পরিবারে মা-বাবা, ভাই-বোন এবং নিজের স্ত্রী-সন্তান ছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ কিছু মানুষ থাকে। যারা পরিবারের সদস্য না হলেও একটি সুখী পরিবার গড়ে তোলার জন্য ভূমিকা রাখে। গুরুত্বপূর্ণ সেই মানুষদের মধ্যে শ্বশুর-শাশুড়ি অন্যতম।
আজ জাতীয় শাশুড়ি দিবস। পারিবারিক সম্পর্কের গুরুত্বপূর্ণ এই মানুষটির প্রতি ভালোবাসা, শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশের বিশেষ উপলক্ষ এটি। পরিবারে শাশুড়ির অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়া এবং তার সঙ্গে সম্পর্ক আরও মধুর করে তোলাই দিবসটির মূল উদ্দেশ্য।
প্রতি বছর অক্টোবরের চতুর্থ রোববার দিবসটি পালন করা হয়। দিবসটি উপলক্ষে শাশুড়ির প্রতি যত্ন, সম্মান ও ভালোবাসা প্রকাশের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
শাশুড়ির সঙ্গে সম্পর্ক কখনো মধুর, আবার কখনো নানা কারণে টানাপোড়েনপূর্ণ হতে পারে। তবে অনেক পরিবারে শাশুড়ি গুরুত্বপূর্ণ অভিভাবকের ভূমিকা পালন করেন। পরিবারের সদস্যদের পাশে দাঁড়ানো, সন্তানদের লালন-পালনে সহযোগিতা করা এবং কঠিন সময়ে মানসিক সমর্থন দেওয়ার মতো নানা ক্ষেত্রে তাদের অবদান রয়েছে।
জাতীয় শাশুড়ি দিবস সেই অবদান স্মরণ করার পাশাপাশি পারিবারিক সম্পর্কের বন্ধন আরও দৃঢ় করার একটি উপলক্ষ।
এ ছাড়া আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞতা জানানো এবং তার অভিজ্ঞতা ও পরামর্শকে গুরুত্ব দেওয়ার মাধ্যমেও পারিবারিক সম্পর্ক আরও সুন্দর করে তোলা সম্ভব।
‘ডেজ অব দ্য ইয়ার’ ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা ও অস্ট্রেলিয়াসহ কয়েকটি দেশে জাতীয় শাশুড়ি দিবস পালনের উল্লেখ রয়েছে।
দিবসটি মূলত পারিবারিক সম্পর্কের ইতিবাচক দিকগুলো তুলে ধরা এবং শাশুড়ির প্রতি সম্মান ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশের বার্তা দেয়।
পরিবারের প্রতিটি সম্পর্কের মতো শাশুড়ির সঙ্গে সম্পর্কেও পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহমর্মিতা ও বোঝাপড়া গুরুত্বপূর্ণ। জাতীয় শাশুড়ি দিবস সেই বন্ধনকে আরও আন্তরিক করে তোলার একটি উপলক্ষ হতে পারে।
কেকে/ এমএস