কুমিল্লার লাকসাম উপজেলায় মাদকের ভয়াবহতা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। পৌরসভা এলাকা থেকে শুরু করে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও গ্রামগঞ্জে মাদক ছড়িয়ে পড়ার অভিযোগ রয়েছে। এতে বিশেষ করে উঠতি বয়সী যুবকদের একটি অংশ মাদকে জড়িয়ে পড়ছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। মাদককে কেন্দ্র করে বিভিন্ন এলাকায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডও বাড়ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা করে কঠোর অবস্থান নিয়েছে লাকসাম থানা পুলিশ। মাদক নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত অভিযান ও নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। এরই মধ্যে বিভিন্ন সময়ে মাদক কারবারি ও মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
লাকসাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কাজী কামরুন নাহার লাইলী বলেন, ‘মাদকের ব্যাপারে আমাদের কোনো আপস নেই। জনগণ তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহযোগিতা করুন। মাদক কারবারি ও মাদক ব্যবসায়ীদের আইনের মুখোমুখি করা হবে, ইনশাআল্লাহ। মাদক কারবারিদের পক্ষে কোনো ব্যক্তি বা পক্ষ থেকে সুপারিশ এলেও কোনো আপস করা হবে না।’
পুলিশের এমন কঠোর অবস্থানের কারণে মাদক কারবারিদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে বলে স্থানীয়দের দাবি। দিন-রাত বিভিন্ন এলাকায় পুলিশের নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এতে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িতদের অনেকেই গ্রেপ্তার হচ্ছেন বলে জানা গেছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, লাকসাম থানার ওসি কাজী কামরুন নাহার লাইলী দায়িত্ব নেওয়ার পর মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের তৎপরতা বেড়েছে। নিয়মিত অভিযান ও অপরাধ দমনে পুলিশের কঠোর ভূমিকা সাধারণ মানুষের মধ্যে আশাবাদ তৈরি করেছে।
স্থানীয় একাধিক বাসিন্দা বলেন, মাদক একটি সামাজিক ব্যাধি। এর বিস্তার রোধে পুলিশের পাশাপাশি সাধারণ মানুষকেও এগিয়ে আসতে হবে। তারা মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত রাখার দাবি জানান।
তাদের প্রত্যাশা, মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের এ ধরনের কঠোর অভিযান অব্যাহত থাকলে লাকসামে মাদক কারবার নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি অন্যান্য অপরাধও কমে আসবে।
কেকে/এআই