সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬,
২৯ আষাঢ় ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম: আদ-দ্বীন হাসপাতালের বিষয়ে পরিদর্শনের পর সিদ্ধান্ত : স্বাস্থ্যমন্ত্রী      ৪১৬ বছরপূর্তিতে বর্ণিল ‘ঢাকা উৎসব’, উদ্বোধনে প্রধানমন্ত্রী      ১৫ জুলাই সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণের নির্দেশ      সারা দেশে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেবে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী      আগামী ৫ বছরে দেশে ২৫ কোটি গাছ লাগানো হবে: প্রধানমন্ত্রী      দীর্ঘ হচ্ছে হামে মৃত্যুর মিছিল      ডুবল ঢাকা ভুগল মানুষ      
দেশজুড়ে
ফরিদপুর থেকে হারিয়ে যাচ্ছে ঘোড়ার গাড়ি
সনৎ চক্রবর্তী, ফরিদপুর
প্রকাশ: সোমবার, ৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ১১:৩০ এএম
ছবি: প্রতিনিধি

ছবি: প্রতিনিধি

ফরিদপুরে আধুনিক যানবাহনের দাপটে ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে ঘোড়ার গাড়ি ও ঘোড়ার ব্যবহার। এক সময় জেলার বিভিন্ন পথ-প্রান্তরে ছুটে চলত ঘোড়ার গাড়ি। এমনকি প্রাচীনকালে যুদ্ধক্ষেত্রেও ঘোড়ার ব্যবহার ছিল উল্লেখযোগ্য। পাশাপাশি কৃষিকাজ ও পরিবহনের কাজে ঘোড়া ছিল নিত্যদিনের সঙ্গী। কিন্তু যান্ত্রিক বাহনের আধিক্যে আজ ঘোড়ার ব্যবহার প্রায় বিলুপ্তির পথে।

জানা যায়, এক সময় গ্রামবাংলার পথে ঘোড়ার গাড়ি ছিল নিত্যদিনের সঙ্গী। হাট-বাজারে যাতায়াত কিংবা কৃষিপণ্য আনা–নেওয়ায় এই বাহনের ব্যবহার ছিল খুবই সাধারণ। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ইঞ্জিনচালিত যানবাহনের দাপটে সেই দৃশ্য আজ প্রায় বিলুপ্ত। ফলে ঘোড়ার গাড়ি এখন আর শুধু একটি বাহন নয়—এটি হয়ে উঠেছে হারিয়ে যেতে বসা গ্রামীণ জীবনের প্রতীক।

স্থানীয়রা জানান, এক সময় সারা দেশের মতো ফরিদপুরেও মানুষের নির্ভরযোগ্য বাহন ছিল ঘোড়ার গাড়ি। ফসল ঘরে তোলা থেকে শুরু করে বাজারে নেওয়া—সবই করা হতো এই গাড়িতে। অন্যদিকে ঘোড়ার গাড়ি চালিয়ে বহু পরিবার আর্থিকভাবে স্বচ্ছলতাও অর্জন করেছিল।

ঘোড়ার গাড়ির চালকরা বলছেন, এলাকায় ঘাস বা চারণভূমির অভাবে ঘোড়াকে লালন-পালন করা এখন কঠিন হয়ে পড়েছে। ফলে আগের মতো ঘোড়ার গাড়ি চালানো সম্ভব হচ্ছে না।

আলী আহম্মেদ বলেন, “এক সময় ঘোড়ার গাড়ি চালিয়ে পরিবারের ব্যয় নির্বাহ করতাম। কিন্তু আধুনিক যানবাহন চলাচল শুরু হওয়ার পর এই পেশা ছেড়ে অন্য পেশা বেছে নিতে হয়েছে। কারণ আগের মতো আয় হয় না।”

স্কুল শিক্ষক শিহাব বলেন, “ছোটবেলা থেকেই দেখছি ঘোড়ার গাড়ি দিয়ে মালামাল টানা হতো। অনেক এলাকায় ঘোড়ার সাহায্যে তেলের ঘানি টানা, দৌড় প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হতো। ইট, কাঠ, ধান ও খড় পরিবহনে ঘোড়ার গাড়ি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে।”

ঘোড়ার গাড়ি শুধু একটি পরিবহনের মাধ্যমই নয়, বরং এ অঞ্চলের ঐতিহ্য ও মানুষের জীবিকার একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল। তবে সময়ের বিবর্তনে আজ ফরিদপুর থেকে ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে ঘোড়ার ব্যবহার।

কেকে/এলএ


আরও সংবাদ   বিষয়:  ফরিদপুর   ঘোড়ার গাড়ি  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

দেশজুড়ে- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: [email protected], [email protected]

© 2025 Kholakagoj
🔝
close