দেশে হামের প্রাদুর্ভাবের মধ্যে প্রথম দফার টিকাদান কর্মসূচিতে বাদ পড়া প্রায় ৩৪ লাখ শিশুকে হাম-রুবেলা (এমআর) টিকার আওতায় আনতে দ্বিতীয় দফার বিশেষ কর্মসূচি শুরু করেছে সরকার।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বনানীর কড়াইল বস্তির টিএনটি খেলার মাঠে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। কর্মসূচি চলবে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “নিয়মিত সময়সূচি অনুযায়ী এমআর টিকাদান কর্মসূচি পরিচালিত না হওয়ায় অনেক শিশু টিকার সুরক্ষা থেকে বঞ্চিত হয়েছে।” এর ফলে বর্তমানে হামের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি বলেন, “অপুষ্টিতে ভোগা শিশুদের ক্ষেত্রে হাম থেকে নিউমোনিয়াসহ বিভিন্ন জটিলতা দেখা দিতে পারে। তাই শিশুদের সুরক্ষায় টিকাদান নিশ্চিত করার পাশাপাশি জনসচেতনতা বাড়াতে সরকারের পাশাপাশি সমাজের সব পক্ষকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।”
স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, “বিভিন্ন মহামারি ও সংকট মোকাবিলায় দেশের চিকিৎসকেরা নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।” করোনাসহ বিভিন্ন জরুরি পরিস্থিতিতে চিকিৎসকদের অবদানের কথাও তুলে ধরেন তিনি।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের এপ্রিল থেকে ধাপে ধাপে পরিচালিত এমআর টিকাদান কর্মসূচিতে প্রায় ১ কোটি ৯৮ লাখ শিশু টিকা পেয়েছে। তবে পরবর্তী জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ ক্যাম্পেইনের তথ্য বিশ্লেষণে একই বয়সী অনেক শিশু আগের কর্মসূচির বাইরে থাকার বিষয়টি শনাক্ত হয়। তাদের টিকার আওতায় আনতেই নতুন এ কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।
কেকে/সাশ