বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬,
২৫ আষাঢ় ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম: সংবিধানে ফিরল তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও গণভোট ব্যবস্থা      ব্যয়সংকোচনে কঠোর সরকার, গাড়ি কেনা ও বিদেশ সফরে নিষেধাজ্ঞা      রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধসে মৃত বেড়ে ৮      রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধসে ৭ শিক্ষার্থীর মৃত্যু      ধানের শীষ হাতে দাঁড়িয়ে থাকা সেই নিরাপত্তাকর্মীকে প্রধানমন্ত্রীর উপহার      শনিবার ঢাকা মেডিকেলে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী      পঞ্চদশ সংশোধনী নিয়ে আপিল বিভাগের রায় ৯ জুলাই      
খোলাকাগজ স্পেশাল
উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও আয়-ব্যয়ের ফারাক
ভারসাম্য সংকটে দেশের অর্থনীতি
আলতাফ হোসেন
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬, ৯:১৮ এএম
ছবি : খোলা কাগজ

ছবি : খোলা কাগজ

বহুমুখী চ্যালেঞ্জের মধ্যদিয়ে যাচ্ছে দেশের অর্থনীতি। দীর্ঘস্থায়ী উচ্চ মূল্যস্ফীতি, রাজস্ব আদায়ে ঘাটতি, বেসরকারি বিনিয়োগে স্থবিরতা এবং উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের ধীরগতি অভ্যন্তরীণ অর্থনীতির ওপর চাপ বাড়াচ্ছে। একইসঙ্গে মূল্যস্ফীতির তুলনায় মজুরি কম বাড়ায় সাধারণ মানুষের প্রকৃত আয় ও ক্রয়ক্ষমতা ক্রমেই কমে যাচ্ছে। তবে এই প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও রেমিট্যান্স ও তৈরি পোশাক খাতের রপ্তানি প্রবৃদ্ধি দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ও বহিস্থ খাতকে একটি শক্তিশালী অবস্থানে ধরে রেখেছে। 

পরিকল্পনা কমিশনের মতে, বৈদেশিক খাতের এই ইতিবাচক ধারা বজায় রাখতে পারলে এবং অভ্যন্তরীণ সরবরাহ ব্যবস্থার সংকট কাটিয়ে উঠতে পারলে বাংলাদেশ আগামী মাসগুলোতে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা পুনরুদ্ধার করতে সক্ষম হবে।

পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ (জিইডি) প্রকাশিত সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ সালের মে মাসে সাধারণ মূল্যস্ফীতি আগের মাসের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এপ্রিল মাসে যেখানে সাধারণ মূল্যস্ফীতি ছিল ৯.০৪ শতাংশ, মে মাসে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯.৪২ শতাংশে। এই বৃদ্ধির পেছনে মূলত খাদ্য এবং খাদ্যবহির্ভূত উভয় খাতের পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়াকে দায়ী করা হয়েছে। 

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মে মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৯.০৬ শতাংশে পৌঁছেছে, যা এপ্রিলে ছিল ৮.৩৯ শতাংশ। একইভাবে, খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ৯.৫৭ শতাংশ থেকে বেড়ে ৯.৭১ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। কাঠামোগত সরবরাহ সংকট এবং আমদানিকৃত পণ্যের উচ্চমূল্য এই দীর্ঘস্থায়ী মূল্যস্ফীতির প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

তবে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) প্রকাশিত সর্বশেষ প্রতিবেদনে গত জুনে দেশে মূল্যস্ফীতির হার সামান্য কমলেও তা ৯ শতাংশের ওপরেই অবস্থান করছে। এ নিয়ে টানা তিন মাস মূল্যস্ফীতির হার ৯ শতাংশের ওপরে অবস্থান করেছে।  

এ বিষয়ে বেসরকারি গবেষণাপ্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেছেন, বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে শিগগিরই মূল্যস্ফীতি কমার সম্ভাবনা নেই। এত দীর্ঘসময় ধরে উচ্চ মূল্যস্ফীতি বিরাজ করায় সীমিত আয়ের মানুষের জীবনযাত্রা অসহনীয় হয়ে উঠেছে। মানুষের প্রকৃত আয় দ্রুত কমেছে, খরচ করার সামর্থ্য সীমিত হয়েছে। মানুষ সংসার খরচ কাটছাঁট করতে গিয়ে বিনোদন, পর্যটনসহ নানা খাতে কম ব্যয় করছেন, যা ব্যবসা-বাণিজ্যে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

জ্বালানি ও পরিবহনের অস্বাভাবিক ব্যয় বৃদ্ধি : মে মাসে মূল্যস্ফীতিকে উসকে দেওয়ার পেছনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে জ্বালানি ও পরিবহন খাতের ব্যয়। জিইডির প্রতিবেদনে দেখা যায়, পরিবহন খাতের ব্যয় মে মাসে ৯.৮৬ শতাংশে উন্নীত হয়েছে, যা এপ্রিলে ছিল ৯.৩১ শতাংশ। আরও উদ্বেগজনক বিষয় হলো, পরিবহন পরিষেবার  মূল্য ২০.০৭ শতাংশ থেকে বেড়ে ২১.০২ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। 

জ্বালানির বাজারে অস্থিরতা আরও প্রকট। তরল জ্বালানির মূল্যস্ফীতি ২৩.২৮ শতাংশ থেকে বেড়ে ২৫.০০ শতাংশে পৌঁছেছে। ব্যক্তিগত ব্যবহারের জ্বালানি পণ্যের মধ্যে পেট্রোলের দাম ১১.৫৭ শতাংশ, ডিজেল ১০.৫৮ শতাংশ এবং অকটেনের দাম ১২.০০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে এলপিজি গ্যাসের দাম ২৪.০৪ শতাংশে স্থির ছিল।

খাদ্যের বাজার ও চালের স্থিতিশীলতা : মে মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতির অন্যতম প্রধান চালক ছিল সবজি, যার অবদান ছিল ২৭.৪৪ শতাংশ। এ ছাড়া মাছ ও শুঁটকি মাছের অবদান ছিল ২৫.৮০ শতাংশ এবং গরুর মাংসের অবদান ছিল ৬.৮৩ শতাংশ। তবে আশার কথা হলো, বোরো মৌসুমের ভালো ফলনের ফলে চালের বাজারে কিছুটা স্বস্তি দেখা গেছে। চালের সামগ্রিক মূল্যস্ফীতি মে মাসে মাইনাস ৩.১০ শতাংশে ছিল, যা এপ্রিলের মাইনাস ৪.২৮ শতাংশের তুলনায় কিছুটা বাড়লেও এখনো নেতিবাচক ধারায় রয়েছে। এটি নির্দেশ করে যে, চালের দাম গত বছরের তুলনায় কিছুটা কমেছে, যা খাদ্য মূল্যস্ফীতিকে আরও বাড়তে দেয়নি।

কমছে প্রকৃত আয় : মূল্যস্ফীতির এ ঊর্ধ্বগতির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে সাধারণ মানুষের মজুরি বাড়ছে না। মে মাসে মজুরি বৃদ্ধির হার ছিল ৮.২১ শতাংশ, অথচ মূল্যস্ফীতি ছিল ৯.৪২ শতাংশ। এর ফলে মূল্যস্ফীতি ও মজুরির মধ্যে ১.২১ শতাংশ পয়েন্টের ব্যবধান তৈরি হয়েছে। এই বিশাল ব্যবধানের কারণে শ্রমিক ও নিম্ন আয়ের মানুষের প্রকৃত ক্রয়ক্ষমতা মারাত্মকভাবে হ্রাস পাচ্ছে এবং তাদের জীবনযাত্রার মান ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

ব্যাংকিং খাত ও বিনিয়োগের চিত্র : ব্যাংকিং খাতে আমানত বা ডিপোজিট প্রবৃদ্ধি শক্তিশালী থাকলেও বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবাহে স্থবিরতা দেখা গেছে। মে মাসে আমানত প্রবৃদ্ধি প্রায় ১২ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা ব্যাংকিং ব্যবস্থার প্রতি গ্রাহকদের আস্থার প্রতিফলন। অন্যদিকে, বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি মাত্র ৪.৭৫ শতাংশে সীমাবদ্ধ রয়েছে, যা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থার অভাব এবং নতুন ব্যবসায়িক উদ্যোগের অভাবকে নির্দেশ করে। তবে স্বস্তির বিষয় হলো, সরকার কর্তৃক ব্যাংক থেকে ঋণ গ্রহণের হার ৩১.৫১ শতাংশ থেকে কমে ২৬.২৪ শতাংশে নেমে এসেছে, যা বেসরকারি খাতের জন্য ঋণ পাওয়ার পথ সুগম করতে পারে।

রাজস্ব আদায় ঘাটতিতে উন্নয়ন ব্যয়ে ধীরগতি : সরকারের অভ্যন্তরীণ আয় এবং ব্যয় উভয় ক্ষেত্রেই লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ দেখা দিয়েছে। মে মাসে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড তার সংশোধিত মাসিক লক্ষ্যমাত্রার মাত্র ৭৩ শতাংশ আদায় করতে সক্ষম হয়েছে। ৪৫,৩৭৪ কোটি টাকা লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে আদায় হয়েছে ৩৩,১০৮ কোটি টাকা, অর্থাৎ ১২,২৬৬ কোটি টাকার রাজস্ব ঘাটতি রয়ে গেছে। আয়কর, ভ্যাট এবং আমদানি শুল্ক তিনটি প্রধান খাতেই লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়নি।

রাজস্ব সংকটের প্রভাব পড়েছে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়নেও। মে মাস পর্যন্ত এডিপি বাস্তবায়নের হার দাঁড়িয়েছে ৪৮.২৩ শতাংশে, যা আগের বছরের একই সময়ের (৪৯.০৮ শতাংশ) তুলনায় কম। সামগ্রিক উন্নয়ন ব্যয় আগের বছরের তুলনায় প্রায় ৯.২ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।

বৈদেশিক খাতের ইতিবাচক ধারা : অভ্যন্তরীণ অর্থনীতির নানাবিধ সংকটের মাঝেও বৈদেশিক খাত দেশের অর্থনীতির জন্য রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করছে। শক্তিশালী রেমিট্যান্স প্রবাহ এবং তৈরি পোশাক রপ্তানির প্রবৃদ্ধি বহিস্থ খাতকে স্থিতিশীল রেখেছে। মে মাসে দেশে ৩,৪২৫.০৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে, যা আগের বছরের মে মাসের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। তৈরি পোশাক খাতের রপ্তানি মে মাসে ৩,৫৯৪.১৪ মিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। গত তিন মাসে এই খাতের রপ্তানি প্রবৃদ্ধি ছিল প্রায় ২৯ শতাংশ। তবে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ মে মাসে কিছুটা কমে ৩৪.৫৫ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে (মার্চে ছিল ৩৫.১১ বিলিয়ন ডলার), যা মূলত আমদানি দায় মেটানোর চাপের কারণে হয়েছে।

মুদ্রার বিনিময় হার ও সক্ষমতা : মার্কিন ডলারের বিপরীতে টাকার বিনিময় হার মে মাসে কিছুটা শক্তিশালী হয়ে ১২২.৮১ টাকায় দাঁড়িয়েছে (এপ্রিলে ছিল ১২২.৮৭ টাকা)। তবে দীর্ঘমেয়াদি চিত্রের দিকে তাকালে দেখা যায়, ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে মে পর্যন্ত টাকার মান ০.৪০ শতাংশ কমেছে। মূল্যস্ফীতির কারণে রিয়েল ইফেক্টিভ এক্সচেঞ্জ রেট ১০১.৫৭ থেকে বেড়ে ১০১.৭৪ এ পৌঁছেছে। এর ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা কিছুটা কমে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে, কারণ প্রতিযোগী দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ উৎপাদন ব্যয় বাড়ছে।

আমদানি প্রবণতা ও মূলধনী যন্ত্রপাতি : বাংলাদেশের আমদানি খাতে ২০২৬ সালের প্রথম কয়েক মাসে কিছুটা অস্থিরতা লক্ষ্য করা গেলেও সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী আমদানিতে একটি শক্তিশালী ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে শিল্প উৎপাদন এবং বিনিয়োগের জন্য প্রয়োজনীয় মূলধনী যন্ত্রপাতি ও কাঁচামাল আমদানিতে বড় ধরনের গতি লক্ষ্য করা গেছে, যা দেশের অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পুনরুজ্জীবিত হওয়ার সংকেত দিচ্ছে।

আমদানি ব্যয়ের বর্তমান চিত্র ও গতিপ্রকৃতি প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে সামগ্রিক আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ ছিল ৬,৪০৭.৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। মার্চ মাসে এটি কিছুটা কমে ৫,৫০৯.৪ মিলিয়ন ডলারে দাঁড়ালেও এপ্রিল মাসে তা শক্তিশালীভাবে ঘুরে দাঁড়ায়। এপ্রিলে আমদানি ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়ে ৬,৭৬৪.৯ মিলিয়ন ডলারে পৌঁছায়।

জিইডি বলছে, মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানি ও বিনিয়োগের পূর্বাভাস দেশের শিল্পায়ন এবং দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের অন্যতম প্রধান সূচক হলো মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানি। এ খাতে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে যেখানে ২১৫.৯ মিলিয়ন ডলারের মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানি হয়েছিল, মার্চ মাসে তা এক লাফে ৩১৬.৮ মিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়। এপ্রিল মাসে এটি সামান্য কমে ৩০১.২ মিলিয়ন ডলারে দাঁড়ালেও সামগ্রিক চিত্র নির্দেশ করে যে আমদানির পরিমাণ ফেব্রুয়ারির তুলনায় অনেক বেশি ছিল।

প্রতিষ্ঠানটির মতে, মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানির এ উচ্চ হার নির্দেশ করে যে, দেশের উদ্যোক্তাদের মধ্যে ব্যবসায়িক আস্থা বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং তারা উৎপাদন সক্ষমতা বাড়াতে ও শিল্প সম্প্রসারণে বিনিয়োগ করছেন। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ও ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ আমদানি ও মূলধনী যন্ত্রপাতির এই শক্তিশালী চাহিদা অভ্যন্তরীণ বিনিয়োগের জন্য আশাব্যঞ্জক হলেও এটি স্বল্পমেয়াদে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার ওপর কিছুটা চাপ তৈরি করেছে। আমদানির দায় মেটানোর ফলে বৈদেশিক মুদ্রার চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় রিজার্ভের ওপর এর প্রভাব পড়ছে।

কেকে/ এমএস


আরও সংবাদ   বিষয়:  ভারসাম্য   সংকট   অর্থনীতি  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

খোলাকাগজ স্পেশাল- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: [email protected], [email protected]

© 2025 Kholakagoj
🔝
close