মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬,
৩ ভাদ্র ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম: ধ্বংসস্তূপ থেকে দেশ পুনর্গঠনের প্রচেষ্টা      র‌্যাব বিলুপ্ত করে ‘এসআরবি’ গঠনের খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন      বদলাচ্ছে অর্থবছরের সময়কাল      এবার ওমানকে বোমা মেরে গুঁড়িয়ে দেওয়ার হুমকি ট্রাম্পের      ২৭৭ কর্মকর্তাকে উপসচিব পদে পদোন্নতি      মানবতাবিরোধী অপরাধ : ওবায়দুল কাদেরসহ শীর্ষ সাত নেতার রায় যে কোনো দিন      তারেক রহমানকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ যুবরাজের      
লাইফস্টাইল
কালো কিশমিশ কেন সাধারণ কিশমিশের চেয়ে বেশি উপকারী?
লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ৩:০১ পিএম
ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

সাম্প্রতিক সময়ে স্বাস্থ্যসচেতন মানুষের খাদ্যতালিকায় কালো কিশমিশের জনপ্রিয়তা বেড়েছে। অনেকেই সকালে খালি পেটে ভেজানো কালো কিশমিশ বা এর পানি পান করেন। 

পুষ্টিবিদদের মতে, সাধারণ বা সোনালি কিশমিশের তুলনায় কালো কিশমিশে কিছু উপকারী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বেশি থাকতে পারে। তবে এটিও মনে রাখা জরুরি, সব ধরনের কিশমিশেই প্রাকৃতিক চিনির পরিমাণ বেশি।

কালো কিশমিশ কেন বেশি উপকারী?

কালো কিশমিশের রং মূলত ব্যবহৃত আঙুরের জাত এবং শুকানোর পদ্ধতির ওপর নির্ভর করে। এতে থাকা কিছু পুষ্টি উপাদান শরীরের জন্য উপকারী হতে পারে।

আয়রনের ভালো উৎস

কালো কিশমিশে আয়রন ও বি-কমপ্লেক্স ভিটামিন থাকে, যা রক্তস্বল্পতা প্রতিরোধে সহায়ক হতে পারে এবং শরীরে শক্তি জোগাতে ভূমিকা রাখে।

অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ

এতে পলিফেনল ও অন্যান্য অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট তুলনামূলক বেশি থাকতে পারে, যা কোষকে অক্সিডেটিভ ক্ষতি থেকে রক্ষা করতে এবং প্রদাহ কমাতে সহায়তা করে।

হজমে সহায়ক

কালো কিশমিশে থাকা ডায়েটারি ফাইবার ও প্রিবায়োটিক উপাদান অন্ত্রের উপকারী ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি এবং হজম প্রক্রিয়া স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে।

ত্বক ও চুলের যত্নে ভূমিকা

অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও বিভিন্ন খনিজ উপাদান ত্বক ও চুলের সুস্থতা বজায় রাখতে সহায়ক হতে পারে।

কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে সাহায্য করে

ফাইবারসমৃদ্ধ হওয়ায় এটি মলত্যাগ স্বাভাবিক রাখতে এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা কমাতে সহায়তা করতে পারে।

ডায়াবেটিস রোগীরা কি কালো কিশমিশ খেতে পারবেন?

বিশেষজ্ঞদের মতে, কালো কিশমিশে অন্যান্য কিছু পুষ্টিগুণ বেশি থাকলেও এতে প্রাকৃতিক চিনির পরিমাণও যথেষ্ট বেশি। তাই ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য এটি নিয়মিত বা বেশি পরিমাণে খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয় না।

তবে যাদের রক্তে শর্করা ভালোভাবে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, তারা চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ অনুযায়ী অল্প পরিমাণে এবং মাঝে মাঝে কিশমিশ খেতে পারেন। একসঙ্গে বেশি খেলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা দ্রুত বেড়ে যেতে পারে।

সতর্কতা

কালো কিশমিশ স্বাস্থ্যকর খাবার হলেও এটি কোনো রোগের ওষুধ নয়। বিশেষ করে ডায়াবেটিস, স্থূলতা বা কিডনির সমস্যায় ভুগলে নিয়মিত খাদ্যতালিকায় যুক্ত করার আগে চিকিৎসক বা নিবন্ধিত পুষ্টিবিদের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

কেকে/ এমএস


আরও সংবাদ   বিষয়:  কালো কিশমিশ   উপকার   ডায়াবেটিস  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

লাইফস্টাইল- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: [email protected], [email protected]

© 2025 Kholakagoj
🔝
close