মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬,
৯ আষাঢ় ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
শিরোনাম: সালমান শাহর লাশ উত্তোলনের আদেশ বাতিল      সুশাসন ও সংস্কার ছাড়া বাজেট বাস্তবায়ন কঠিন      দেশজুড়ে কঠোর সতর্কতা      চীনের দালিয়ানে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী      চীন পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী      ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, তেল রপ্তানিতে সুখবর      এবার পাঁচ জেলায় বিজিবি মোতায়েন      
দেশজুড়ে
নীলফামারী-১ আসন, জোট থেকে নেই প্রচারনা
ডোমার (নীলফামারী) প্রতিনিধি
প্রকাশ: শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারি, ২০২৬, ৫:২৬ পিএম
ছবি: প্রতিনিধি

ছবি: প্রতিনিধি

জমিয়ত প্রার্থী মনোনয়ন দাখিলসহ প্রচারনা চালালেও সেখানে বিএনপির কোন নেতাকর্মীদের দেখা যাচ্ছেনা। ফলে অনেকটাই একা হয়ে পড়েছেন জমিয়ত মহাসচিব মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী। 

ক্লিন ইমেজের অধিকারী মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী। তবে দলের দিক দিয়ে সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী নয় জমিয়ত। যদি বিএনপি তার সাথে প্রচারনা বা বিএনপির সমর্থকরা যদি তাকে ভোট না দেয় তাহলে অনেকটাই বেকায়দায় পড়ে যাবেন তিনি। বিএনপির ভোট ছাড়া তিনি কোনভাবেই এখানে নির্বাচিত হতে পারবেন না বলে সাধারন ভোটাররা জানিয়েছেন।

নীলফামারী-১ আসন, অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি আসন। এই আসনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ভাগ্নে ইঞ্জিনিয়ার শাহরিন ইসলাম চৌধুরী তুহিনকে জেতাতে দীর্ঘদিন থেকে কাজ করে আসছিলেন বিএনপি নেতাকর্মীরা। সেই ভাবেই দলকে গোছানোসহ এলাকার উন্নয়নে ভুমিকা রাখেন তুহিন। তবে হঠাৎ করেই এখানে তুহিনকে বাদ দিয়ে শরীক দল জমিয়তকে আসনটি ছেড়ে দেয় বিএনপি। এখানে বিএনপি জোটের মনোনয়ন পান জমিয়তের মহাসচিব মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী। আফেন্দী মনোনয়ন পেলে বিএনপি নেতাকর্মীরা আন্দোলন করেন মনোনয়ন পরিবর্তন করে তুহিনকে দেওয়ার জন্য। কিন্তু কেন্দ্র থেকে জমিয়তকেই আসনটি ছেড়ে দেওয়া হয়।

উপজেলা যুবদলের যুগ্ন আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘জোট থেকে তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে সেখানে আমাদের কিছু বলার নেই। তবে তিনি এখন পর্যন্ত আমাদের সাথে কথা বলেননি। তিনি যদি আমাদের না ডাকেন তাহলে আমরা কিভাবে তার জন্য কাজ করবো।’ 

বিএনপি নেতা কাছু বলেন, ‘জমিয়ত এখানে মনোনয়ন পেলেও তারা আমাদের ডাকেনি।’  

সোনারায় ইউনিয়ন বিএনপি সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক হারুন বলেন, ‘তিনি আমাদের এলাকায় আসলেও বিএনপি নেতা বা কর্মীদের ডাকছেন না। না ডাকলে আমরা কিভাব তার পক্ষে কাজ করবো।’ 

বিএনপি নেতা কামু বলেন, ‘বিএনপি এখানে শরিকদলকে মনোনয়ন দিলেও তিনি বিএনপির কোন নেতাকে ডাকছেন না। ফলে বিএনপির কর্মীরাও তার পক্ষে কাজ না করে অলস সময় পার করছেন।’ 

স্থানীয় ভোটাররা বলেন, ‘বিএনপির এখানে ব্যাপক ভোট রয়েছে। শরীকদল যদি সেটা কাজে লাগাতে না পারে তাহলে কারো কিছু করার নেই।’ 

জমিয়ত প্রার্থী মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী বলেন, ‘আমি সকলের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করছি। প্রতিদিনই শত শত বিএনপির কর্মীরা আমার কাছে আসছেন। আমিও তাদের কাছে যাওয়ার চেষ্টা করেছি। এমনকি তুহিন সাহেবকে একাধিকাবার ফোন করেছি। হয়তো ব্যস্ত ছিলেন তাই ফোন ধরতে পারেননি।’

তিনি বলেন, ‘ইনশাআল্লাহ প্রতীক বরাদ্দের পর থেকেই দেখবেন বিএনপির নেতাকর্মীদের সাথে নিয়েই আমরা প্রচারনা চালাবো। তাদের অভিমান থাকতেই পারে কারণ তাদের প্রার্থী তুহিন এখানে মনোনয়ন পাননি। আমি তাদের অভিমানকে শ্রদ্ধা জানাই। ইনশাআল্লাহ তারাও এখানে আমাকে বিজয় করতে কাজ করবেন। কারণ এখানে আমার বিজয় মানেই বিএনপির বিজয়।  আমার বিজয় মানেই তারেক রহমানের বিজয়।’

কেকে/বি



আরও সংবাদ   বিষয়:  নীলফামারী   জোট   প্রচারনা  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

দেশজুড়ে- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: kholakagojnews@gmail.com, kholakagojadvt@gmail.com

© 2025 Kholakagoj
🔝
close