চাকরি ও পারিবারিক বাস্তবতার কারণে ময়মনসিংহ জেলা গণঅধিকার পরিষদের দপ্তর সম্পাদক পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন কাঞ্চন আহমেদ।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) এক লিখিত বক্তব্যে তিনি এ সিদ্ধান্তের কথা জানান।
তার সঙ্গে ময়মনসিংহ জেলা গণঅধিকার পরিষদের প্রচার সম্পাদক মোফাজ্জল হোসেন সরকার, ময়মনসিংহ জেলা গণঅধিকার পরিষদের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক রাকিব মিয়া পদত্যাগ করেন।
কাঞ্চন আহমেদ বলেন, তার রাজনৈতিক পথচলার শুরু ২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলনের মাধ্যমে। ওই আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ এবং পরবর্তীতে ছাত্র অধিকার পরিষদ গড়ে ওঠে। তিনি ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা ছাত্র অধিকার পরিষদের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং পরবর্তীতে বিভিন্ন পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করার সুযোগ পান।
তিনি আরও বলেন, “গণঅধিকার পরিষদ তার কাছে কেবল একটি সংগঠন নয়, বরং বিশ্বাস, আত্মসম্মান ও আত্মপরিচয়ের অংশ। তবে চাকরি ও পারিবারিক চাপের কারণে দলীয় কর্মসূচিতে প্রয়োজনীয় সময় ও শ্রম দিতে না পারায় তাকে নানা সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে, যা মানসিকভাবে কষ্টদায়ক ছিল।
দলের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীর প্রতি সম্মান রেখে এবং নিজের আত্মসম্মান বজায় রাখার স্বার্থে তিনি আপাতত জেলা দপ্তর সম্পাদক পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন। তিনি জানান, এই সিদ্ধান্ত কোনো অভিমান বা অভিযোগ থেকে নয়; বরং নিজের সীমাবদ্ধতা স্বীকার করে দল ও আদর্শের প্রতি সম্মান রেখেই নেওয়া হয়েছে।
ভবিষ্যতে আল্লাহ চাইলে আবারও আদর্শের রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। একইসঙ্গে সবার কাছে দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেন কাঞ্চন আহমেদ।
কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গণঅধিকার পরিষের জিয়া বলেন, “আমি এই বিষয়ে কিছু জানিনা আমার সাথে কোন পরামর্শ করে নাই।”
কেকে/এজে