চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে জাহিদ হাসান নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) দুপুরে উপজেলার মনোহরপুর ইউনিয়নের হারু শাহের মাজারের পাশে স্থানীয় একটি ঘাসের জমি থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত জাহিদ হাসান একই উপজেলার কেডিকে ইউনিয়নের খয়েরহুদা গ্রামের মৃত আশরাফ আলীর ছেলে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে তাকে হত্যা করা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, বুধবার সকালে হারু শাহের মাজারের পাশে একটি ঘাসের জমিতে অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে জমির মালিক গোলাম রসুল ৯৯৯-এ কল দেন। পরে জীবননগর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে মরদেহটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। ইতোমধ্যে মরদেহটি খয়েরহুদা গ্রামের জাহিদের বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। পরিবারের লোকজন ও সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মরদেহ শনাক্ত করেছেন।
নিহত জাহিদের ফুফাতো ভাই সাবেক ইউপি সদস্য আব্বাস আলী জানান, গত রাত থেকে জাহিদকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। আমরা একাধিক জায়গায় জাহিদকে খুঁজেছি কিন্তু কোন খোঁজ পাইনি। পরে ফোনে জানতে পারলাম এখানে একটি মৃতদেহ পড়ে আছে। পরে দেখি এটি আমার মামাতো ভাই জাহিদের মরদেহ।
তিনি আরও জানান, পেয়ারাতলা গ্রামের মোহাম্মদ আলীর ছেলে প্রবাসী পারভেজের স্ত্রী উর্মির সাথে জাহিদের পরকীয়া সম্পর্ক ছিল। আর এ কারণে তারা প্রায় জাহিদকে মেরে ফেলার হুমকি দিত।
এদিকে পারভেজের স্ত্রী উর্মী জানান, দীর্ঘ আট মাস আগে তার সাথে আমার সম্পর্ক ছিল। কিন্তু এখন আমার তার সাথে কোন যোগাযোগ নেই। তবে গত রাত নয়টার দিকে আমাকে ফোন দিয়েছিল, শেষবারের মতো সে দেখা করতে চায়। কিন্তু আমি দেখা করিনি। আমি মৃত্যুর কারণ কিংবা কোন কিছুই বলতে পারব না।
জীবননগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সোলায়মান শেখ জানান, সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তত শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
কেকে/ আরআই