শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬,
২১ ভাদ্র ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম: জ্বালানি সংকট নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর দুঃখ প্রকাশ      কিছু রাজনৈতিক দল বিভ্রান্তির মাধ্যমে অরাজকতা সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে : প্রধানমন্ত্রী      বাসায় গ্যাস-বিদ্যুৎ পাওয়া যাবে এমন কার্ড চাইলেন আসিফ মাহমুদ      নিউইয়র্ক সফরে ট্রাম্প-তারেক রহমানের বৈঠকের সম্ভাবনা      হামে আরও চার শিশুর মৃত্যু, নতুন রোগী ৯১৭      জাতিসংঘের অধিবেশনের আগে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের সম্ভাবনা নেই : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী      বিমানকর্মীর কাছ থেকে ১৪ কেজি স্বর্ণ উদ্ধার      
অর্থনীতি
প্রিমিয়ার ব্যাংককে সুশাসন, প্রযুক্তি ও আস্থায় বদলে দিতে চাই : আরিফুর রহমান
আলতাফ হোসেন
প্রকাশ: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২১ পিএম আপডেট: ০৫.০৯.২০২৬ ১০:৩১ পিএম
ডা. আরিফুর রহমান

ডা. আরিফুর রহমান

দেশের ব্যাংকিং খাতে যখন খেলাপি ঋণ, সুশাসনের ঘাটতি, তারল্য সংকট ও আমানতকারীদের আস্থার সংকট বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে, তখন নিজেদের আর্থিক ভিত্তি শক্তিশালী করতে নতুন কৌশলে এগোচ্ছে প্রিমিয়ার ব্যাংক পিএলসি। ২০২৫ সালের আগস্টে ব্যাংকটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নেন মুক্তিযোদ্ধা ডা. আরিফুর রহমান। দায়িত্ব নেওয়ার সময় ব্যাংকটির খেলাপি ঋণ ছিল প্রায় ৪৫ শতাংশ, যা বর্তমানে ৩০ শতাংশের নিচে নেমেছে। ডিসেম্বরের মধ্যে তা ২০ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। পাশাপাশি সুশাসন, আমানতকারীর আস্থা, ডিজিটাল ব্যাংকিং ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনায় গুরুত্ব দিচ্ছে ব্যাংকটি। ভবিষ্যতে দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যাংকে পরিণত হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে প্রিমিয়ার ব্যাংক। 

ব্যাংকের বর্তমান পরিস্থিতি, অগ্রগতি, সংকট, সম্ভাবনা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে দৈনিক খোলা কাগজের সঙ্গে কথা বলেছেন আরিফুর রহমান।

খোলা কাগজ : দায়িত্ব নেওয়ার সময় প্রিমিয়ার ব্যাংকের আর্থিক অবস্থা কেমন ছিল? এক বছরে কী ধরনের পরিবর্তন আনতে পেরেছেন?
আরিফুর রহমান : দায়িত্ব নেওয়ার সময় ব্যাংকের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় বেশ কিছু দুর্বলতা ও চ্যালেঞ্জ দেখতে পাই। তখন খেলাপি ঋণের হার ছিল প্রায় ৪৫ শতাংশ। বর্তমানে তা ৩০ শতাংশের নিচে নেমে এসেছে। খেলাপি ঋণ নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা জোরদার, পরিচালন ব্যয় কমানো ও আয় বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বাস্তবভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে ব্যাংকের বিদ্যমান দুর্বলতাগুলো কাটিয়ে আর্থিক ভিত্তি আরও শক্তিশালী ও টেকসই করার কাজ চলছে।

খোলা কাগজ : খেলাপি ঋণ কমিয়ে আনতে কী পরিকল্পনা নিয়েছেন?
আরিফুর রহমান : খেলাপি ঋণ কমিয়ে আনতে আমরা ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি কার্যকর পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি এবং সেগুলোর বাস্তবায়ন চলছে। এর ইতিবাচক ফলও পাওয়া যাচ্ছে। একসময় আমাদের খেলাপি ঋণের হার প্রায় ৪৫ শতাংশ ছিল, যা ধারাবাহিক উদ্যোগের ফলে বর্তমানে ৩০ শতাংশে নেমে এসেছে। আমাদের লক্ষ্য হলো চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে খেলাপি ঋণের হার ২০ শতাংশের কাছাকাছি নামিয়ে আনা। এ লক্ষ্যে নিয়মিত ঋণ আদায় কার্যক্রম জোরদার করা, বড় খেলাপিদের সঙ্গে সমঝোতার মাধ্যমে ঋণ পুনঃতফসিল, প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ঝুঁকিপূর্ণ ঋণের নিবিড় পর্যবেক্ষণসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। খেলাপি ঋণ কমাতে বাংলাদেশ ব্যাংক যেসব সময়োপযোগী ও কার্যকর নীতিমালা ও নির্দেশনা দিয়েছে, আমরা সেগুলো যথাযথভাবে অনুসরণ করছি। ইতোমধ্যে প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকার ঋণ পুনঃতফসিল করা হয়েছে। এসব উদ্যোগ সমন্বিতভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে আগামী দিনে খেলাপি ঋণ আরও উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনা সম্ভব হবে বলে আমরা আশাবাদী।

খোলা কাগজ : ব্যাংক খাতে সুশাসনের ঘাটতি নিয়ে দীর্ঘদিনের অভিযোগ রয়েছে। প্রিমিয়ার ব্যাংকে সুশাসন ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে কী পদক্ষেপ নিয়েছেন?
আরিফুর রহমান : সুশাসনই আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার। পরিচালনা পর্ষদ আইন, নীতিমালা ও নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। ঋণ অনুমোদন, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, অডিটসহ গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হচ্ছে। আমাদের অবস্থান হলো, পর্ষদ নীতিনির্ধারণ করবে এবং ব্যবস্থাপনা সেই নীতির যথাযথ বাস্তবায়ন করবে। আমরা এমন একটি জবাবদিহিমূলক ও টেকসই করপোরেট সংস্কৃতি গড়ে তুলতে চাই, যেখানে গ্রাহক ও বিনিয়োগকারীদের আস্থা সর্বোচ্চ গুরুত্ব পাবে।

খোলা কাগজ : ব্যাংকিং খাতে আস্থার সংকটের মধ্যে আমানতকারীদের অর্থের নিরাপত্তা ও আস্থা নিশ্চিত করতে কী ধরনের পদক্ষেপ প্রয়োজন বলে মনে করেন?
আরিফুর রহমান : আমানতকারীর অর্থের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আমানতকারীরা যেন তাদের সঞ্চয় নিয়ে কোনো ধরনের অনিশ্চয়তায় না থাকেন, সে জন্য কার্যকর আমানত সুরক্ষা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করা প্রয়োজন। একইসঙ্গে ব্যাংকিং খাতে সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি খেলাপি ঋণ নিয়ন্ত্রণ ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা জোরদার করতে হবে। এসব সংস্কার কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে ব্যাংকিং খাতের প্রতি মানুষের আস্থা বাড়বে এবং সামগ্রিক অর্থনীতিও আরও স্থিতিশীল হবে।

খোলা কাগজ : পরিচালনা পর্ষদের ওপর কোনো অযাচিত হস্তক্ষেপ নেই, এটি গ্রাহক ও সাধারণ মানুষ কীভাবে বুঝবে?
আরিফুর রহমান : বিষয়টি পর্ষদের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ধরন, স্বচ্ছতা ও কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা থেকেই স্পষ্ট হবে। আমাদের পর্ষদ আইন, নীতিমালা ও সুশাসনের ভিত্তিতে কাজ করছে। ঋণ অনুমোদন, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, অডিটসহ গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই নেওয়া হচ্ছে। অতীতের সঙ্গে বর্তমান কার্যক্রম তুলনা করলেই পরিবর্তনটি মানুষ বুঝতে পারবেন। স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও পেশাদারত্বের মাধ্যমে আমরা মানুষের আস্থা অর্জন করতে চাই।

খোলা কাগজ : করপোরেট গভর্ন্যান্স নিশ্চিত করতে পরিচালনা পর্ষদ ও ব্যবস্থাপনার ভূমিকা কী হওয়া উচিত?
আরিফুর রহমান : সবার আগে সুশাসন নিশ্চিত করতে হবে। এ জন্য একটি শক্তিশালী ও কার্যকর নিয়ন্ত্রক কাঠামো প্রয়োজন। নিয়ন্ত্রক সংস্থার স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি পরিচালনা পর্ষদকে নীতিনির্ধারণ এবং ব্যবস্থাপনাকে তা যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। একইসঙ্গে আইন ও বিধিবিধান অনুসরণ, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা ও অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ জোরদার করতে হবে। এসব নিশ্চিত করা গেলে গ্রাহক ও বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়বে এবং ব্যাংকিং খাত আরও শক্তিশালী ও স্থিতিশীল হবে।

খোলা কাগজ : নগদবিহীন লেনদেন ও ডিজিটাল ব্যাংকিং সম্প্রসারণে ‘বাংলা কিউআর’ এবং সাইবার নিরাপত্তাকে কীভাবে দেখছেন?
আরিফুর রহমান : নগদবিহীন অর্থনীতি গড়ে তুলতে ‘বাংলা কিউআর’ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এর মাধ্যমে গ্রাহকরা সহজ ও নিরাপদে লেনদেন করতে পারবেন, পাশাপাশি সময় ও ব্যয়ও কমবে। আমরা ডিজিটাল ব্যাংকিং সম্প্রসারণে ধারাবাহিকভাবে প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ করছি। সাইবার নিরাপত্তায় নিয়মিত সিকিউরিটি অডিট, ২৪/৭ মনিটরিং, মাল্টি-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন ও ডেটা এনক্রিপশনের মতো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। একইসঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুসরণ করে গ্রাহকের তথ্য ও অর্থের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমাদের সাইবার নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করা হচ্ছে।

খোলা কাগজ : ব্যাংকিং খাতের বর্তমান সংকট কাটিয়ে জনগণের আস্থা ফেরাতে সবচেয়ে জরুরি সংস্কার কী বলে মনে করেন?
আরিফুর রহমান : জনগণের আস্থা ফেরাতে সবার আগে আমানতের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। এ জন্য কার্যকর ডিপোজিট সুরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করা জরুরি। একইসঙ্গে সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা, খেলাপি ঋণ নিয়ন্ত্রণ, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করা ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তদারকি আরও কার্যকর করতে হবে। এসব সংস্কার বাস্তবায়ন করা গেলে ব্যাংকিং খাতের স্থিতিশীলতা বাড়বে, জনগণের আস্থা ফিরবে ও অর্থনীতিও আরও গতিশীল হবে।

খোলা কাগজ : নতুন গ্রাহকরা প্রিমিয়ার ব্যাংকে আসবেন কেন? অন্য ব্যাংকের তুলনায় আপনাদের বিশেষত্ব কী?
আরিফুর রহমান : প্রিমিয়ার ব্যাংকের অন্যতম শক্তি হলো মানসম্মত পণ্য ও সেবা, দক্ষ মানবসম্পদ এবং শক্তিশালী করপোরেট সুশাসন। আমাদের মেধাবী ও উদ্যমী কর্মকর্তারা নতুন পণ্য ও সেবা চালু এবং ব্যবসায় সম্প্রসারণে কাজ করছেন। পাশাপাশি শক্তিশালী মূলধন ও পর্যাপ্ত তারল্য ব্যাংকের দীর্ঘমেয়াদি স্থায়িত্বের বিষয়ে গ্রাহকদের আস্থা তৈরি করছে। গ্রাহকদের জন্য ট্রেড অপারেশন অটোমেশন, করপোরেট ব্যাংকিংয়ে নতুন সেবা এবং দ্রুত, নিরাপদ ও নির্ভুল গ্রাহকসেবা চালু করা হয়েছে। তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক ব্যাংকে রূপান্তরের পাশাপাশি ডিজিটাল সেবার ওপরও আমরা গুরুত্ব দিচ্ছি। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর ব্যাংকিং খাতে নানা ধরনের আস্থার সংকট তৈরি হলেও প্রিমিয়ার ব্যাংক তার গ্রাহকদের চেকের অর্থ পরিশোধে সক্ষমতা বজায় রেখেছে। এর ফলে গ্রাহকদের আস্থা বেড়েছে। একইসঙ্গে আমানত, হিসাবধারীর সংখ্যা, বিনিয়োগ, রেমিট্যান্স, আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য ও খেলাপি ঋণ আদায়সহ বিভিন্ন সূচকে অগ্রগতি হয়েছে। সঠিক নেতৃত্ব, দক্ষ ব্যবস্থাপনা ও দীর্ঘমেয়াদি কৌশল বাস্তবায়নের মাধ্যমে প্রিমিয়ার ব্যাংককে দেশের একটি আরও শক্তিশালী ও নির্ভরযোগ্য ব্যাংকে পরিণত করতে চাই।

খোলা কাগজ : ব্যাংকের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে জানতে চাই।
আরিফুর রহমান : গ্রাহকসেবার মানোন্নয়ন ও ব্যাংকের আর্থিক সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। প্রিমিয়ার ব্যাংককে দেশের এক নম্বর ব্যাংকে পরিণত করার লক্ষ্যে কাজ করছি। একইসঙ্গে ব্যাংকিং সেবাকে ‘গ্লোবাল স্ট্যান্ডার্ডে’ উন্নীত করতে ডিজিটাল রূপান্তরকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে অল্প সময়ে বিপুলসংখ্যক গ্রাহকের কাছে পৌঁছানো সম্ভব। তাই আমাদের ‘পি মানি’ অ্যাপসহ ডিজিটাল সেবার পরিধি আরও বাড়ানো হবে। পাশাপাশি খেলাপি ঋণ নিয়ন্ত্রণ, ঋণের মানোন্নয়ন ও আদায় কার্যক্রমে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। গ্রাহকদের দ্রুত, সহজ ও নিরাপদ সেবা নিশ্চিত করার পাশাপাশি পরিচালন দক্ষতা বৃদ্ধি, ব্যয় নিয়ন্ত্রণ, ঝুঁকি কমানো ও অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার পরিকল্পনা রয়েছে। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে প্রিমিয়ার ব্যাংককে একটি আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও টেকসই ব্যাংকে পরিণত করতে চাই।

কেকে/এমএ


আরও সংবাদ   বিষয়:  প্রিমিয়ার ব্যাংক   আরিফুর রহমান   খেলাপি ঋণ   ব্যাংকিং খাত  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

অর্থনীতি- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: [email protected], [email protected]

© 2025 Kholakagoj
🔝
close