শীত মৌসুমে ফরিদপুর জেলার বিভিন্ন ফলের দোকানে পাওয়া যাচ্ছে টাটকা সুস্বাদু ও পুষ্টিকর আপেল কুল। দেখতে হলুদাভ ও লালচে হলুদাভ রঙের এই কুলের স্বাদ ও গন্ধ অনেকটা আপেলের মতো। তবে বিভিন্ন কারণে বাজার মূল্যের দামে রয়েছে ভিন্নতা।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) জেলার ফল পট্টি, বোয়ালমারী, আলফাডাঙ্গা, মধুখালি, সালথা, নগরকান্দা সহ বিভিন্ন বাজারে এসব কুলের বিক্রি করতে দেখা গেছে।
জানা যায়, জেলায় বিভিন্ন ফলের দাম বেশি হওয়ায় সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে। তাই মানুষ আপেলে, আঙ্গুর,বেদনা, কমলার পরিবর্তে বরই বা আপেল কুলকে বেছে নিচ্ছে। এসব ফলের দাম বেড়ে যাওয়ায় আপেল কুলের কদর বাড়ছে।
আমিনুল ইসলাম নামে এক এনজিও কর্মী বলেন, বিদেশি ফলের দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে গেছে। নিত্যপণ্যের বাজার আগে থেকেই চড়া। যার কারণে অনেক মানুষ দাম শুনে ফল না কিনেই চলে যাচ্ছেন। আবার বিশেষ প্রয়োজনে যারা কেনেন। তারাও অল্প পরিমাণে কিনছেন।আমিও অন্যন্য ফলের দাম বেশি হওয়ায় দুই কেজি আপেল কুল ৪০০ টাকা দিয়ে কিনলাম।
অপুর্ব নামে এক কলেজ ছাত্র বলেন, শীতের নতুল ফল আপেল কুল হিসেবে বাড়ির জন্য এক কেজি কিনলাম ২০০ টাকা দরে। বাড়ির সবাই একসাথে আপেল কুল খাবো। দারুণ মজা হবে।
স্কুল ছাত্র অর্ক চক্র বর্ত্তী বলেন, আপেল কুল খেতে চমৎকার কিন্তু বিদ্যার দেবী মা সরস্বতী পূজা না হওয়ার পর্যন্ত আমারা হিন্দু সম্প্রদায়ের কোন ছাত্র বা ছাত্রী কেউ আপেল কুল বা বরই মুখে দিব না।
ফল ব্যবসায়ীরা দাম বৃদ্ধির কথা স্বীকার করে বলছেন, অন্যান্য বছর যে দামে আপেল কুল বিক্রি হয়, এবার সেই দামে পাইকারি পর্যায় থেকে কেনাও যাচ্ছে না। তাই আপেল কুলের দাম বেশি।
ফরিদপুর ফলের দোকানের সামনে থেকে কথা হয় আলীর সাথে তিনি বলেন,মৌসুম শুরুর আগে আপেল কুল বাজারে আসা শুরু হয়েছে।তাই চাহিদা কম দাম কিছুটা বেশি। কিছুদিন পর চাহিদা বাড়লে দাম হাতের নাগলে থাকবে বলে আশাবাদী।
কেকে/ এমএস