শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬,
২৩ কার্তিক ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬
শিরোনাম: ● ৭ নভেম্বরের বৈপ্লবিক চেতনাই হোক আগামীর প্রেরণা: প্রধানমন্ত্রী      ● দুর্নীতির অবসান ঘটিয়ে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির      ● ৭ নভেম্বর দেশের সব পোশাক কারখানায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা      ● সীমান্তের ওপার থেকে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা চলছে: প্রধানমন্ত্রী      ● মোংলায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী      ● হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার ইকবাল সোবহান, মুচলেকায় মুক্ত রাজীব ঘোষ      ● শ্রমিকদের ব্যবহার করে রাষ্ট্রবিরোধী অপচেষ্টা চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী      
লাইফস্টাইল
কালো কিশমিশ কেন সাধারণ কিশমিশের চেয়ে বেশি উপকারী?
লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ৩:০১ পিএম
ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

সাম্প্রতিক সময়ে স্বাস্থ্যসচেতন মানুষের খাদ্যতালিকায় কালো কিশমিশের জনপ্রিয়তা বেড়েছে। অনেকেই সকালে খালি পেটে ভেজানো কালো কিশমিশ বা এর পানি পান করেন। 

পুষ্টিবিদদের মতে, সাধারণ বা সোনালি কিশমিশের তুলনায় কালো কিশমিশে কিছু উপকারী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বেশি থাকতে পারে। তবে এটিও মনে রাখা জরুরি, সব ধরনের কিশমিশেই প্রাকৃতিক চিনির পরিমাণ বেশি।

কালো কিশমিশ কেন বেশি উপকারী?

কালো কিশমিশের রং মূলত ব্যবহৃত আঙুরের জাত এবং শুকানোর পদ্ধতির ওপর নির্ভর করে। এতে থাকা কিছু পুষ্টি উপাদান শরীরের জন্য উপকারী হতে পারে।

আয়রনের ভালো উৎস

কালো কিশমিশে আয়রন ও বি-কমপ্লেক্স ভিটামিন থাকে, যা রক্তস্বল্পতা প্রতিরোধে সহায়ক হতে পারে এবং শরীরে শক্তি জোগাতে ভূমিকা রাখে।

অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ

এতে পলিফেনল ও অন্যান্য অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট তুলনামূলক বেশি থাকতে পারে, যা কোষকে অক্সিডেটিভ ক্ষতি থেকে রক্ষা করতে এবং প্রদাহ কমাতে সহায়তা করে।

হজমে সহায়ক

কালো কিশমিশে থাকা ডায়েটারি ফাইবার ও প্রিবায়োটিক উপাদান অন্ত্রের উপকারী ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি এবং হজম প্রক্রিয়া স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে।

ত্বক ও চুলের যত্নে ভূমিকা

অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও বিভিন্ন খনিজ উপাদান ত্বক ও চুলের সুস্থতা বজায় রাখতে সহায়ক হতে পারে।

কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে সাহায্য করে

ফাইবারসমৃদ্ধ হওয়ায় এটি মলত্যাগ স্বাভাবিক রাখতে এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা কমাতে সহায়তা করতে পারে।

ডায়াবেটিস রোগীরা কি কালো কিশমিশ খেতে পারবেন?

বিশেষজ্ঞদের মতে, কালো কিশমিশে অন্যান্য কিছু পুষ্টিগুণ বেশি থাকলেও এতে প্রাকৃতিক চিনির পরিমাণও যথেষ্ট বেশি। তাই ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য এটি নিয়মিত বা বেশি পরিমাণে খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয় না।

তবে যাদের রক্তে শর্করা ভালোভাবে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, তারা চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ অনুযায়ী অল্প পরিমাণে এবং মাঝে মাঝে কিশমিশ খেতে পারেন। একসঙ্গে বেশি খেলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা দ্রুত বেড়ে যেতে পারে।

সতর্কতা

কালো কিশমিশ স্বাস্থ্যকর খাবার হলেও এটি কোনো রোগের ওষুধ নয়। বিশেষ করে ডায়াবেটিস, স্থূলতা বা কিডনির সমস্যায় ভুগলে নিয়মিত খাদ্যতালিকায় যুক্ত করার আগে চিকিৎসক বা নিবন্ধিত পুষ্টিবিদের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

কেকে/ এমএস


আরও সংবাদ   বিষয়:  কালো কিশমিশ   উপকার   ডায়াবেটিস  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

লাইফস্টাইল- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: [email protected], [email protected]

© 2025 Kholakagoj
🔝
close