দেশজুড়ে চলমান গ্যাস সংকটের প্রভাব পড়েছে কুমিল্লার সড়ক পরিবহনেও। চাহিদার তুলনায় গ্যাসের সরবরাহ কম থাকায় সিএনজি অটোরিকশা চালকদের দীর্ঘ সময় ফিলিং স্টেশনে অপেক্ষা করতে হচ্ছে। এতে বাড়ছে তাদের সময় ও খরচ। এর প্রভাব পড়ছে যাত্রীদের ওপরও। বিভিন্ন রুটে সিএনজি অটোরিকশার ভাড়া বেড়ে যাওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ যাত্রীরা।
সিএনজি অটোরিকশা চালকদের দাবি, বর্তমানে অনেক ফিলিং স্টেশনে পর্যাপ্ত গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে না। গ্যাস নিতে দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে। অনেক সময় দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষার পরও চাহিদা অনুযায়ী গ্যাস মিলছে না। এতে গাড়ি চালানোর সময় কমে যাওয়ার পাশাপাশি দৈনিক আয়ও কমে যাচ্ছে।
চালকদের ভাষ্য, গ্যাস সংগ্রহে অতিরিক্ত সময় ও অর্থ ব্যয় হওয়ায় আগের ভাড়ায় যাত্রী পরিবহন করা তাদের জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে। ফলে বাধ্য হয়ে কয়েকটি রুটে ভাড়া বাড়ানো হয়েছে।
অন্যদিকে, বাড়তি ভাড়া নেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন যাত্রীরা। তাদের অভিযোগ, গ্যাস সংকটের কারণে চালকদের খরচ বাড়লেও এর পুরো চাপ যাত্রীদের ওপর দেওয়া উচিত নয়। নির্ধারিত ভাড়া কার্যকর করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি প্রয়োজন।
যাত্রীরা বলছেন, গ্যাস সংকটের কারণে পরিবহন ব্যয় বাড়লে সবচেয়ে বেশি চাপ পড়ে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের ওপর। তাই দ্রুত গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করার পাশাপাশি সিএনজি অটোরিকশার ভাড়া নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।
কেকে/সাশ