বুধবার, ৫ আগস্ট ২০২৬,
২১ শ্রাবণ ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

বুধবার, ৫ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম: ফ্যাসিস্ট পতনের দুই বছর      এবার ব্রাজিলের রাষ্ট্রদূতের ভিসা বাতিল করল যুক্তরাষ্ট্র      আজ জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী      বিদ্যুৎ-গ্যাস সমস্যা সমাধানের নিরন্তর চেষ্টা করে যাচ্ছি : প্রধানমন্ত্রী      ঢাকা কলেজ-জবিসহ রাজধানীর একাধিক স্থানে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ      শেখ হাসিনার বক্তব্য দেয়ার সাথে ভারত সরকারের কোনো সম্পর্ক নেই      ২৪ ঘণ্টায় হামে দুই শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১০১৯      
খোলাকাগজ স্পেশাল
‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ আজ
ফ্যাসিস্ট পতনের দুই বছর
রবিউল ইসলাম
প্রকাশ: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬, ৯:৫৭ এএম
ছবি : খোলা কাগজ

ছবি : খোলা কাগজ

‘পঞ্জিকা বলে আজ আগস্টের পাঁচ, রক্তে ভেজা রাজপথ, স্তব্ধ আকাশ। তবু তরুণের বুকে প্রতিবাদের বান, রচিত হলো আজ নতুন এক প্রাণ...’ ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের পতনের দুই বছর আজ। ২০২৪ সালের এদিনে ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের মুখে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়ে যান। এর মাধ্যমে তার প্রায় ১৬ বছরের শাসনের অবসান ঘটে। দিনটি বাংলাদেশের ইতিহাসে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের গুরুত্বপূর্ণ দিন। ২০২৫ সালের ২৬ জুন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ৫ আগস্টকে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করে। স্বৈরাচারী সরকারের পতনের স্মরণে প্রতি বছর জাতীয়ভাবে ‘ক’ ক্যাটাগরিতে দিবসটি পালন ও সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়।

এদিকে, ফ্যাসিস্ট পতনের দুই বছরে দেশে রাজনৈতিক সংস্কার, বিচার প্রক্রিয়া এবং নতুন বন্দোবস্তের দাবি জোরালো হলেও ক্ষমতার অপব্যবহার ও নতুন করে ফ্যাসিবাদী আচরণ ফেরার শঙ্কা নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও মহলে নানা আলোচনা-সমালোচনা চলছে। দেশবাসীর আকাশছোঁয়া স্বপ্ন মুখ থুবড়ে পড়েছে। দূর হয়নি দুর্নীতি-অনিয়ম। সংস্কার হয়নি কোনো খাত। কাঙ্ক্ষিত সেবা তাই সুদূরপরাহত। সরকারি দলের মন্ত্রীরাও বিষয়টি নিয়ে ক্ষুব্ধ। খোদ স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘আমার এই চার-পাঁচ মাসের মন্ত্রিত্বের অভিজ্ঞতায় আমি দেখছি যে, কিছুই বদলায়নি! যারা ঘুষ খেত, তারা একইভাবে ঘুষ খাওয়ার ফন্দি-ফিকির করছে। একইভাবে যারা ভালো একটা কাজ আটকে দিত, তারাও আটকে দিচ্ছে।’ বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতের আমিরও ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, এখন আওয়ামী লীগের মতোই কাজকর্ম দেখা যাচ্ছে।

ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম মহান জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের আত্মত্যাগ ও প্রত্যাশার বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক, জবাবদিহিমূলক ও ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি গতকাল বলেন, ‘আসুন, মহান জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে একটি গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক, মানবিক, বৈষম্যহীন ও সুখী-সমৃদ্ধ নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলি।’

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থান ছিল দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে চলা ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান এবং জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার এক ঐতিহাসিক বিজয়। এ আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে গড়ে ওঠা জাতীয় ঐক্য যে কোনো মূল্যে রক্ষা করতে হবে এবং বাংলাদেশে আর কখনো স্বৈরাচার, ফ্যাসিবাদ, চরমপন্থা কিংবা উগ্রবাদের উত্থান হতে দেওয়া যাবে না।

দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন উপলক্ষে জাতীয় পর্যায়ে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। এদিন দেশের ৬৪ জেলায় জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হবে। গতকাল সরকারি এক তথ্যবিবরণীতে জানানো হয়, দিবসটি উপলক্ষে সংবাদপত্রগুলোতে বিশেষ নিবন্ধ, সাহিত্য-সাময়িকী ও ক্রোড়পত্র প্রকাশ করা হবে। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভার পর জানানো হয়, ৫ আগস্ট সকাল ৯টায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই দিন বেলা ১১টায় ঢাকার বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জুলাই শহীদ পরিবার এবং জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা ও দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। এতে রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। ঢাকাসহ সব সিটি করপোরেশনের মিনিপোলে জুলাই আন্দোলনের ওপর বস্তুনিষ্ঠ ও নৈর্ব্যক্তিক দুর্লভ আলোকচিত্র ও প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হবে। এছাড়া দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতারসহ বিভিন্ন বেসরকারি বেতার ও টিভি চ্যানেল, এফএম ও কমিউনিটি রেডিওতে জুলাই গণঅভ্যুত্থান সম্পর্কিত আলোচনা অনুষ্ঠান আয়োজনসহ বিশেষ অনুষ্ঠানমালা প্রচার করা হবে।

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর গত কয়েক মাসের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘আমার এই চার-পাঁচ মাসের মন্ত্রিত্বের অভিজ্ঞতায় আমি দেখছি যে, কিছুই বদলায়নি! যারা ঘুষ খেত, তারা একইভাবে ঘুষ খাওয়ার ফন্দি-ফিকির করছে। একইভাবে যারা ভালো একটা কাজ আটকে দিত, তারা আটকে দিচ্ছে। কথাগুলো বলছি অনেক কষ্টে।’ গত বৃহস্পতিবার রাজধানীর এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক কাজী মাহবুব বলেন, ‘পঙ্গুত্ব বরণ করি নাই, আমরা যে শহীদ হই নাই, যে আমরা আছি, এটা তো আমাদের মনে করা দরকার যে, জুলাইকে আমরা কীভাবে ধারণ করব?’ বৈষম্যহীন রাষ্ট্র ও অসুস্থ ধারার রাজনীতির পরিবর্তনের স্বপ্ন নিয়ে ২০২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থানে রাস্তায় নেমেছিল সাধারণ মানুষ। দুই বছর পর সে স্বপ্নের কতটা বাস্তবায়ন হয়েছে, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন। সাধারণ মানুষ বলছেন, সেই স্বপ্ন বাস্তবায়ন না হওয়ার পেছনের দায় কারও একার নয়; এর দায় নিতে হবে সবাইকে।

জুলাই জাদুঘর খুলছে আজ, সবার জন্য উন্মুক্ত কাল

জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর জনসাধারণের জন্য আজ বুধবার খুলছে। আর আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে। প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য টিকিট মূল্য ৫০ টাকা এবং শিশুদের জন্য ২৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। টিকিট নিতে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। গতকাল মঙ্গলবার সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। তিনি বলেন, বুধবার সকাল ৯টায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন করবেন।

প্রবল গণপ্রতিরোধে হাসিনার স্বৈরশাসন থেকে মুক্ত হয় বাংলাদেশ

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার সর্বোচ্চ আত্মত্যাগ ও তীব্র প্রতিরোধের মুখে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়ে যান। এর মাধ্যমে প্রায় ১৬ বছরের স্বৈরশাসনের অবসান ঘটে। বাংলাদেশ এক ভয়ঙ্কর ফ্যাসিবাদী স্বৈরশাসনের কবল থেকে মুক্তি পায়। এ বিজয় অর্জনে হাজারো শহীদ, ২৩ হাজারেরও বেশি আহত, সাত শতাধিক মানুষ দৃষ্টিহারা, হাজারো মানুষের পঙ্গুত্ববরণ, হাজারো সাধারণ মানুষ, রাজনৈতিক নেতাকর্মী, শিক্ষার্থীর কারাবরণ এবং নির্যাতন-নিপীড়নের অবর্ণনীয় ত্যাগ রয়েছে। রয়েছে প্রিয়জন, স্বজন এবং সন্তান হারানোর করুণ আর্তনাদ। ৫ আগস্ট হাসিনা সরকারের পতনের পরও পুলিশের বর্বর হামলায় অনেক মানুষ প্রাণ হারান। শেখ হাসিনার অনুগত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠন যুবলীগ ও ছাত্রলীগের সশস্ত্র ক্যাডারদের হামলায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শত শত মানুষ নিহত এবং অসংখ্য মানুষ আহত হন।

এসব ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে এখন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারিক কার্যক্রম চলছে। চব্বিশের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের ছয়টি মামলায় রায় ইতোমধ্যে ঘোষণা করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। আলোচিত ছয়টি রায়ে ১৬ জনের মৃত্যুদণ্ড ও ১১ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়ার পাশাপাশি এসব মামলার অপর আসামিদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চলমান বিচারের বিষয়ে চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, চব্বিশের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের বিচারের প্রতিশ্রুতি নিয়ে যে ট্রাইব্যুনাল পুনর্গঠিত হয়েছিল, এখন পর্যন্ত দুটি ট্রাইব্যুনালের দেওয়া ছয়টি রায়ের মাধ্যমে সে প্রতিশ্রুতি অনেকাংশে পূরণ হয়েছে।

‘মার্চ টু ঢাকা’, হাসিনার অনিবার্য পতন

৫ আগস্টের কারফিউ উপেক্ষা করে ‘মার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচি সফল করতে হাজার হাজার মানুষ রাজধানী ঢাকার অভিমুখে পদযাত্রা করেন। দেশজুড়ে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার লাখ লাখ মানুষ রাজপথে নেমে আসেন। সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান শেখ হাসিনার পদত্যাগের খবর নিশ্চিত করার পর জনতার উল্লাসে চারদিক মুখরিত হয়ে ওঠে। শেখ হাসিনার ক্ষমতার আধিপত্য এবং আওয়ামী লীগের কথিত রাজনৈতিক দুর্গ যেন মুহূর্তেই ভেঙে পড়ে। রাজধানীর রাজপথ দখলে নেয় লাখ লাখ মানুষ। তাদের মধ্যে হাজার হাজার বিক্ষুব্ধ জনতা শেখ হাসিনার তৎকালীন বাসভবন গণভবনে প্রবেশ করে বিজয় উদযাপন শুরু করে। শুধু গণভবন নয়, শেখ হাসিনা দেশত্যাগ করার পর অসংখ্য মানুষ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও জাতীয় সংসদেও প্রবেশ করে। দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত শিশু, বৃদ্ধ, শ্রমজীবী মানুষ ও শিক্ষার্থী—সবাই রাজপথে নেমে দীর্ঘদিনের একনায়কতান্ত্রিক শাসনের পতন উদযাপন করে। হাসিনার পতনের আনন্দে রাজপথে অসংখ্য মানুষ শুকরিয়া আদায়ে সেদিন নফল নামাজ আদায় করেন। এর আগে শেখ হাসিনা শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত ক্ষমতা ধরে রাখার চেষ্টা করেন। ৫ আগস্ট রাজধানীর প্রবেশপথগুলোতে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংঘর্ষ হয়। দুপুরের দিকে হাজার হাজার মানুষ শাহবাগে জড়ো হতে থাকেন। শেখ হাসিনা হঠাৎ দেশত্যাগ করার পরও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী রাজধানীসহ সারা দেশে ছাত্র-জনতার ওপর গুলি চালায়। এতে অনেক মানুষ নিহত ও আহত হন।

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানে রাজপথ কাঁপানো বিভিন্ন স্লোগান আন্দোলনকে বেগবান করেছিল। সেই স্লোগানগুলো অধিকার আদায়, প্রতিবাদ ও সরকার পতনের প্রতীক হয়ে উঠেছিল। প্রাথমিক প্রতিবাদ ও মেধার স্লোগান ছিল—‘কোটা না মেধা? মেধা! মেধা!’, ‘চাইলাম অধিকার, হয়ে গেলাম রাজাকার!’, ‘আমি কে, তুমি কে? রাজাকার, রাজাকার! কে বলেছে, কে বলেছে? স্বৈরাচার, স্বৈরাচার!’, ‘আপস না সংগ্রাম? সংগ্রাম! সংগ্রাম!’ এবং ‘দালালি না রাজপথ? রাজপথ! রাজপথ!’ সরকার পতনের চূড়ান্ত স্লোগান ছিল—‘এক দুই তিন চার, শেখ হাসিনা গদি ছাড়!’, ‘দফা এক, দাবি এক, হাসিনা সরকারের পতন!’ এবং ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ!’ লন্ডনে থেকে আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া বিএনপির তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মুখে উচ্চারিত বিভিন্ন স্লোগান আন্দোলনে ভিন্নমাত্রা যোগ করে। উল্লেখ্য, বিতর্কিত ১/১১-এর জরুরি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে নির্যাতন-নিপীড়নের শিকার হয়ে দীর্ঘদিন লন্ডনে নির্বাসিত ছিলেন তিনি।

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে ৫ আগস্ট ঘিরে কোনো ধরনের নিরাপত্তা হুমকির তথ্য নেই বলে জানিয়েছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। গতকাল এক সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (গোয়েন্দা) মো. শফিকুল ইসলাম এ কথা জানান। তিনি বলেন, ৫ আগস্টকে কেন্দ্র করে এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের হুমকির তথ্য গোয়েন্দাদের কাছে নেই।

কেকে/এলএ


আরও সংবাদ   বিষয়:  ফ্যাসিস্ট পতন  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

খোলাকাগজ স্পেশাল- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: [email protected], [email protected]

© 2025 Kholakagoj
🔝
close