বঙ্গোপসাগরের মিয়ানমার উপকূলে দুইটি নৌকাডুবির ঘটনায় ৫৩০ জন রোহিঙ্গা নিহত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) জাতিসংঘের অভিবাসন বিষয়ক সংস্থা আইওএম এবং শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর বিবৃতিতে নিশ্চিত করেছে এ তথ্য।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘গেল জুন মাসের শেষ দিকে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী রাখাইন রাজ্যের বঙ্গপোসাগর উপকূল থেকে যাত্রা শুরু করেছিল নৌকা দুইটি। একটি নৌকায় ২৫০ জন এবং অপর নৌকায় ২৬০ জন যাত্রী ছিলেন। যাত্রীদের মধ্যে মিয়ানমারের রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর পাশাপাশি বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলার টেকনাফের শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় নেওয়া বেশ কয়েকজন রোহিঙ্গা নারী-পুরুষও ছিলেন।’
জুন মাসের শেষে যাত্রা শুরু করার প্রায় ২ সপ্তাহ পর গত ৮ জুলাই মিয়ানমারের ইরাওয়াদি উপকূলে নৌকা দুইটি ডুবে যায়। আইওএম এবং ইউএনএইচসিআরের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইরাওয়াদি উপকূলে আসার পর নৌকা দু’টি যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে এবং প্রথমে ডোবে ২৫০ জন যাত্রীবাহী নৌকাটি। তার কিছু সময় পরে দ্বিতীয় নৌকাটিও ডুবে যায় সাগরে।
রাখাইন থেকে কোন গন্তব্যের দিকে যাত্রা করেছিল নৌকা দুইটি—তা এখনও নির্দিষ্টভাবে জানা যায়নি। তবে ধারণা করা হচ্ছে, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া কিংবা থাইল্যান্ড—এই তিন দেশের কোনো একটিতে পৌঁছানো ছিল নৌকাগুলোর উদ্দেশ্য। কারণ যে পথে নৌকা দু’টি যাত্রা করেছিল—তা এই তিন দেশে গিয়েই শেষ হয়।
ডুবে যাওয়া দুইটি নৌকা থেকে কোনো যাত্রী জীবিত অবস্থায় ফিরে এসেছেন—এমন তথ্য পাওয়া যায়নি।
কেকে/এমএ