গাজীপুরের কাপাসিয়ায় পারিবারিক কলহের জেরে এক তরুণী আন্নি (১৭) ফকির মজনুশাহ সেতু (শীতলক্ষ্যা সেতু) থেকে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে আত্নহত্যার চেষ্টা করে। তবে পারিবারিক কি সমস্যায় ভুগছে ওই নারী সেটা নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ।
সোমবার (৬ জুলাই) বিকাল সাড়ে ৩ টায় কাপাসিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জাকির হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আন্নি কাপাসিয়া উপজেলার চাঁদপুর ইউনিয়নের ডেফুলিয়া গ্রামের আনিসের মেয়ে।
জানা যায়, সোমবার (৬ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে কাপাসিয়ার ফকির মজনুশাহ সেতু (শীতলক্ষ্যা সেতু) থেকে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে আত্নহত্যার চেষ্টা করে। পরে তাকে উদ্ধার করে কাপাসিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রাখে।
উদ্ধারকারী রাসেল বেপারী বলেন, আমার বাসা নদীর সাথেই। রাতে খেলা দেখার কারণে আমি বাসায় দুপুর পর্যন্ত ঘুমিয়ে ছিলাম। স্থানীয় বাসিন্দা, প্রত্যক্ষদর্শী এবং নদী পাড়ে ঘুরাফেরা করা শিশুদের চিৎকার শুনে আমার ঘুম ভেঙ্গে যায়। পরে বাসা থেকে বের হয়ে নদীর পাড়ে গিয়ে দেখি একটি মেয়ে পানিতে ভেসে যাচ্ছে এবং দুই হাত পানির উপরে উঠিয়ে বাঁচার চেষ্টা করছে। তখন আর দেরি না করে নৌকা নিয়ে নদীতে গিয়ে তাকে উদ্ধার করি এবং নদীর পাশে থাকা লোকদের সহযোগীতায় ওই মেয়েকে কাপাসিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাই।
কাপাসিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তানভীর আহমেদ জানান, উদ্ধার হওয়া তরুণীকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং পর্যবেক্ষনে রাখা হয়েছে। তার শারীরিক অবস্থা আপাতত ভালো আছে। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হবে।
কাপাসিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জাকির হোসেন বলেন, তরুণী কেন এবং কি কারনে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে আত্নহত্যার চেষ্টা করেছে তা এখনো জানা যায়নি। তার স্বজনদের সাথে যোগাযোগ করা হয়েছে। তারা আসতেছে এবং তাদের সাথে কথা না বলে বিস্তারিত কিছুই বলা যাচ্ছে না।
কেকে/ এমএস