শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬,
১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম: ● জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ, অভিনন্দন জানালেন রাষ্ট্রপতি      ● দেশের সব হাট-বাজারে সৌরবিদ্যুৎ বসানোর নির্দেশ সরকারের      ● পৃথক মামলার সাজা আদালতের নির্দেশ ছাড়া একসঙ্গে চলবে না : হাইকোর্ট      ● জাতিসংঘ নিখুঁত নয়, তবে অপরিহার্য: খলিলুর রহমান      ● যুদ্ধ নয়, শান্তি ও মানবতার বিশ্ব চায় বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী      ● সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির হুমকি মোকাবিলায় বৈশ্বিক সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর      ● রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় সাবেক ওসি রাকিবুল পাঁচ দিনের রিমান্ডে       
খেত খামার
ফুল নয়, ফরিদপুরের বাজারে এখন শাপলা সবজি
ফরিদপুর প্রতিনিধি
প্রকাশ: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:৫৮ এএম আপডেট: ০৫.০৯.২০২৬ ১১:৩১ এএম
ছবি: প্রতিনিধি

ছবি: প্রতিনিধি

বর্ষা এলেই খাল-বিল, নদী-নালা ও জলাশয়ের পানিতে ফুটে ওঠে শাপলা। বাংলার গ্রামীণ প্রকৃতির চিরচেনা এই ফুল এখন শুধু সৌন্দর্যের প্রতীক নয়, ফরিদপুরের বিভিন্ন বাজারে এটি বিক্রি হচ্ছে মৌসুমি সবজি হিসেবেও। বাজারে আঁটি বাঁধা তাজা শাপলা কিনছেন ক্রেতারা। প্রতি আঁটি শাপলা বিক্রি হচ্ছে ১০ টাকা দরে।

ফরিদপুরের বোয়ালমারী, আলফাডাঙ্গা, সালথা, মধুখালীসহ জেলার বিভিন্ন বাজারে ভোর থেকেই অন্যান্য সবজির পাশাপাশি দেখা যাচ্ছে শাপলার পসরা। জলাশয় থেকে শাপলা সংগ্রহ করে বাজারে নিয়ে আসছেন স্থানীয় ও আশপাশের এলাকার বিক্রেতারা।

বিক্রেতাদের জন্য বর্ষাকালের এই শাপলা বাড়তি আয়ের একটি সহজ মাধ্যম। অন্যদিকে স্থানীয়দের অনেকের কাছে এটি মৌসুমি ও পরিচিত খাবার। শাপলা দিয়ে বিভিন্ন ধরনের তরকারি রান্নার পাশাপাশি মাছের সঙ্গেও রান্না করা হয়।

গোপালগঞ্জ থেকে শাপলা নিয়ে ফরিদপুরের বিভিন্ন বাজারে বিক্রি করেন নুরুল আলম। তিনি বলেন, “বর্ষার সময় গোপালগঞ্জের বিভিন্ন জলাশয়, বিল ও ঝিল থেকে শাপলা তুলে ফরিদপুরের বিভিন্ন বাজারে নিয়ে আসি। প্রতি আঁটি ১০ টাকা করে বিক্রি করি। মানুষ শাপলা কিনে রান্না করে খায়। বিক্রি করে আমাদেরও কিছু আয় হয়।”

শাপলার ক্রেতা সন্দীপন চক্রবর্ত্তী বলেন, “শাপলা আমাদের গ্রামবাংলার পরিচিত খাবার। শাপলা দিয়ে তরকারি রান্না করা যায়, মাছের সঙ্গেও রান্না করা যায়। বাজারে তাজা শাপলা দেখলে কিনতে ইচ্ছে করে। দামও তুলনামূলক কম।”

ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার ময়না সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক কালিপদ চক্রবর্তী বলেন, “শাপলা গ্রামবাংলার ঐতিহ্যের সঙ্গে মিশে থাকা একটি ফুল। ছোটবেলা থেকেই দেখে আসছি, বর্ষাকালে খাল-বিল ও জলাশয় পানিতে ভরে গেলে সেখানে প্রচুর শাপলা ফুটত। তখন শাপলা শুধু ফুল হিসেবে নয়, সবজি হিসেবেও মানুষের খাবারের অংশ ছিল। এখন বাজারে শাপলা বিক্রি হতে দেখে পুরোনো সেই গ্রামীণ সংস্কৃতির কথা মনে পড়ে।”

তিনি আরও বলেন, “বর্ষাকালে জলাশয়ে জন্ম নেওয়া শাপলা সহজেই সংগ্রহ করা যায়। ফলে নিম্নআয়ের অনেক মানুষ বাড়তি খরচ ছাড়াই শাপলা সংগ্রহ করে বাজারে বিক্রি করতে পারেন। এতে একদিকে ক্রেতারা স্বল্পমূল্যে মৌসুমি সবজি পান, অন্যদিকে বিক্রেতাদেরও বাড়তি আয়ের সুযোগ তৈরি হয়।”


কেকে/সাশ 



আরও সংবাদ   বিষয়:  ফরিদপুর   শাপলা সবজি  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

খেত খামার- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: [email protected], [email protected]

© 2025 Kholakagoj
🔝
close