রাজবাড়ী জেলার ১৮ জন লেখকের লেখনি নিয়ে রচিত ‘রাজবাড়ী ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির আখ্যান’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) বিকালে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ বইয়ের মোড়ক উম্মোচন করা হয়।
বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, রাজবাড়ী জেলা প্রশাসক সুলতানা আক্তার।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, রাজবাড়ী স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচালক ড. মো. মাহমুদুল হক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. তারিফ-উল-হাসান, লেখক বাবু মল্লিক, সালাম তাসির, নূরুল হক আলম, শেখ মুহাম্মদ সবুর উদ্দিন।
অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) শ্যামল চন্দ্র বসাক।
লেখক ও অতিথিদের আশা এ বইটির মাধ্যমে জেলার ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির বিকাশ ঘটবে। এবং বইটির লেখা পড়লে রাজবাড়ীর নানা জানা-অজানা ইতিহাস জানা যাবে।
জানা গেছে, রাজবাড়ী জেলা প্রশাসনের উদ্দ্যোগে ‘রাজবাড়ী ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির আখ্যান’ বই রচিত হয়েছে। বইটি রচনার জন্য কয়েক মাস আগে জেলা প্রশাসন থেকে লেখা আহ্বানের পর জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ১১৩টি লেখা পাওয়া যায়। সেখান থেকে বাছাই করে কোয়ালিটি সম্পূর্ণ ১৮টি লেখা নিয়ে বইটি রচিত হয়।
অনুভূতি প্রকাশে লেখকরা বলেন, ‘অতীতে আমাদের অনেক প্রত্যাশা থাকলেও সে অনুযায়ী প্রাপ্তি ঘটেনি। তবে এই বই প্রকাশের মাধ্যমে কিছুটা হলেও রাজবাড়ী জেলার লেখকদের প্রত্যাশা পূরণের একটি জায়গা তৈরি হয়েছে। এই বইটি রাজবাড়ীবাসীকে একটি অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাবে। ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি এবং কবি-লেখকদের জেলা রাজবাড়ী হলেও কবি লেখকদের বসায় জায়গা নাই। গান, যাত্রাপালার মত অনুষ্ঠানে অনেকে সহযোগিতা করলেও কবি-লেখকদের লেখনির ক্ষেত্রে সহযোগিতা করে না। যা খুবই দুঃখজনক। তবে আমরা আশাবাদী জেলা প্রশাসন আমাদের পাশে থাকবে।’
রাজবাড়ী জেলা প্রশাসক সুলতানা আক্তার বলেন, ‘এখানকার সবার লেখা অত্যন্ত চমৎকার হয়েছে। দাপ্তরিক কাজের কারণে সম্পূর্ণ পড়তে না পারলেও প্রত্যেকটি লেখা এক এক করে আমাকে দেখানো হয়েছে। এই লেখায় আমি মুগ্ধ হয়েছি এবং এই বইটি আমার সঙ্গে থাকবে যখন সময় পাবো এ বইটি পড়বো। বইটি প্রকাশের ক্ষেত্রে আপনাদের যে লেখা, আসলে তার কৃতজ্ঞতা ভাষায় প্রকাশ করা যাবে না। বইটিতে চাইলে আরো অনেক লেখা দিতে পারতাম। বাজেটেও সমস্যা ছিল না। কিন্তু আমরা কোয়ালিটিতে কোন ছাড় দেই নাই এবং ছাড় দেবার ইচ্ছাও ছিল না। সেটা পরিপূর্ণভাবে বাস্তবায়ন করেছে আমার অফিসাররা।’
কেকে/বি