাকরির কথা পরিষ্কারভাবে বলা আছে। আমরা আশা করি, বাজেটে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে পারব। আর কর্মসংস্থানের জন্য আমরা বিনিয়োগে জোর দিচ্ছি। দক্ষ কর্মী তৈরিতে নানা প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে। আমরা স্কিল ডেভেলপমেন্টে জোর দিচ্ছি। দক্ষ একজন শ্রমিকের চাকরি দেশে-বিদেশে হওয়া খুবই সহজ। এজন্য আমরা স্কিল ডেভেলপমেন্ট-সংক্রান্ত নানা প্রকল্প হাতে নিচ্ছি।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘সহজে ব্যবসা করার সূচকের মানদণ্ডে বিশ্বের মধ্যে বাংলাদেশ একেবারে তলানিতে। এর অর্থ হলো, আমাদের ব্যবসার খরচ অনেক বেশি। একটি অনুমতি পেতে বা কোম্পানি করতে ৬ মাস থেকে ১ বছর লেগে যায়। অনেক দপ্তরে যেতে হয়, সময় নষ্ট হয় এবং অনেক জায়গায় খরচ করতে হয়। এই প্রক্রিয়া সহজ করতে বিনিয়ন্ত্রণকরণ করা হচ্ছে।’

তিনি বলেন, সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিতে এবারের বাজেটে দেশের ইতিহাসে অন্যতম বড় বিনিয়োগ করা হয়েছে। ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, সার্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা, প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ও অন্যান্য সামাজিক কর্মসূচিতে বড় অঙ্কের বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এর উদ্দেশ্য দারিদ্র্য ও আয়-বৈষম্য কমানো এবং নিম্নআয়ের মানুষের জীবনমান উন্নত করা।

তিনি আরও বলেন, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচিতে কোনো রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীকে যুক্ত করা হয়নি। নির্ধারিত মানদণ্ড অনুযায়ী সরকারি কর্মকর্তারা উপকারভোগীদের তালিকা করেছেন। রাষ্ট্রীয় সুবিধা কোনো দলের জন্য নয়; নাগরিকদের জন্য।

‘ক্রিয়েটিভ ইকোনমি’কে বাজেটের নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে তুলে ধরেন অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, গ্রামীণ কারুশিল্প, তাঁত, শীতলপাটি, সংগীত, চলচ্চিত্র, থিয়েটার এবং অন্যান্য সৃজনশীল খাতকে অর্থনীতির মূলধারায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এসব খাতে দক্ষতা উন্নয়ন, নকশা সহায়তা, অর্থায়ন ও বাজারসুবিধা বাড়িয়ে আয় ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধির পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও সৃজনশীলতাকে অর্থনৈতিক সম্পদে রূপান্তর করা গেলে নতুন কর্মসংস্থান এবং পর্যটনের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

আমির খসরু জানান, জমি ও ফ্ল্যাট নিবন্ধনের ক্ষেত্রে সরকারি নির্ধারিত মৌজা রেটকে বাজারমূল্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন এলাকায় মৌজা রেট ও প্রকৃত বাজারদরের মধ্যে বড় ধরনের ব্যবধান রয়েছে। এতে জমি নিবন্ধনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে জটিলতা তৈরি হচ্ছে। এ সমস্যা সমাধানে সরকার একটি কমিটি গঠন করেছে এবং দেশব্যাপী মৌজাভিত্তিক জরিপের মাধ্যমে নতুন মূল্য নির্ধারণের কাজ চলছে।

তিনি বলেন, মৌজা রেট যদি বাজারমূল্যের কাছাকাছি আনা যায়, তাহলে জমি ও ফ্ল্যাট লেনদেনের ক্ষেত্রে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে। একই সঙ্গে কর ব্যবস্থার কার্যকারিতা ও রাজস্ব আহরণ আরও শক্তিশালী হবে।

সংবাদ সম্মেলনে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়কার চুক্তির ফলে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে ক্যাপাসিটি চার্জ বাবদ যে বকেয়া জমা পড়েছে, সে বিষয়ে সরকার আইনি পদক্ষেপের কথা ভাবছে। আগের সরকার চুরি করার জন্য যেটা করেছিল, চুক্তিগুলো সব বিনিয়োগকারীর পক্ষে করেছে, সরকারের পক্ষে কিছুই নেই। ক্যাপাসিটি চার্জ ইস্যুতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ বিষয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের মতামত চাওয়া হয়েছে। অনুকূল মতামত পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, দেশের বিদ্যুৎ খাতে ক্যাপাসিটি চার্জ ব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল একটি সবুজ সংকেত হিসেবে, যেন বেসরকারি বিনিয়োগকারীরা সহজে ব্যাংক ঋণ পেতে পারেন। আমি প্রথম দিনই ক্যাপাসিটি চার্জ নিয়ে বসেছিলাম। চীনা বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে আলোচনা করেছিলাম। তারা জানিয়েছেন, হঠাৎ করে ক্যাপাসিটি চার্জ বন্ধ করে দিলে তাদের অর্থায়নকারী ব্যাংকগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং অনেক বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিচালনা করাও সম্ভব হবে না।

তিনি বলেন, দেশের যে পাওয়ার স্টেশনগুলো, সেগুলোর কোনো মেরামতও করা হয়নি, মেইনটেন্যান্সও করা হয়নি; বসিয়ে রাখা হয়েছে। সব বিদ্যুৎ ক্রয় করা হয়েছে প্রাইভেট পাওয়ার থেকে। এর ফলে বিদ্যুৎ খাতে প্রায় ৫৬ হাজার কোটি টাকার বকেয়া তৈরি হয়েছে।

আওয়ামী লীগ সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পে অনিয়ম ও অপচয় হয়েছে মন্তব্য করে মন্ত্রী বলেন, পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড ৫ লাখ ডিজিটাল মিটার কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। এর মধ্যে ২ লাখ ৫০ হাজার মিটার দেশে আনা হলেও তিন বছরে মাত্র ৬৫টি মিটার চালু করা সম্ভব হয়েছে। বাকিগুলো গুদামে পড়ে রয়েছে।

বাকি ২ লাখ ৫০ হাজার মিটার সরবরাহ বন্ধ করার উদ্যোগ নেওয়ার পর দেখা যায়, আগেই সরবরাহকারীর কাছে জাহাজীকরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এখন যদি এটাকে বাতিল করি, সে আদালতে গেলে জিতে যাবে। তো এই পদ্ধতিতে দেশ থেকে টাকা বের করে নিয়ে চলে গেছে।

ডিপিডিসির আন্ডারগ্রাউন্ড ক্যাবল প্রকল্প নিয়েও সমালোচনা করেন জ্বালানি মন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘২০৪০ সাল পর্যন্ত উন্নয়ন পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ৬৫টি সাবস্টেশন নির্মাণের কথা ছিল। প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে মাত্র ৩৮টি সাবস্টেশনের কাজ সম্পন্ন হয়েছে।’

জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকারের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, দেশীয় উৎপাদন বাড়াতে বাপেক্সকে পুনরায় সক্রিয় করা হয়েছে এবং সমুদ্র ও স্থলভাগে গ্যাস অনুসন্ধানে নতুন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে আন্তর্জাতিক তেল ও গ্যাস কোম্পানিগুলোকে (আইওসি) অংশগ্রহণের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে, যাতে সমুদ্রের ব্লকগুলোতে যৌথভাবে অনুসন্ধান কার্যক্রম চালানো যায়।

মন্ত্রী বলেন, সমুদ্র বিজয়ের পরও বাংলাদেশ প্রত্যাশিত হারে গ্যাস অনুসন্ধানে এগোতে পারেনি। অন্যদিকে যেসব দেশ সমুদ্রসীমা অর্জন করেছে, তারা সেখান থেকে গ্যাস উত্তোলন করে রপ্তানি পর্যন্ত করছে।

রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন, কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ, শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি। এ ছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান, এনবিআরের চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান খান, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন।

কেকে/এলএ


আরও সংবাদ   বিষয়:  নাগারিক   বাজেট  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...
সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: kholakagojnews@gmail.com, kholakagojadvt@gmail.com

© 2025 Kholakagoj
🔝
close