সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬,
২৯ আষাঢ় ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম: সিলেট-সুনামগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতির শঙ্কা      বন্যার কবলে সাত জেলা : নিহত ৫৪, ছয় লাখের বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত      আদ-দ্বীন হাসপাতালের বিষয়ে পরিদর্শনের পর সিদ্ধান্ত : স্বাস্থ্যমন্ত্রী      ৪১৬ বছরপূর্তিতে বর্ণিল ‘ঢাকা উৎসব’, উদ্বোধনে প্রধানমন্ত্রী      ১৫ জুলাই সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণের নির্দেশ      সারা দেশে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেবে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী      আগামী ৫ বছরে দেশে ২৫ কোটি গাছ লাগানো হবে: প্রধানমন্ত্রী      
দেশজুড়ে
সাবেক ডিআইজি ও তার স্ত্রীর নামে দুদকে মামলা
বগুড়া প্রতিনিধি
প্রকাশ: সোমবার, ১২ জানুয়ারি, ২০২৬, ৬:৪২ পিএম আপডেট: ১২.০১.২০২৬ ৬:৪৫ পিএম
ছবি: প্রতিনিধি

ছবি: প্রতিনিধি

পুলিশের আলোচিত সাবেক অতিরিক্ত ডিআইজি হামিদুল আলম মিলন তার তিন বোন ও স্ত্রী শাহাজাদী আলম লিপির বিরুদ্ধে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

সোমবার (১২ জানুয়ারি) দুদক বগুড়া জেলা কার্যালয়ে মামলা দুটি দায়ের করেন সহকারি পরিচালক জাহিদুল ইসলাম।

প্রথম মামলায় হামিদুল আলম মিলন ও তার তিন বোন আজিজা সুলতানা, আরেফা সালমা ও শিরিন শবনমের বিরুদ্ধে ২৭ কোটি ৬০ লাখ ৩ হাজার ৯০৫ টাকা মূল্যের সম্পদের তথ্য গোপন এবং অসাধু উপায়ে আরও ৩৫ কোটি ১৭ লাখ ৮৭ হাজার ৯৯৫ টাকা মূল্যের অবৈধ সম্পদ অর্জন করে ভোগদখলের অভিযোগ আনা হয়েছে।

অপর মামলায় শাহাজাদী আলম লিপি ও তার স্বামী সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা হামিদুল আলম মিলনের বিরুদ্ধে ১৯ কোটি ৫৬ লাখ ২৭ হাজার ৮৭৮ টাকা মূল্যের সম্পদের তথ্য গোপন এবং অসাধু উপায়ে স্বামীর সহায়তায় ২৬ কোটি ১ লাখ ২৯ হাজার ৯৯৭ টাকা মূল্যের জ্ঞাত আয়বর্হিভূত সম্পদ অর্জন ও ভোগদখলের অভিযোগ আনা হয়েছে।

মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৪ সালের ২৮ এপ্রিল দুদক বগুড়া জেলা কার্যালয় থেকে হামিদুল আলম মিলন ও তার স্ত্রী শাহাজাদী আলম লিপির নামে সম্পদ বিবরণী দাখিলের আদেশ জারি করা হয়। এরপর একই বছরের ২৩ জুন তারা নিজস্ব স্বাক্ষরে দুদকে সম্পদ বিবরণী দাখিল করেন। অনুসন্ধানের সময় দুদক জানতে পারে, হামিদুল আলম মিলনের মা ও তিন বোন গৃহিণী এবং তাদের কোনো আয়ের উৎস নেই। অভিযোগ অনুযায়ী, হামিদুল আলম মিলন তার ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত সম্পদ মা ও বোনদের নামে কিনে পরে তাদের কাছ থেকে হেবা দলিলের মাধ্যমে নিজ নামে স্থানান্তর করেছেন। তার মা রওশন আরা বেগম ২০২০ সালের এপ্রিল মাসে মারা যাওয়ায় মামলায় তাকে আসামি করা হয়নি।

মামলায় আরও বলা হয়েছে, পুলিশ কর্মকর্তা থাকার সময়ে হামিদুল আলম মিলন তার পদমর্যাদা এবং ক্ষমতার অপব্যবহার করে জ্ঞাত আয়বর্হিভূত সম্পদ অর্জন করেছেন, যা দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের আওতাধীন অপরাধ।

অপর মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে, শাহাজাদী আলম লিপি তার স্বামীর সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহার ও ঘুষ-দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত অর্থ ব্যবহার করে ৩ কোটি ৭৪ লাখ ৪২ হাজার টাকা মূল্যের সম্পদ অর্জন ও উৎস গোপন করেছেন।

মামলায় আরও বলা হয়েছে, শাহাজাদী আলম লিপি তার মা সাফিয়া খাতুনের কাছ থেকে সম্পদ পেয়েছেন। অনুসন্ধানের সময় দুদক জানতে পারে, সাফিয়া খাতুন একজন গৃহিণী এবং তার স্বামী শহীদুল্লাহ মণ্ডল পল্লী চিকিৎসক ছিলেন। হেবা দলিলের মাধ্যমে সম্পদ স্থানান্তরের কিছুদিন আগে ওই সম্পদ মায়ের নামে কেনা হয়েছিল। এতে প্রমাণিত হয়েছে যে, হামিদুল আলম মিলন ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত সম্পদ দিয়ে শ্বাশুড়ি সাফিয়া খাতুনের নামে স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ কিনেছেন, যা পরে তার স্ত্রী শাহাজাদী আলম লিপিকে হেবা দলিলের মাধ্যমে হস্তান্তর করা হয়েছে।

সাফিয়া খাতুন ২০২১ সালে মারা যাওয়ায় তাকে মামলায় আসামি করা হয়নি।

উল্লেখ্য, শাহাজাদী আলম লিপি ২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-১ (সোনাতলা-সারিয়াকান্দি) আসনে প্রার্থী ছিলেন। সেই সময়ে তার স্বামী হামিদুল আলম মিলন সরকারি গাড়ি ব্যবহার করে নির্বাচনি প্রচারণায় অংশগ্রহণ করেছিলেন। ওই অভিযোগের প্রেক্ষিতে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। পরে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে চাকরি থেকে বাধ্যতামূলক অবসর প্রদান করা হয়।

কেকে/এলএ


আরও সংবাদ   বিষয়:  ডিআইজি   স্ত্রী   দুদক   মামলা  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

দেশজুড়ে- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: [email protected], [email protected]

© 2025 Kholakagoj
🔝
close