বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন গণমানুষের নেত্রী। তিনি বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষের অভিভাবক ছিলেন।
তিনি বলেন, “বেগম খালেদা জিয়া রাজপথে লড়াই করেছেন এ দেশের জনগণের ভাগ্য উন্নয়নের জন্য, গণতন্ত্রের জন্য। তিনি মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য সংগ্রাম করেছেন। তার জানাজায় লক্ষ লক্ষ মানুষের সমাগম হয়েছিল, যা তার প্রতি জনগণের ভালোবাসার স্বাক্ষর—যা পৃথিবীতে বিরল।”
শনিবার (১০ জানুয়ারি) বিকালে রাজধানীর কাকরাইলে আইডিইবি ভবনের মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি মিলনায়তনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিএনপির সাবেক চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। ডিপ্লোমা ইঞ্জিনীয়ার্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ডিইএব)-এর উদ্যোগে আয়োজিত এ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, “শেখ হাসিনা তাকে জেলখানায় অনেক কষ্ট দিয়েছেন। তা সত্বেও বেগম জিয়া মুখবুজে ধৈর্য্য ধারণ করেছেন। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া শুধু বিএনপির চেয়ারপারসন ছিলেন না। তিনি তিনবারের সফল প্রধানবমন্ত্রী ছিলেন। এ দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের সম্মুখভাগ থেকে নেতৃত্বও দিয়েছিলেন।”
তিনি বলেন, “শতচাপের মুখেও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া দেশ ছেড়ে চলে যাননি। অনেক অত্যাচার সহ্য করেও বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে তিনি এগিয়ে নিয়ে গেছেন।”
বাংলাদেশ ছাত্র-শিক্ষক পেশাজীবী সংগ্রাম পরিষদের সদস্য সচিব প্রকৌশলী ইমাম উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন আইডিইবি অন্তর্বর্তীকালিন কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক প্রকৌশলী মো. কবীর হোসেন।
স্বাগত বক্তব্য রাখেন ডিপ্লোমা ইঞ্জিনীয়ার্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ডিইএব)-এর সদস্য সচিব প্রকৌশলী কাজী সাখাওয়াত হোসেন। আলোচনা অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন আইডিইবি অর্ন্তবর্তীকালিন কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য (দপ্তর) প্রকৌ. মীর হোসেন পাটোয়ারী ও ডিইএব এর সদস্য গাজী মোহাম্মদ সেলিম।
অনুষ্ঠানে আইডিইবি অর্ন্তবর্তীকালিন কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য (সাংগঠনিক) প্রকৌশলী মোহাম্মদ গোলাম কিবরিয়াসহ ডিইএব-এর কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ ও অসংখ্য ডিপ্লোমা প্রকৌশলীরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফেরাতের জন্য দোয়া করা হয়।
কেকে/এজে