মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬,
২ আষাঢ় ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
শিরোনাম: দুদক পুনর্গঠনে যেকোনো সময় সার্চ কমিটি গঠন করা হবে      প্রকাশ্যে অস্ত্রের মহড়া      সম্পর্কোন্নয়নে অনাগ্রহী ভারত      সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর      ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনারকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব      বাতিল হচ্ছে সরকারি চাকরিজীবীদের ‘বিশেষ সুবিধা’      ভারতের ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে নতুন নির্দেশনা      
খেত খামার
পদ্মার বালুচরে সবুজের সমারোহ, চিনাবাদামে স্বপ্ন দেখছেন কৃষক
লালপুর (নাটোর) প্রতিনিধি
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬, ১২:৪৩ পিএম
ছবি: প্রতিনিধি

ছবি: প্রতিনিধি

নাটোরের লালপুরে পদ্মা নদীর পাড়ে জেগে ওঠা বিস্তীর্ণ বালুচরে এখন সোনালি স্বপ্ন দেখছেন কৃষকরা। একসময় খরস্রোতা পদ্মার বুকে জমে থাকা পলিতে তৈরি হওয়া এসব চরে বর্তমানে ব্যাপকভাবে চিনাবাদাম চাষ হচ্ছে। যতদূর চোখ যায়, সবুজ বাদামের খেতে ভরে উঠেছে চরাঞ্চল। মৌসুমের এ সময়ে বাদাম তুলতে ব্যস্ত সময় পার করছেন স্থানীয় কৃষকরা।

কম খরচে অধিক উৎপাদন এবং বাজারে ভালো দাম পাওয়ায় চিনাবাদাম চাষে লাভবান হচ্ছেন কৃষকরা। ফলে দিন দিন এ ফসলের প্রতি আগ্রহ বাড়ছে চরাঞ্চলের মানুষের মধ্যে।

তিলোকপুর, নিমতলী, গৌরীপুর, চর জাজিরা, মোহরকয়া, বিলমাড়ীয়া ও নওশারা চর এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বিস্তীর্ণ জমিতে বাদাম চাষ হয়েছে। কোথাও কৃষকরা মাঠ থেকে বাদাম তুলছেন, আবার কেউ বাড়িতে এনে গাছ থেকে বাদাম আলাদা করছেন।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, ঈশ্বরদী, লালপুর, সদর ও বিলমাড়ীয়া ইউনিয়নের পাঁচটি কৃষি ব্লকের প্রায় ৩ হাজার ৭৫৪ হেক্টর চরাঞ্চলের মধ্যে ৪৬৫ হেক্টর জমিতে বিভিন্ন জাতের চিনাবাদাম চাষ করা হয়েছে। এর মধ্যে বারি চিনাবাদাম-৮ ও ৯, ঢাকা চিনাবাদাম-১ এবং বিনা চিনাবাদাম-৮ উল্লেখযোগ্য। প্রতি হেক্টরে গড়ে প্রায় ২ দশমিক ১ মেট্রিক টন ফলন হয়েছে।

ঈশ্বরদী ইউনিয়নের কৃষক রবি হোসেন জানান, তিনি পাঁচ বিঘা জমিতে চিনাবাদাম চাষ করে প্রায় ৮০ হাজার টাকা ব্যয় করেছেন। ফলন ভালো হওয়ায় বাজারদর ঠিক থাকলে প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার টাকার বাদাম বিক্রির আশা করছেন।

আরেক কৃষক আব্বাস উদ্দিন বলেন, পদ্মার বালুচরে অন্য ফসল ভালো না হলেও চিনাবাদাম বেশ ভালো হয়। এতে সার, কীটনাশক ও সেচের তেমন প্রয়োজন হয় না। পাইকাররা সরাসরি জমি থেকেই বাদাম কিনে নেওয়ায় পরিবহন খরচও কমে যায়। তিনি প্রতি বিঘায় ১৩ থেকে ১৪ মণ পর্যন্ত ফলন পেয়েছেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মেহেদী হাসান জানান, আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় কৃষকদের চিনাবাদাম চাষে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। চলতি মৌসুমে ভালো ফলন হওয়ায় আগামী বছর এ অঞ্চলে এ ফসলের আবাদ আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

কেকে/এলএ


আরও সংবাদ   বিষয়:  পদ্মা   বালুচর   সবুজ   সমারোহ   চিনাবাদাম  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

খেত খামার- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: kholakagojnews@gmail.com, kholakagojadvt@gmail.com

© 2025 Kholakagoj
🔝
close