জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের কামারগ্রাম গ্রামে বোরো ধানের জমিতে সেচের ড্রেন পরিষ্কার করাকে কেন্দ্র করে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে পাঁচজন আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সোমবার (৩১ আগস্ট) সকালে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে জুয়েল হোসেনের পা কোদালের আঘাতে কেটে গেছে। তার অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মো. আবু বক্কর কয়েকজন শ্রমিক নিয়ে সেচের ড্রেন পরিষ্কার করছিলেন। এ সময় একই গ্রামের শামসুল ও তার ছেলে নয়ন হোসেন কাজে বাধা দেন। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি ও হামলার ঘটনা ঘটে।
এতে জুয়েল, আজিজুল, শুকা উরাও ও মাংগা উরাও আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে জয়পুরহাট জেলা হাসপাতালে ভর্তি করেন। এ ঘটনায় আবু বক্করও আহত হয়েছেন বলে তার পক্ষের লোকজন দাবি করেছেন।
স্থানীয়দের দাবি, ড্রেনটি প্রায় ১৮ বছর ধরে সেচের কাজে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। গভীর নলকূপ পরিচালনা ও সেচের পানি ব্যবস্থাপনা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এরই জেরে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
আবু বক্কর বলেন, “২০০৪ সাল থেকে যে ড্রেন দিয়ে পানি যেত, সেটি পরিষ্কার করতে গিয়েছিলাম। এমন একটি বিষয় নিয়ে হামলা হবে, ভাবিনি।”
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে শামসুল বলেন, “আমার জমির মাঝ দিয়ে ড্রেন আছে। আমি এক পাশ দিয়ে ড্রেন করতে বলেছি। জমির মাঝ দিয়ে পানি যেতে দেব না। এই কথা বলতে গেলে একটু হাতাহাতি হয়েছে।”
এদিকে একাধিক কৃষক জানান, সেচের পানির সংকটে ধানের জমি ফেটে যাচ্ছে। দ্রুত সেচের ব্যবস্থা করা না হলে বোরো ধানের উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের পাশাপাশি দ্রুত সেচ-সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির দাবি জানিয়েছেন।
কেকে/সাশ