রোববার, ১ নভেম্বর ২০২৬,
১৭ কার্তিক ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

রোববার, ১ নভেম্বর ২০২৬
শিরোনাম: ● জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ : প্রধানমন্ত্রী      ● ফ্যাসিবাদ রুখতে রাজনৈতিক ঐক্যের বিকল্প নেই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী      ● কোনাবাড়ী থেকে চন্দ্রা পর্যন্ত সব পোশাক কারখানা ছুটির ঘোষণা      ● রাজশাহী বোর্ডে এইচএসসিতে ফলাফল বিপর্যয়      ● হাম উপসর্গে আরও একজনের মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ১২৫২      ● এইচএসসিতে পাসের হারে শীর্ষে ঢাকা, তলানিতে বরিশাল      ● এইচএসসি পরীক্ষা : ২৯৩ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাস করেননি কোনো শিক্ষার্থী      
আইন-আদালত
ইউনূসসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণে রুল
আদালত প্রতিবেদক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:৫৪ পিএম
ছবি কোলাজ খোলা কাগজ

ছবি কোলাজ খোলা কাগজ

হামে আক্রান্ত এক শিশু মৃত্যুর ঘটনায় তার পরিবারকে কেন এক কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে মুহাম্মদ ইউনূসসহ সংশ্লিষ্ট ছয়জনকে এই রুলের উত্তর দিতে বলা হয়েছে।

এ সংক্রান্ত বিষয়ে দায়ের করা রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে আজ মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) হাইকোর্টের বিচারপতি রাজিক-আল-জলিল ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই আদেশ দেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট জুয়েল আজাদ। সাথে ছিলেন অ্যাডভোকেট আবিদা আসমা প্রমি।

এর পূর্বে, গেল ৬ জুলাই টিকার সংকট ও সরবরাহে গাফিলতির কারণে এক শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ তুলে ক্ষতিপূরণ চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়। রিটে অবহেলার কারণ অনুসন্ধানে কমিটি ও ক্ষতিপূরণ হিসেবে জরুরি ভিত্তিতে পাঁচ লাখ টাকা ও চূড়ান্তভাবে এক কোটি টাকার আবেদন করা হয়।

রিট আবেদনে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসসহ ছয়জনকে বিবাদী করা হয়। অন্যরা হলেন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি), সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব ও ঢাকার জেলা প্রশাসক (ডিসি)।

গেল ২৬ মে শ্যামলীর বেবি কেয়ার অ্যান্ড জেনারেল হাসপাতালে হামে আক্রান্ত হয়ে সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের ক্লার্ক মো. শাকিলের সাত মাসের শিশু সাফওয়ান ইসলাম জাহিনের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় হাম নিয়ে অবহেলার অভিযোগ তুলে শাকিলের পক্ষে রিট আবেদন করেন আইনজীবী মো. জুয়েল আজাদ।

সেখানে অবহেলার কারণ অনুসন্ধানে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে স্বাধীন তদন্ত কমিটি গঠন এবং অন্তর্বর্তী নির্দেশনার মাধ্যমে জরুরি ভিত্তিতে ৫ লাখ টাকা ও চূড়ান্তভাবে ১ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার আবেদন করা হয়।

জুয়েল আজাদ গণমাধ্যমকে বলেন, ‘সঠিকভাবে যদি চিকিৎসা বা সেবা দেওয়া যেত, তাহলে যিনি হাইকোর্টে বিচারের জন্য এসেছেন, তিনি বিশ্বাস করেন তার সন্তান সংক্রমিত হত না। সুপ্রিম কোর্টের একজন সদস্য তার ছেলেকে হারাতেন না। তিনি সন্তানহারা হয়ে বিচারের আশায় আমাদের কাছে এসেছেন।’

রিটে বিবাদীদের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের পাশাপাশি অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকেও বিবাদী করা হয়। তিনি যেহেতু ওই অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন, তাই তিনিও এর জন্য দায়ী।’

রিটে বলা হয়, ‘২০২৪ সালের ৮ আগস্ট থেকে ২০২৬ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে টিকা সংগ্রহের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়। এই সময়ে মজুত ব্যবস্থাপনা ও সরবরাহে যে অবহেলা হয়েছে, তা মূল্যায়নের দাবি তুলে ধরা হয়েছে।’

জুয়েল আজাদ বলেন, ‘রিটে সঠিক তদন্তের মাধ্যমে অবহেলা বা গাফিলতি কোথায় হয়েছে, তা খুঁজে বের করে আদালতকে জানানোর জন্য তদন্ত প্রতিবেদনের আবেদন করা হয়েছে। একই সঙ্গে রুল, প্রয়োজনীয় নির্দেশনা এবং ক্ষতিপূরণের দাবিও করা হয়েছে।’

এছাড়া জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে একটি স্বাধীন তদন্ত কমিটি গঠন এবং ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে টিকা সংগ্রহ ও মজুত সংক্রান্ত যাবতীয় নথিপত্র আদালতে দাখিলের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে এই রিটে।

কেকে/এমএ


আরও সংবাদ   বিষয়:  হামে শিশুমৃত্যু   হাইকোর্ট   ক্ষতিপূরণ   টিকা সংকট  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

আইন-আদালত- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: [email protected], [email protected]

© 2025 Kholakagoj
🔝
close