মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬,
৯ আষাঢ় ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
শিরোনাম: একযোগে ১৭ ডেপুটি-সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের পদত্যাগ      বিকল লঞ্চ থেকে ৯৯৯-এ ফোন, ৮০ যাত্রী উদ্ধার      সেপ্টেম্বর থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হতে পারে: ডা. জাহেদ      সালমান শাহর লাশ উত্তোলনের আদেশ বাতিল      সুশাসন ও সংস্কার ছাড়া বাজেট বাস্তবায়ন কঠিন      দেশজুড়ে কঠোর সতর্কতা      চীনের দালিয়ানে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী      
লাইফস্টাইল
কিডনিতে পাথর হয়েছে কিনা কীভাবে বুঝবেন
লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশ: শনিবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০২৬, ১২:১৫ পিএম
ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

শরীরের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ হলো কিডনি। এর প্রধান কাজ রক্ত থেকে বর্জ্য ও অতিরিক্ত পানি ছেঁকে মূত্র তৈরি করা, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করা এবং শরীরে পানি ও ইলেকট্রোলাইটের ভারসাম্য বজায় রাখা। পাশাপাশি লোহিত রক্তকণিকা উৎপাদনেও কিডনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই এই অঙ্গটির সুস্থতা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি।

বর্তমানে কিডনিতে পাথর একটি সাধারণ স্বাস্থ্য সমস্যায় পরিণত হয়েছে। অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাস, পর্যাপ্ত পানি পান না করা এবং জীবনযাপনের কিছু ভুল অভ্যাসের কারণে অনেকেরই এ সমস্যা দেখা দেয়। অনেক সময় পাথর ছোট হলে তেমন কোনো লক্ষণ বোঝা যায় না। তবে পাথর যখন কিডনি থেকে মূত্রনালিতে নেমে আসে, তখন শুরু হয় তীব্র ব্যথা ও নানা শারীরিক জটিলতা। কিডনিতে পাথর হয়েছে কিনা, তা বোঝার কিছু সাধারণ লক্ষণ সম্পর্কে ভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। চলুন জেনে নেওয়া যাক সেগুলো—

পিঠের নিচে বা কোমরে তীব্র ব্যথা: কিডনিতে পাথরের সবচেয়ে পরিচিত লক্ষণ হলো পিঠের নিচের অংশে বা কোমরের এক বা দুই পাশে হঠাৎ তীব্র ব্যথা অনুভূত হওয়া। এই ব্যথা অনেক সময় তলপেট বা কুঁচকির দিকে ছড়িয়ে পড়ে। ব্যথার মাত্রা কখনো কমে আবার কখনো হঠাৎ বেড়ে যেতে পারে।

প্রস্রাবের রঙ ও গন্ধের পরিবর্তন: প্রস্রাব যদি কালচে, লালচে, বাদামি বা ঘোলাটে দেখায়, তাহলে তা কিডনিতে পাথরের ইঙ্গিত হতে পারে। পাথরের ঘর্ষণে মূত্রনালিতে রক্তপাত হলে প্রস্রাবে রক্ত দেখা যায়। এছাড়া প্রস্রাবে দুর্গন্ধ থাকাও একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ।

ঘনঘন প্রস্রাব ও জ্বালাপোড়া: পাথর যখন মূত্রনালির কাছাকাছি চলে আসে, তখন বারবার প্রস্রাবের চাপ অনুভূত হয়। প্রস্রাবের সময় জ্বালাপোড়া বা তীব্র ব্যথা হওয়াও কিডনিতে পাথরের সাধারণ উপসর্গ।

বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া: কিডনি ও পাকস্থলীর স্নায়ুর মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। ফলে কিডনিতে পাথর হলে বা সেখানে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হলে অনেক সময় বমি বমি ভাব কিংবা বমি হতে পারে।

জ্বর ও কাঁপুনি: কিডনিতে পাথরের সঙ্গে যদি জ্বর আসে এবং শরীর কাঁপতে থাকে, তাহলে বুঝতে হবে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে। এটি একটি গুরুতর অবস্থা, যেখানে দেরি না করে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া প্রয়োজন।

পাথর হওয়ার ঝুঁকি কমাতে করণীয়: প্রতিদিন অন্তত ৩ থেকে ৪ লিটার পানি পান করতে হবে, যাতে প্রস্রাব পরিষ্কার থাকে। অতিরিক্ত লবণ ও অক্সালেটজাতীয় খাবার—যেমন পালং শাক, বিট, চকোলেট—কম খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। এছাড়া নিয়মিত লেবু-পানি পান করলে পানীয়তে থাকা সাইট্রেট কিডনিতে পাথর জমতে বাধা দেয়।

কখন ডাক্তার দেখাবেন: ব্যথা যদি অসহ্য হয়ে ওঠে, সোজা হয়ে বসা বা চলাফেরা কষ্টকর হয়, প্রস্রাবের সঙ্গে রক্ত বের হয় কিংবা প্রস্রাব বন্ধ হয়ে যায়—তাহলে দেরি না করে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে। আল্ট্রাসনোগ্রাফি, সিটি স্ক্যানসহ প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে চিকিৎসক কিডনির অবস্থা নির্ণয় করে যথাযথ চিকিৎসা প্রদান করবেন।

কেকে/এলএ


আরও সংবাদ   বিষয়:  কিডনি   পাথর   লাইফস্টাইল   
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

লাইফস্টাইল- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: kholakagojnews@gmail.com, kholakagojadvt@gmail.com

© 2025 Kholakagoj
🔝
close