দেশের বাজারে আবারও কমেছে স্বর্ণের দাম। এবার ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণে ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন দর অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণ কিনতে এখন লাগবে ২ লাখ ৩১ হাজার ৮৮০ টাকা।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন এ দাম ঘোষণা করে বাজুস। তেজাবি সোনা ও রুপার বাজারদর কমে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে দাম পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। এদিন সকাল ১০টা থেকেই নতুন দর কার্যকর হয়।
বাজুসের নির্ধারিত দরে ২২ ক্যারেটের প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম ভ্যাটসহ ১৯ হাজার ৮৮০ টাকা। ১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রামকে এক ভরি হিসেবে ধরলে এর মূল্য দাঁড়ায় ২ লাখ ৩১ হাজার ৮৮০ টাকা।
এদিকে ২১ ক্যারেটের প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১৮ হাজার ৯৮৫ টাকা। সেই হিসাবে এক ভরির দাম প্রায় ২ লাখ ২১ হাজার ৪৪১ টাকা। ১৮ ক্যারেটের প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম হয়েছে ১৬ হাজার ৩০০ টাকা, অর্থাৎ এক ভরি কিনতে খরচ হবে প্রায় ১ লাখ ৯০ হাজার ১২৩ টাকা।
সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দামও কমেছে। এ মানের প্রতি গ্রাম স্বর্ণের নতুন দাম ১৩ হাজার ৩১৫ টাকা। ফলে এক ভরির দাম দাঁড়িয়েছে প্রায় ১ লাখ ৫৫ হাজার ৩০৬ টাকা।
এর আগে গত ৩১ আগস্ট ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৩৬ হাজার ২৫৪ টাকা নির্ধারণ করেছিল বাজুস। তার মাত্র দুই দিন আগে, ২৯ আগস্ট একই মানের স্বর্ণের দাম ৭ হাজার ১১৫ টাকা কমানো হয়েছিল। অর্থাৎ অল্প সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে একাধিকবার পরিবর্তন এলো।
স্বর্ণের পাশাপাশি রুপার দামও পুনর্নির্ধারণ করেছে বাজুস। নতুন তালিকায় ২২ ক্যারেটের প্রতি গ্রাম রুপার দাম ৪৩০ টাকা, ২১ ক্যারেটের ৪১০ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের ৩৫০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সনাতন পদ্ধতির রুপার প্রতি গ্রামের দাম রাখা হয়েছে ৪২৬ টাকা।
বাজুসের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, অলংকারের নকশা ও কাজের ধরন অনুযায়ী মজুরি দিতে হবে। তবে বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত থাকায় ক্রেতার কাছ থেকে অতিরিক্তভাবে আলাদা ভ্যাট নেওয়া যাবে না। অলংকার বিনিময় বা পুরোনো স্বর্ণের সঙ্গে নতুন অলংকার কেনার ক্ষেত্রেও নির্ধারিত ভ্যাট, মজুরি ও পাথরের মূল্য বাদ দিয়ে আগের নিয়ম কার্যকর থাকবে।
পরবর্তী নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে বাজুস নির্ধারিত এই নতুন মূল্য কার্যকর থাকবে।
কেকে/সাশ