কিশোরগঞ্জে ডেঙ্গুর প্রকোপ বেড়েই চলেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় নতুন করে আরও ৩০ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছেন। একই সময়ে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে ১৮ জন হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। তবে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।
রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কিশোরগঞ্জ জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে এ সব তথ্য জানা গেছে।
সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কিশোরগঞ্জ জেলায় মোট ৭৬৩ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এর মধ্যে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে ৬৭৮ জন হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। বর্তমানে জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে ৮৫ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ পর্যন্ত ডেঙ্গুতে জেলায় মৃত্যুর সংখ্যা শূন্য।
বর্তমানে সবচেয়ে বেশি ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। সেখানে ২৩ জন রোগী ভর্তি আছেন। এছাড়া শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২২ জন এবং ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ১৪ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসা নিচ্ছেন।
জেলার অন্যান্য হাসপাতালের মধ্যে বাজিতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৭ জন, করিমগঞ্জে ৫ জন, তাড়াইলে ৪ জন, কুলিয়ারচরে ২ জন, পাকুন্দিয়ায় ২ জন, নিকলীতে ২ জন, হোসেনপুরে ২ জন এবং প্রেসিডেন্ট আবদুল হামিদ মেডিকেল কলেজে ২ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি রয়েছেন।
জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন ৩০ জন রোগী শনাক্ত এবং ১৮ জন সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পাওয়ার পর বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮৫ জনে।
ডেঙ্গু প্রতিরোধে বাড়ির আশপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা, জমে থাকা পানি দ্রুত অপসারণ এবং এডিস মশার বংশবিস্তার রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে জেলা সিভিল সার্জন। একই সঙ্গে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
কেকে/এআই