মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬,
৭ আশ্বিন ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম: নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে বেশি নিলে রুট পারমিট বাতিল : সড়কমন্ত্রী      প্রতি কিলোমিটারে বাস ভাড়া বাড়ল ১৭ পয়সা      জ্বালানি তেলের দাম বাড়াতে আইএমএফের কোনো শর্ত নেই : জাহেদ উর রহমান      চাপে সাধারণ মানুষ, নিরুপায় সরকার      নিউইয়র্কে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান      একে একে গ্রেপ্তার ইমরান খানের তিন বোন      বাসভাড়া কিলোমিটারে ২০ পয়সা বাড়াতে চান পরিবহন মালিকরা      
খেত খামার
দুর্গাপূজার আগে ফরিদপুরে ঝুনা নারকেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী
ফরিদপুর প্রতিনিধি
প্রকাশ: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:১৪ পিএম
ছবি: প্রতিনিধি

ছবি: প্রতিনিধি

শরতের আকাশে সাদা মেঘের ভেলা, বাতাসে কাশফুলের দোলা। আর কদিন পরই হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা। পূজার প্রস্তুতির সঙ্গে ফরিদপুরের বাজারে বেড়েছে ঝুনা নারকেলের চাহিদা। চাহিদা বাড়ার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে এর দামও।

পূজার বিভিন্ন উপকরণ থেকে শুরু করে প্রসাদ তৈরিতে নারকেলের ব্যবহার রয়েছে। ফলে দুর্গাপূজাকে সামনে রেখে এ সময় ঝুনা নারকেলের চাহিদা কয়েক গুণ বেড়ে যায়। তবে ব্যবসায়ীরা বলছেন, বাড়তি চাহিদার পাশাপাশি উৎপাদন কমে যাওয়াও দাম বৃদ্ধির অন্যতম কারণ।

ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ফরিদপুরের বিভিন্ন এলাকায় আগের তুলনায় নারকেলগাছের সংখ্যা কমেছে। অনেকেই গাছ থেকে কাঁচা ডাব পেড়ে খাওয়ার পর সঠিকভাবে পরিচর্যা করেন না। নতুন করে নারকেলগাছ লাগানোর প্রবণতাও কমেছে। পরিচর্যার অভাবে অনেক গাছে ফলন হচ্ছে না। এর সঙ্গে প্রাকৃতিক ও ভৌগোলিক পরিবর্তন এবং মানুষের নানা কর্মকাণ্ডে নারকেলগাছের সংখ্যা কমে যাওয়ায় সরবরাহেও টান পড়েছে।

অন্যদিকে ফরিদপুরের বোয়ালমারী, আলফাডাঙ্গা, মধুখালী, ভাঙ্গা, নগরকান্দা ও সালথাসহ বিভিন্ন উপজেলা থেকে তেল কোম্পানিগুলো বিপুল পরিমাণ ঝুনা নারকেল কিনে নিয়ে যাচ্ছে। এতে স্থানীয় বাজারে সরবরাহ কমে যাওয়ায় দাম বাড়ছে বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা।

দুর্গাপূজা উপলক্ষে নারকেল কিনতে আসা দীপ্ত সাহা ও অরুণ মণ্ডল বলেন, “পূজার সময় নারকেল না হলে চলে না। কিন্তু এবার দাম আগের চেয়ে বেশি হওয়ায় বাড়তি খরচ গুনতে হচ্ছে।”

ঝুনা নারকেলের বিক্রেতা আবুল হাসান বলেন, “চাহিদার তুলনায় নারকেলের সরবরাহ কম। এছাড়া গাছ থেকে নারকেল পেড়ে এনে বিক্রি করতে অনেক সময় লাগে। প্রতিদিন ১০-১২টি গাছে উঠে গৃহস্থদের নারকেল পেড়ে দিতে হয়। সেখান থেকে ১০-১২টি নারকেল এনে বিক্রি করতে হয়। প্রতিদিন একজন শ্রমিকের মজুরি এক হাজার থেকে এক হাজার ২০০ টাকা। এ কারণে নারকেল বেশি দামে বিক্রি করতে হয়।”

তেল কোম্পানিগুলো জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে নারকেল কিনে নেওয়ায় স্থানীয় বাজারে সরবরাহ আরও কমেছে বলেও জানান বিক্রেতারা।

ফরিদপুরের ময়না গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক কালীপদ চক্রবর্তী বলেন, “দুর্গাপূজায় আমাদের ঝুনা নারকেল লাগে। আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে পূজার প্রসাদ হিসেবে নারকেলের নাড়ু দেওয়ার প্রচলন রয়েছে। এ ছাড়া সারা বছর নাড়ু, পিঠা ও বিভিন্ন খাবার তৈরিতেও নারকেল লাগে। তাই এর চাহিদা সব সময়ই আছে।”

নারকেলগাছের সংখ্যা কমার সঙ্গে কমছে ফলনও। অথচ পূজার থালা থেকে শুরু করে বাঙালির ঘরের পিঠা-পায়েস—সবখানেই নারকেলের রয়েছে ব্যাপক ব্যবহার। তাই উৎপাদন বাড়াতে নতুন করে নারকেলগাছ লাগানোর পাশাপাশি বিদ্যমান গাছগুলোর নিয়মিত পরিচর্যার ওপর জোর দেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

কেকে/সাশ 



আরও সংবাদ   বিষয়:  ফরিদপুর   ঝুনা নারকেল   দাম ঊর্ধ্বমুখী  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

খেত খামার- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: [email protected], [email protected]

© 2025 Kholakagoj
🔝
close