শরৎ এলেই বাজারে দেখা মেলে নানা দেশীয় ফলের। এর মধ্যে শিশু-কিশোরদের অন্যতম পছন্দের ফল কদবেল। টক-মিষ্টি স্বাদ, সুগন্ধি শাঁস আর লবণ-মরিচ মিশিয়ে খাওয়ার কারণে ফরিদপুরের বাজারে মৌসুমি এ ফলটির চাহিদা বেশ ভালো। বর্তমানে আকার ও মানভেদে প্রতিটি কদবেল ৩০ থেকে ৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
ফরিদপুরের বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, ফলের দোকান ও ভ্রাম্যমাণ বিক্রেতাদের কাছে সারি করে রাখা হয়েছে শক্ত খোলসের কদবেল। ধূসর বা বাদামি রঙের শক্ত আবরণের ভেতরে রয়েছে সুগন্ধযুক্ত বাদামি শাঁস। লবণ, মরিচ ও চিনি মিশিয়ে কদবেল খেতে শিশু-কিশোরদের আগ্রহই বেশি।
বেলি ব্রিজের সামনে কথা হয় কদবেল ক্রেতা হাসেমের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘কদবেলের স্বাদ অন্য ফলের চেয়ে আলাদা। ছোটবেলা থেকেই কদবেল খেতে ভালো লাগে। এখন দাম কিছুটা বেশি হলেও বাচ্চাদের জন্য কিনে নিয়ে যাই।’
কদবেল বিক্রেতা শহিদুল বলেন, ‘মৌসুমে কদবেলের চাহিদা ভালো থাকে। বিশেষ করে শিশু-কিশোররা বেশি কিনে। আকার ও মান অনুযায়ী প্রতিটি কদবেল ৩০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি করছি।’
বিক্রেতারা জানান, শরৎ মৌসুমে বাজারে কদবেলের সরবরাহ বাড়ে। মৌসুমি এ ফলের স্বাদ নিতে বিভিন্ন বয়সী ক্রেতারাও ভিড় করছেন। তবে শিশু-কিশোরদের মধ্যেই এর প্রতি আগ্রহ বেশি দেখা যাচ্ছে।
দেশীয় ফল হিসেবে কদবেলের রয়েছে আলাদা পরিচিতি। একসময় বাড়ির আঙিনা, পুকুরপাড় ও রাস্তার পাশে প্রচুর কদবেল গাছ দেখা গেলেও বসতি ও স্থাপনা বাড়ায় অনেক এলাকায় এ ধরনের দেশীয় ফলের গাছ কমে গেছে। ফলে মৌসুমে বাজারে কদবেলের উপস্থিতি এখন অনেকের কাছেই শৈশবের স্মৃতি ও দেশীয় ফলের স্বাদ ফিরিয়ে আনার উপলক্ষ হয়ে উঠেছে।
কেকে/সাশ