সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬,
২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম: বিএনপির পরিকল্পনা-কর্মসূচি সবসময়ই জনবান্ধব : প্রধানমন্ত্রী      প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি: পররাষ্ট্রমন্ত্রী      হাসিনা ও হাদি হত্যাকারীদের ফেরাতে ভারতের প্রতি বাংলাদেশের অনুরোধ      প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের বৈঠক      শহর-গ্রামে ডেঙ্গুর ভয়      চমক আসছে মন্ত্রিসভায়      জিপিএ-৫ এ এগিয়ে ঢাকা, পিছিয়ে বরিশাল      
খোলাকাগজ স্পেশাল
মহানগরের নতুন নেতৃত্বে আলোচনায় ত্যাগী-তরুণরা
আলতাফ হোসেন
প্রকাশ: সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৪১ পিএম
ছবি : খোলা কাগজ

ছবি : খোলা কাগজ

আসন্ন ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজধানীর রাজনীতিতে সাংগঠনিক শক্তি বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে বিএনপি। দীর্ঘদিন ধরে আহ্বায়ক কমিটির মাধ্যমে চলা ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপিতে কমিটি গঠন নিয়ে দলের ভেতরে তৎপরতা বেড়েছে। সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ গুরুত্বপূর্ণ পদে অভিজ্ঞ, ত্যাগী, তরুণ ও মাঠপর্যায়ে সক্রিয় নেতাদের নিয়ে চলছে নানা হিসাব-নিকাশ। আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা, তৃণমূলের সঙ্গে যোগাযোগ, সাংগঠনিক দক্ষতা, নেতৃত্বের গ্রহণযোগ্যতা ও বিতর্কমুক্ত ভাবমূর্তিকে সম্ভাব্য নেতৃত্ব বাছাইয়ের গুরুত্বপূর্ণ মানদণ্ড হিসেবে দেখা হচ্ছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। 

দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আসন্ন সিটি করপোরেশন নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ মহানগর বিএনপিসহ বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করার চিন্তা চলছে। দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড জোরদার করার নির্দেশনা দিয়েছেন বলে দলীয় নেতারা জানিয়েছেন। 

সিটি নির্বাচনই বড় পরীক্ষা : 

বিএনপির জন্য ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ শুধু সাংগঠনিক ইউনিট নয়, রাজনৈতিকভাবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দুই ঘাঁটি। রাজধানীর প্রায় প্রতিটি রাজনৈতিক কর্মসূচির কেন্দ্রবিন্দু এ দুই মহানগর। ফলে সিটি করপোরেশন নির্বাচন সামনে রেখে মহানগর কমিটিতে কাকে আনা হবে, সেটি দলটির নির্বাচনি কৌশলের সঙ্গেও সরাসরি যুক্ত।

দলের নেতাকর্মীদের একটি অংশ মনে করছেন, শুধু দীর্ঘদিনের পদধারী নেতাদের নিয়ে কমিটি করলে কাক্সিক্ষত ফল নাও আসতে পারে। বরং যারা আন্দোলনের কঠিন সময়ে মাঠে ছিলেন, থানা-ওয়ার্ড পর্যায়ে নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছেন, সাংগঠনিকভাবে সক্রিয় এবং বিতর্কমুক্ত, তাদের অগ্রাধিকার দেওয়া প্রয়োজন।

অন্যদিকে নতুন নেতৃত্বে অতিরিক্ত পরিবর্তন আনলে পুরোনো নেতৃত্বের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে। ফলে বিএনপির হাইকমান্ডকে একদিকে অভিজ্ঞতা, অন্যদিকে নতুন নেতৃত্বের সমন্বয় করতে হবে।

তৃণমূলের গ্রহণযোগ্যতাই বড় ফ্যাক্টর : 

ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের নতুন কমিটি গঠনে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হবে তৃণমূলের গ্রহণযোগ্যতা। কারণ সিটি নির্বাচন শুধু প্রার্থী নির্ধারণের বিষয় নয়, প্রতিটি ওয়ার্ড ও থানায় কার্যকর সাংগঠনিক নেটওয়ার্ক, ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ এবং নির্বাচনি মাঠে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার সক্ষমতার ওপরও ফলাফল নির্ভর করবে।

সাম্প্রতিক সময়ে বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা সাংগঠনিক দুর্বলতা কাটিয়ে ওঠার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন। জুলাই মাসে দক্ষিণ বিএনপির সদস্য সচিব তানভীর আহমেদ রবিনও জানিয়েছিলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে যেখানে সমস্যা ও দুর্বলতা রয়েছে, সেগুলো সমাধানের বিষয়ে দলীয় চেয়ারম্যান নির্দেশনা দিয়েছেন। ফলে নতুন কমিটি হলে শুধু পদ-পদবি বণ্টন নয়, থানা ও ওয়ার্ড পর্যায়ের সাংগঠনিক কাঠামোও কতটা সক্রিয় করা যায়, সেটিই হবে বড় পরীক্ষা।

মহানগরীর সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও শক্তিশালী ও গতিশীল করতে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির শীর্ষ দুই পদে যোগ্য, দক্ষ ও ত্যাগী নেতাদের বাছাই নিয়ে দলের ভেতরে আলোচনা চলছে। বর্তমানে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন আমিনুল হক। তবে তাকে দলের আরও বড় দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে বলে দলীয় অঙ্গনে আলোচনা রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে মহানগর উত্তর বিএনপির নতুন নেতৃত্বে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে কারা আসছেন, তা নিয়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। ইতোমধ্যে এ দুই পদে একাধিক নেতার নাম আলোচনায় এসেছে।

ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সভাপতি পদে আলোচনায় যারা : 

ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সভাপতি পদে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা এস এম জাহাঙ্গীরের নাম। দীর্ঘদিন ধরে দলের আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় থাকা এবং তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে তার যোগাযোগকে সভাপতি পদে তার অন্যতম শক্তি হিসেবে দেখছেন দলটির অনেক নেতা। মহানগর উত্তর বিএনপির সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে দীর্ঘদিনের সম্পৃক্ততার কারণেও তিনি এ পদের জন্য আলোচনায় রয়েছেন বলে দলীয় সূত্র জানিয়েছে।

এ বিষয়ে এস এম জাহাঙ্গীর বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি আহ্বায়ক কমিটি দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে। দীর্ঘসময় ধরে যারা দলের আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ছিলেন, তাদের মূল্যায়ন করে একটি পূর্ণাঙ্গ ও কার্যকর কমিটি গঠন করা হলে সংগঠনের সাংগঠনিক ভিত্তি আরও শক্তিশালী হবে।’

তিনি বলেন, ‘কমিটি গঠন নিয়ে আলোচনা আমিও শুনছি, গণমাধ্যমেও এ বিষয়ে বিভিন্ন খবর দেখছি। তবে আমার মনে হয়, এখন একটি পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা প্রয়োজন। বিএনপি সরকার গঠনের পর রাজনৈতিক কর্মসূচি আগের তুলনায় অনেকটাই কমেছে। বর্তমানে দলীয় কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক বিভিন্ন কার্যক্রম বেশি হচ্ছে। এ অবস্থায় একটি দক্ষ, যোগ্য ও সক্রিয় নেতৃত্বের সমন্বয়ে কমিটি গঠন করা গেলে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রমে আরও গতি আসবে এবং নেতাকর্মীদেরও আরও সক্রিয়ভাবে কাজে সম্পৃক্ত করা সম্ভব হবে।’

ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সভাপতি পদে আলোচনায় রয়েছে শফিকুল ইসলাম মিল্টনের নামও। বর্তমানে তিনি ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসকের দায়িত্ব পালন করছেন। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, মাঠপর্যায়ে সক্রিয়তা এবং সাংগঠনিক দক্ষতার কারণে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির নেতৃত্বে তার নাম গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনায় এসেছে।
এর পাশাপাশি সভাপতি পদে আলোচনায় রয়েছেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির পরিচিত নেতা ও কাউন্সিলর আনারুজ্জামান আনোয়ার। মাঠপর্যায়ে সক্রিয়তা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং নেতাকর্মীদের সঙ্গে তার যোগাযোগের কারণে তাকেও গুরুত্বপূর্ণ প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

সভাপতি পদ নিয়ে জানতে চাইলে আনারুজ্জামান আনোয়ার বলেন, দল যেখানে দেবে সেখানেই কাজ করব। দলের চেয়ারম্যান যাকে যোগ্য মনে করবেন, তাকেই শীর্ষ পদে রাখবেন। তবে এ ক্ষেত্রে ত্যাগী, দক্ষ, সাংগঠনিক ও যোগ্য নেতারা উত্তর বিএনপির নেতৃত্বে এলে দলের সাংগঠনিক শক্তি আরও বাড়বে।

ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সভাপতি পদে আলোচনায় রয়েছে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান সেগুনের নামও। মহানগর উত্তর বিএনপির গত তিনটি কমিটিতে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করা সেগুন দীর্ঘদিন ধরে সংগঠনের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত রয়েছেন।

স্বভাবসুলভ সাবলীল ভঙ্গিতে বক্তব্য দেওয়া এবং রাজনৈতিক বিষয়ে কঠোর সমালোচনার জন্য নেতাকর্মীদের মধ্যে তার আলাদা পরিচিতি রয়েছে। পাশাপাশি জনপ্রিয় বক্তা হিসেবেও তিনি নিজের অবস্থান তৈরি করেছেন। দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা, মাঠপর্যায়ে সক্রিয়তা এবং নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগের কারণে মহানগর উত্তর বিএনপির নতুন নেতৃত্বের আলোচনায় মোস্তাফিজুর রহমান সেগুনের নামও গুরুত্ব পাচ্ছে। 

এ ছাড়া আলোচনায় আছেন বর্তমান কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক এ বি এম এ রাজ্জাক, মো. এম কফিল উদ্দিন, সদস্য সচিব মোস্তফা জামান, সদস্য এজিএম শামসুল হক প্রমুখ।

দলীয় সূত্র জানায়, এবার সাবেক ছাত্রদল নেতা, ত্যাগী ও তরুণ নেতৃত্বকে প্রাধান্য দিয়ে মহানগর বিএনপির নতুন কমিটি গঠনের চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ত্যাগ, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং মাঠের রাজনীতিতে যাদের কার্যকর প্রভাব ও নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ রয়েছে, তাদেরই নেতৃত্বে আনার বিষয়টি গুরুত্ব পেতে পারে। এ ক্ষেত্রে দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সম্ভাব্য নেতৃত্বের আলোচনায় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপিতে আবদুল কাদির ভূইয়া জুয়েলের নাম রয়েছে। তিনি ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি এবং স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক। মহানগর দক্ষিণের সাংগঠনিক রাজনীতিতে দীর্ঘদিনের সম্পৃক্ততা এবং নেতাকর্মীদের সঙ্গে তার যোগাযোগ রয়েছে।

অন্যদিকে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সম্ভাব্য নেতৃত্বের আলোচনায় রয়েছেন শরিফ উদ্দিন জুয়েল। বর্তমানে তিনি ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের আহ্বায়ক এবং যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি। এর আগে তিনি অবিভক্ত ঢাকা মহানগর ছাত্রদল উত্তরের সিনিয়র সহসভাপতি ছিলেন। ২০১৫ সালে বিএনপির আন্দোলনের সময় ছাত্রদল উত্তরের ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্বও পালন করেন তিনি। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা, সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা এবং মহানগর উত্তরের নেতাকর্মীদের সঙ্গে তার যোগাযোগও রয়েছে।

এ ছাড়া মহানগর উত্তর বিএনপির সম্ভাব্য নেতৃত্বের আলোচনায় শামসুর রহমান শামসুর ও জগলুল পাভেল পাশার নামও রয়েছে। দীর্ঘদিন রাজপথের বিভিন্ন কর্মসূচিতে সক্রিয় শামসুর রহমান আন্দোলনকেন্দ্রিক রাজনীতিতে অভিজ্ঞ। অন্যদিকে জগলুল পাভেল পাশার দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের অভিজ্ঞতাও আলোচনায় গুরুত্ব পাচ্ছে। বিগত সরকারের সময় রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণে নির্যাতন ও হয়রানির শিকার হওয়ার বিষয়টিও তার প্রতি দলের একটি অংশের সহানুভূতিশীল অবস্থানের কারণ বলে জানা গেছে।

তবে মহানগর বিএনপির নতুন নেতৃত্বে শেষ পর্যন্ত কারা আসছেন, তা নির্ভর করছে দলের হাইকমান্ডের সিদ্ধান্তের ওপর। সংশ্লিষ্ট নেতারা মনে করছেন, আসন্ন সিটি করপোরেশন নির্বাচন ও ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কর্মসূচিকে সামনে রেখে ত্যাগী, দক্ষ, তরুণ এবং মাঠপর্যায়ে নেতাকর্মীদের সঙ্গে কার্যকর যোগাযোগ রয়েছে এমন নেতাদের গুরুত্ব দেওয়া হতে পারে।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সভাপতি হিসেবে আলোচনায় যারা : 

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সভাপতি হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম। বর্তমানে তিনি ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসকের দায়িত্ব পালন করছেন। মহানগর রাজনীতিতে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা এবং সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততার কারণে তার নামও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচিত হচ্ছে বলে দলীয় সূত্র জানিয়েছে। 

এ ছাড়া আলোচনায় রয়েছেন মহানগর দক্ষিণ বিএনপির ১ নম্বর যুগ্ম আহ্বায়ক ও সাবেক কাউন্সিলর হারুনুর রশিদ হারুন। মাঠপর্যায়ে সক্রিয়তা, সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততা এবং নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগের কারণে তিনি আলোচনায় রয়েছেন। 

এ ছাড়া আলোচনায় রয়েছেন ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হামিদুর রহমান হামিদ। ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক হিসেবে পরিচিতির পাশাপাশি দলীয় কর্মকাণ্ডেও তার সম্পৃক্ততা রয়েছে। মহানগর দক্ষিণের নেতৃত্বে তাকে নিয়েও দলের বিভিন্ন পর্যায়ে আলোচনা চলছে। 

বর্তমান সদস্যসচিব তানভীর আহমেদ রবিনের নামও সম্ভাব্য নেতৃত্বের আলোচনায় রয়েছে। ২০২৪ সালের কমিটিতে সদস্যসচিবের দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে তিনি মহানগর দক্ষিণের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় রয়েছেন। দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক সম্পৃক্ততা ও বর্তমান দায়িত্বের অভিজ্ঞতা তাকে নেতৃত্বের আলোচনায় এগিয়ে রেখেছে বলে মনে করছেন দলের একটি অংশ।

এর বাইরে বর্তমান কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক আ ন ম সাইফুল ইসলাম, লিটন মাহমুদ, ফরহাদ হোসেন ও সাইদুর রহমান মিন্টুসহ আরও কয়েকজন নেতার নামও সম্ভাব্য নেতৃত্বের আলোচনায় রয়েছে।

তবে মহানগর দক্ষিণ বিএনপির নতুন নেতৃত্বের সমীকরণ এখনো চূড়ান্ত নয়। দলীয় সূত্রগুলোর মতে, সম্ভাব্য প্রার্থীদের রাজনৈতিক ত্যাগ, সাংগঠনিক দক্ষতা, মাঠপর্যায়ে গ্রহণযোগ্যতা এবং ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কর্মসূচি পরিচালনার সক্ষমতা বিবেচনায় নিয়েই সিদ্ধান্ত নিতে পারে হাইকমান্ড। 

কেকে/ এমএস


আরও সংবাদ   বিষয়:  মহানগর   নেতৃত্ব   ত্যাগী-তরুণ  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

খোলাকাগজ স্পেশাল- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: [email protected], [email protected]

© 2025 Kholakagoj
🔝
close