বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দিবাগত রাত আনুমানিক ২টার দিকে রাজধানীর সেতু ভবনের সামনে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত হন।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) রুয়েট প্রাক্তন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল অ্যাসোসিয়েশনের দপ্তর সম্পাদক কে এম ফারজাদুল ইসলাম মিরন স্বাক্ষরিত এক শোকবার্তায় এ শোক ও দুঃখ প্রকাশ করা হয়।
রুয়েট প্রাক্তন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি প্রকৌশলী মো. নুর ইসলাম তুষার এবং সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী আহসান হাবীব লেলিন এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, আমাদের প্রিয় ভাই প্রকৌশলী এ এইচ এম সালেহীনের হঠাৎ চলে যাওয়া আমাদের হৃদয়কে গভীরভাবে নাড়িয়ে দিয়েছে। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি ছিলেন মেধা, সাহস ও নেতৃত্বের উজ্জ্বল প্রতীক। রুয়েট ছাত্রদলের সহ-সভাপতি হিসেবে তিনি যে দক্ষতা, সততা ও সাংগঠনিক নিষ্ঠা দেখিয়েছেন, তা আমাদের সবার কাছে চিরকাল অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। কর্মজীবনে তিনি টেলিকম খাতে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছেন এবং শেষ পর্যন্ত নিজ প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্বশীল নেতৃত্ব দিয়ে গেছেন।
বিবৃতিতে তারা আরও বলেন, এ এইচ এম সালেহীনের অকাল প্রয়াণে আমাদের অ্যাসোসিয়েশনসহ সমগ্র প্রকৌশলী সমাজ একজন সৎ, মেধাবী ও পরিশ্রমী সন্তানকে হারালো। আমরা তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি এবং তাঁর শোকাহত পরিবারের প্রতি বিশেষ করে তাঁর বাবা-মা, স্ত্রী ও একমাত্র কন্যা রুশদার (৭ম শ্রেণি, বিএএফ শাহীন স্কুল অ্যান্ড কলেজ) প্রতি গভীর সমবেদনা জানাই। আল্লাহ তাআলা যেন মরহুমকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করেন এবং পরিবারের সবাইকে এই অসহনীয় শোক সহ্য করার তৌফিক দান করেন।
উল্লেখ্য, প্রকৌশলী এ এইচ এম সালেহীন দিনাজপুর জিলা স্কুল (১৯৯৭) ও দিনাজপুর সরকারি কলেজ (১৯৯৯) থেকে উত্তীর্ণ হন। পরে রুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ থেকে স্নাতক সম্পন্ন করেন।
কর্মজীবনে তিনি পল্লীবিদ্যুৎ সমিতিতে এজিএম (২০০৬-২০০৮), এরিকসন ও মটোরোলায় প্রজেক্ট ইমপ্লিমেন্টেশন ম্যানেজার (২০০৯-২০১৭) এবং ২০১৮ সাল থেকে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত কনসামেট ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড সলিউশনস লিমিটেডের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
প্রকৌশলী এ এইচ এম সালেহীন রুয়েট ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি (কেন্দ্রীয় কমিটি), অ্যাসোসিয়েশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ (এ্যাব)-এর সাবেক এক্সিকিউটিভ কমিটির সদস্য ছিলেন। রুয়েট প্রাক্তন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল অ্যাসোসিয়েশনের রংপুর বিভাগের সহ-সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বরত এবং দ্যা ইনস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইইবি) এর ফেলো মেম্বার ছিলেন।