রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চলতি বছরের নয় মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ৯০১ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে ৮০২ জন চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। এ সময়ে ডেঙ্গুতে মৃত্যু হয়েছে ১৩ জনের।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন ৮৬ জন।
হাসপাতালের তথ্য অনুযায়ী, ভর্তি রোগীদের ৯২ দশমিক ৫ শতাংশই প্রাপ্তবয়স্ক। ৮৩৩ জন প্রাপ্তবয়স্ক রোগীর মধ্যে পুরুষ ৬১০ ও নারী ২২৩ জন। শিশু রোগী ভর্তি হয়েছে ৬৮ জন। তবে হাসপাতালের ভর্তি-তথ্যের ভিত্তিতে পুরুষদের ডেঙ্গু আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি নারীদের তুলনায় বেশি—এমন সিদ্ধান্তে যাওয়া যায় না। চলাফেরা, কর্মস্থলে অবস্থান ও মশার সংস্পর্শসহ বিভিন্ন কারণ এতে প্রভাব ফেলতে পারে।
আগস্টে রামেকে ডেঙ্গু রোগীর চাপ বাড়ে। ওই মাসে ২২১ জন নতুন রোগী ভর্তি হন, ছাড়পত্র পান ১৭৬ জন এবং মারা যান দুজন। মাসের শুরুতে চিকিৎসাধীন রোগী ছিল আটজন, ৩০ আগস্ট তা বেড়ে দাঁড়ায় ৫০ জনে।
সেপ্টেম্বরেও সংক্রমণের চাপ কমেনি। ১৯-২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সাতদিনে ১৯৭ জন নতুন রোগী ভর্তি হয়েছেন। বিপরীতে ১৯৩ জন ছাড়পত্র পেয়েছেন। এ সময়ে মৃত্যু হয়েছে পাঁচজনের। ২৪ সেপ্টেম্বর এক দিনেই সর্বোচ্চ ৪২ জন রোগী ভর্তি হন। ২২ সেপ্টেম্বর চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা ১০৭ জনে উঠলেও ২৫ সেপ্টেম্বর তা কমে ৮৬ জনে নামে।
রামেক হাসপাতালের মুখপাত্র ডা. শেখ শামীম আহমেদ বলেন, ‘শুক্রবার গত ২৪ ঘণ্টায় ২৫ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন এবং ৪০ জন সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছেন। বর্তমানে ৮৬ জন চিকিৎসাধীন। মৃতদের কয়েকজনের ক্ষেত্রে ডেঙ্গু শক সিন্ড্রোমের মতো গুরুতর জটিলতার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।’
কেকে/এআই