বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) বিকালে রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে উপসচিব মোঙ্গল চন্দ্র পালের স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ আইন, ১৯৮৯ ও পরবর্তী সংশোধনী এবং ২০১৪ সালের ৪(২) উপধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সরকার বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের অন্তর্বর্তীকালীন পরিষদ পুনর্গঠন করেছে।
নতুন পরিষদের সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন চনুমং, মংক্যনু মারমা, লুসাই মং, মাওসেতুং তংচংগ্যা, দনওয়াই ম্রো, আগস্টিন ত্রিপুরা, অংজাই উই চাক, রিয়াল দাও বম, আবদুল মাবুদ, মো. মশিউর রহমান, মোহাম্মদ জসিম উদ্দীন, ক্যউপ্রু খিয়াং, উম্যাসিং মার্মা ও কাজী নিরুতাজ বেগম।
প্রসঙ্গত, চেয়ারম্যান হিসেবে মনোনীত মাম্যাচিং ১৯৭৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগ থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। মারমা নারীদের মধ্যে প্রথম স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী তিনি। বিএনপির রাজনীতিতে যুক্ত হওয়ার পর তিনি পঞ্চম ও ষষ্ঠ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। এছাড়াও তিনি বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের সাবেক ট্রাস্টি ও জেলা বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। সর্বশেষ তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির উপজাতি বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।
এদিকে মাম্যাচিংকে চেয়ারম্যান করে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের ১৫ সদস্যের অন্তর্বর্তীকালীন পরিষদ পুনর্গঠন করায় বান্দরবানের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন সমীকরণ শুরু হয়েছে। নতুন এই পরিষদকে বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংগঠনের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে।
কেকে/এমএস