শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬,
৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম: রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন স্পিকার      পদত্যাগ করলেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন      একদিনে হামের উপসর্গ নিয়ে পাঁচ শিশুর মৃত্যু      রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে কিছু জানি না: স্পিকার      টানা বৃষ্টিতে বাড়ল সবজির দাম      গণতন্ত্র শক্তিশালীকরণ ও অর্থনৈতিক পুনর্গঠনে কাজ করছে সরকার: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী      রাজধানীতে গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ, দগ্ধ একই পরিবারের দুজনের মৃত্যু      
দেশজুড়ে
কৃষিপণ্য রপ্তানি অঞ্চল গড়তে খাদ্য প্রতিমন্ত্রীর মাঠ পরিদর্শন
কালাই (জয়পুরহাট) প্রতিনিধি
প্রকাশ: শুক্রবার, ২৪ জুলাই, ২০২৬, ৫:৪৪ পিএম

জয়পুরহাটের কালাই উপজেলায় কৃষিপণ্য রপ্তানি অঞ্চল প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জায়গা নির্ধারণে মাঠ পরিদর্শন করেছেন জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী এবং কৃষি সচিব ড. রফিকুল-ই-মোহাম্মদ।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) উপজেলার আহম্মেদাবাদ ইউনিয়নের বামনাহানি মৌজায় জায়গা নির্ধারণ করতে জয়পুরহাট-বগুড়া মহাসড়কের উত্তর পাশের মাঠ পরিদর্শন করেন। প্রায় ১০০ একর (৩০০ বিঘা) জায়গার ওপর কৃষিপণ্য রপ্তানি অঞ্চল স্থাপন করা হবে বলে কৃষি বিভাগ জানিয়েছে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মোহাম্মদ আতিকুর রহমান, জেলা প্রশাসক আল মামুন মিয়া, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের বগুড়া অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ আব্দুল ওয়াদুদ, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক এ কে এম সাদিকুল ইসলাম, কালাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) আব্দুল্লা আল মাহবুব এবং উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ হারুনুর রশিদ।

কৃষি বিভাগের তথ্য মতে, সীমান্তবর্তী জেলা জয়পুরহাটে প্রতিবছর গড়ে ৪৩ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে আলুর চাষ হয়। এর মধ্যে শুধু কালাই উপজেলাতেই সাড়ে ১২ হাজার হেক্টর জমিতে আলুর চাষ করেন কৃষকরা। বলতে গেলে, সারা বাংলাদেশে আলু চাষে দ্বিতীয় বৃহত্তম জেলা জয়পুরহাট। উৎপাদিত আলুর গড়ে ৩০ শতাংশ জয়পুরহাটের ১৯টি হিমাগারে সংরক্ষণ করা হয়। গত কয়েক বছর ধরে এ অঞ্চলের চাষিরা আলু চাষ করে শুধুমাত্র রপ্তানি না হওয়ায় মোটা অঙ্কের লোকসান গুনেছেন। ভেঙেছে অনেকের অর্থনৈতিক মেরুদণ্ড। ফলে আলু চাষে বিমুখ হচ্ছেন চাষিরা।

রপ্তানিকারকদের মতে, এক সময় প্রচুর পরিমাণ আলু রপ্তানি হতো। গত কয়েক বছর ধরে অন্যান্য সবজি রপ্তানি করা হলেও আলুর রপ্তানি নেই বললেই চলে। কারণ হিসেবে তারা বলেন, আগে আলু রপ্তানিতে সরকারের পক্ষ থেকে ২০ শতাংশ প্রণোদনা দেওয়া হলেও গত কয়েক বছর ধরে তা কমে ১০ শতাংশ করা হয়েছে। ফলে রপ্তানি কমে গেছে। এতে সংরক্ষণ করে প্রতিনিয়ত চাষিরা লোকসান গুনছেন। এর থেকে পরিত্রাণ পেতে হলে অবশ্যই রপ্তানির ওপর জোর দিতে হবে এবং এলাকাভিত্তিক কৃষি জোন গড়ে তুলতে হবে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক এ কে এম সাদিকুল ইসলাম বলেন, ‘বর্তমান সরকার যে উদ্যোগ হাতে নিয়েছেন, তা বাস্তবায়ন হলে চাষিরা লাভবান হবেন। বিশেষ করে আলুভিত্তিক কৃষিপণ্য রপ্তানি অঞ্চল গড়ে উঠলে এ এলাকায় যেমন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে, তেমনি চাষিরা আলুর ন্যায্যমূল্য পাবেন। এতে সরকারও বড় অঙ্কের রাজস্ব অর্জন করবে।’

কেকে/ এমএস


মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

দেশজুড়ে- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: [email protected], [email protected]

© 2025 Kholakagoj
🔝
close