সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যৃতে সরকারী বে-সরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও দপ্তরে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করার রাষ্ট্রীয় নির্দেশনা থাকলেও জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সরকারী প্রতিষ্ঠানে এ নির্দেশনা মানা হয়নি।
এব্যাপারে সংশ্লিষ্ট প্রধানের প্রধানগণ দায়সারা বক্তব্য দিয়ে পার পাওয়ার চেষ্টা করছেন। তবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
জানা যায়, সাবেক তিন বারের প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া ৩০ ডিসেম্বর মৃত্যৃবরণ করায় সরকারী ভাবে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষনা করে প্রজ্ঞাপন জারি করেন।
প্রজ্ঞাপনে (৩১ ডিসেম্বর) থেকে (২ জানুয়ারি ২৬) পর্যন্ত দেশের সকল সরকারী আধা সরকারী, স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সহ সকল সরকারী বে-সরকারী ভবন, বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশন সমুহে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়। কিন্তুু পাঁচবিবিতে এ নির্দেশনা অনেক প্রতিষ্ঠানে অবজ্ঞা করা হয়েছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার রতনপুর উচ্চ বিদ্যালয়, রতনপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, বাগজানা উচ্চ বিদ্যালয়, বাগজানা ইউনিয়ন ভূমি অফিস, ইউনিয়ন পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্র, বালিঘাটা ইউনিয়ন পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্র, সুলতানপুর বিরনগর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কাঁশপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, শালাইপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় সহ গ্রামাঞ্চলের অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কোন পতাকাই উত্তোলন করা হয়নি।
বালিঘাটা ইউনিয়ন পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্রের পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা জোসনা আকতার বলেন, পতাকা তোলার জন্য যে লোক ছিলো সে নাই। আর পতাকা টাঙ্গানো বাসটি ভেঙ্গে গেছে, তাই টাঙ্গানো হয়নি। কাঁশপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আয়েশা সিদ্দিকা তনু সহ একাধিক প্রতিষ্ঠান প্রধানগণ বিদ্যালয়ের দপ্তরী কাম নৈশ প্রহরীর উপর দায় চাপিয়ে দায়সারা বক্তব্য দেন।
এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম আহমেদ বলেন, “সরকারী নির্দেশনা অনুযায়ী যারা প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করেননি সেটি খতিয়ে দেখে ব্যবন্থা নেওয়া হবে।”
কেকে/এলএ