দিনাজপুরের খানসামা উপজেলা ও চিরিরবন্দরের নতুন ভুষিবন্দর এলাকায় পৃথক দু’টি সড়ক দুর্ঘটনায় ১ বৃদ্ধ ও ১ শিশু নিহত হয়েছেন। এসব ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী এক দম্পতিসহ অন্তত ১৭ জন গুরুতর আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) রাতে খানসামা উপজেলার আঙ্গারপাড়া ইউনিয়নের আদিবাসী পাড়া (মুসার পাড়া) এলাকায় চৌরঙ্গী-নীলফামারীগামী পাকা সড়কে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় আব্দুল ছাত্তার ওরফে দিলীপ (৬০) গুরুতর আহত হন। পরে নীলফামারী সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। তিনি নীলফামারী সদর থানার পুরাতন গরুর হাট (ছেকামাছার হাট) এলাকার মৃত. মোকছেদ আলীর ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চৌরঙ্গী থেকে দাওয়াত খেয়ে স্ত্রীকে নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে মোটরসাইকেল চালক মো. সাদ্দাম হোসেন (৩২) ওই বৃদ্ধকে ধাক্কা দেন। এতে সাদ্দাম হোসেন ও তার স্ত্রী মোছা. মৌসুমী বেগম (২৬) গুরুতর আহত হন। তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
খানসামা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল বাছেত সরদার জানায়, ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
অন্যদিকে, একই রাতে দিনাজপুরের দশমাইল হাইওয়ে মহাসড়কের নতুন ভুষিবন্দর তেল পাম্পের সামনে পঞ্চগড় থেকে রংপুরগামী একটি যাত্রীবাহী বাস দুর্ঘটনায় পড়ে তিন বছরের শিশু তাইফ নিহত হয়। সে বিরল উপজেলার নিজামপুর এলাকার রবিউল ইসলামের ছেলে। এ ঘটনায় বাসের অন্তত ১৫ জন যাত্রী আহত হয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, সামনে থাকা একটি মোটরসাইকেলকে পাশ কাটাতে গিয়ে বাসচালক নিয়ন্ত্রণ হারায়। এসময় বাসটি সড়কের পাশে থাকা বৈদ্যুতিক পিলারের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে উল্টে যায়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় লোকজন আহতদের উদ্ধার করে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসক শিশু তাইফকে মৃত ঘোষণা করেন।
দিনাজপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নূরনবী জানায়, দুর্ঘটনায় একজন শিশু নিহত হয়েছে এবং আহতরা চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ঘটনাস্থলে একটি মোটরসাইকেল পাওয়া গেলেও এর আরোহীকে এখনো শনাক্ত করা যায়নি।
কেকে/বি