দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীর চাপে শয্যা সংকট দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর প্রতিটি হাসপাতালকে নির্দিষ্ট শতাংশ বেড ডেঙ্গু রোগীদের জন্য আলাদা রাখার নির্দেশনা দিয়েছে। প্রয়োজনে সরকারি হাসপাতাল থেকে রোগী বেসরকারি হাসপাতালেও পাঠানো হচ্ছে।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পূর্বাভাস বলছে, সেপ্টেম্বরের শেষ ও অক্টোবরের শুরুতে সাধারণত ডেঙ্গুর প্রকোপ সবচেয়ে বেশি থাকে। অর্থাৎ সামনের সপ্তাহগুলোতে হাসপাতালের ওপর চাপ আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
এ পরিস্থিতিতে চিকিৎসকরা অনেক সময় স্থিতিশীল রোগীকে হাসপাতালের বদলে বাসায় থেকে সেবা নেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন। বিশেষ করে যাদের অবস্থা গুরুতর না কিন্তু বিশ্রাম ও নিয়মিত পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন। দীর্ঘমেয়াদী অসুস্থতা, বয়স্ক রোগী বা অস্ত্রোপচারের পর সুস্থ হয়ে ওঠার সময়ও একই কারণে বাসায় সেবার প্রয়োজন হতে পারে।
এমন পরিস্থিতিতে বাসায় প্রস্তুতি না থাকলে রোগী ও পরিবার দুই পক্ষের জন্যই সেবা দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। সাধারণ বিছানায় দীর্ঘ সময় শুয়ে থাকা রোগীর জন্য যেমন অস্বস্তিকর, সেবাদানকারীর জন্যও তেমনি কষ্টসাধ্য।
মেডিকেল হাসপাতাল বেডে সাধারণত মাথা ও পায়ের অংশ আলাদাভাবে উঁচু-নিচু করার ব্যবস্থা থাকে, যা রোগীকে আরামদায়ক অবস্থানে রাখতে সাহায্য করে। খাওয়ানো বা ওষুধ দেওয়ার সময়ও এতে সুবিধা হয়। পাশে রেলিং থাকায় রোগী পড়ে যাওয়ার ঝুঁকি কমে, আর চাকাযুক্ত মডেলে ঘরের মধ্যে সহজে সরানোও যায়।
বাসায় ব্যবহারের উপযোগী
হাসপাতাল বেড একসঙ্গে তুলনা করে দেখা যায় BDStall-এর ক্যাটাগরিতে, যেখানে একাধিক ভেরিফায়েড বিক্রেতার পণ্য পাশাপাশি পাওয়া যায়।
তবে বাসায় হাসপাতাল বেড প্রস্তুত রাখা মানেই হাসপাতালে যাওয়া এড়িয়ে চলা না। ডেঙ্গুর মতো রোগে অবস্থার হঠাৎ অবনতি হতে পারে। জ্বরের সাথে তীব্র পেটব্যথা, ক্রমাগত বমি, রক্তক্ষরণ বা শ্বাসকষ্টের মতো লক্ষণ দেখা দিলে দেরি না করে দ্রুত হাসপাতালে যাওয়া উচিত বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
বাসায় সেবার সিদ্ধান্ত সবসময় চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ীই নেওয়া ভালো, নিজে থেকে অনুমান করে না। হাসপাতালে বেড সংকট সাময়িক হলেও, বাসায় দীর্ঘমেয়াদী রোগীর সেবা দেওয়ার প্রয়োজন যেকোনো সময় দেখা দিতে পারে। আগে থেকে প্রস্তুতি থাকলে হঠাৎ প্রয়োজনের সময় হুড়োহুড়ি করতে হয় না।
কেকে/এআই