ফেসবুক পরিচয়ের সূত্রে বিধবা নারীকে ধর্ষণ ও জোরপূর্বক গর্ভপাত করানোর অভিযোগে দায়ের করা মামলায় মামলায় ইসলামী ছাত্রশিবিরের সহকারী আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক জিসান মিয়া প্রধানকে (২৮) কারাগারে পাঠিয়েছেন কুমিল্লার আদালত।
মঙ্গলবার (১৬জুন) বিকাল সাড়ে পাঁচটায় জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৩-এ পুলিশ ও ডিবির কড়া নিরাপত্তায় জিসানকে হাজির করা হলে আদালতের বিচারক তৈয়ব উদ্দিন তাকে কারাগারে পাঠান।
আসামি পক্ষের আইনজীবী মনিরুল ইসলাম পাটোয়ারী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে সুস্থ বলে প্রতিবেদন দিয়ে মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন জিসান মিয়াকে চার দিন পর ছাড়পত্র দিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
জিসানকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা বিকাল সাড়ে ৫টায় আদালতে নিয়ে আসেন ।
কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার এক বিধবা নারীকে ধর্ষণ ও ভ্রূণ নষ্ট করার অভিযোগের মামলায় শুক্রবার (১২ জুন) রাতে জিসানকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। কিন্তু জিসান নিজেকে ‘অসুস্থ দেখিয়ে’ পুলিশি হেফাজতে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন এত দিন। এ জন্য তাকে গ্রেপ্তার করা হলেও আদালতে পাঠায়নি পুলিশ। এর আগে দাউদকান্দি থেকে কথিত নিখোঁজ হওয়ার একদিন পর শুক্রবার রাত পৌনে ১০টার দিকে লাকসাম রেলওয়ে জংশন এলাকায় ‘অচেতন’ অবস্থায় জিসানকে উদ্ধার করা হয় বলে দাবি করে পরিবার। পরে ওই দিন রাতেই চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।
সংবাদ সম্মেলন করে জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) আনিসুজ্জামান বলেছিলেন, ‘জিসানকে কেউ অপহরণ করেনি; তিনি নিজেই আত্মগোপনে ছিলেন।’
কেকে/এমএ