সরকার ও গণমাধ্যম একসঙ্গে মিলে ভোটের যে চ্যালেঞ্জগুলো রয়েছে, সেগুলো মোকাবেলায় জনমত গড়ে তুলতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।
শনিবার (৩ জানুয়ারি) সকালে সিলেটে পিআইবি আয়োজিত ‘নির্বাচন বিষয়ক প্রশিক্ষণ’ উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, “অনেক বছর পর একটি প্রকৃত ভোট হতে যাচ্ছে। যেখানে সরকারের কোনো পক্ষের কোনো অবস্থান নেই। মানুষ যেন নির্ভয়ে জেনে-বুঝে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে—সেটাই আমাদের প্রচেষ্টা থাকবে।”
উপদেষ্টা বলেন, “আমরা যে ভোটের আয়োজন করছি, মনে রাখতে হবে এটি প্রায় ১৬ বছরের স্বৈরাচারী শাসনের পতনের ফল। একটি স্বৈরাচারী শাসনব্যবস্থা থাকলে সব ব্যবস্থাতেই তার লোকজন ঢুকে পড়ে, এমনকি মানুষের মনস্তত্ত্বও সেভাবে গড়ে ওঠে। সেই বাস্তবতার বিপরীতে দাঁড়িয়ে আমরা এই নির্বাচন আয়োজন করছি একটি গণঅভ্যুত্থানের শক্তির ওপর ভর করে। সেখানে পরাজিত শক্তি কিছু বাধা সৃষ্টি করতে পারে। সেসব বাধা আমাদের মোকাবেলা করতে হবে। জনগণকে সঙ্গে নিয়েই আমরা এই চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবেলা করতে পারব,” যোগ করেন তিনি।
এর আগে, শুক্রবার রাতে বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে সিলেটে পৌঁছান উপদেষ্টা।
শনিবার (৩ জানুয়ারি) লিডিং ইউনিভার্সিটির চতুর্থ সমাবর্তন অনুষ্ঠানে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেবেন।
এদিকে, দুপুর ২টায় সিলেট বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আসন্ন গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় আয়োজিত দিনব্যাপী নির্বাচনসংক্রান্ত প্রশিক্ষণ কর্মশালায় তাঁর যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে। কর্মশালায় সরকারি বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার কর্মকর্তা, জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের প্রতিনিধি, পুলিশ, নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তা, এনজিও প্রতিনিধিসহ গণমাধ্যমকর্মীরা অংশ নেবেন।
এ ছাড়া বিকেল সাড়ে ৪টায় নির্বাচন উপলক্ষে আয়োজিত উঠান বৈঠকে অংশ নেবেন উপদেষ্টা। আজ রাত ৯টা ৪০ মিনিটে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করবেন তিনি।
কেকে/এলএ