আইনশৃঙ্খলা বিষয়ে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির আইন বিষয়ক সম্পাদক ও নেত্রকোনা-১ (দুর্গাপুর-কলমাকান্দা) আসনে ধানের শীষের মনোনীত প্রার্থী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেছেন, “যতটুকু জানি যে- যৌথবাহিনীর অভিযান হওয়ার কথা। আমাদের এই অঞ্চল সীমান্তবর্তী হওয়ায়, এখানে মাদকের প্রচুর ব্যবহার এবং মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকসেবী আছে। আমাদের দলের পক্ষ থেকে মাদক এবং কিশোরগ্যাংয়ের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষনা করা হয়েছে। দুর্ভাগ্যবশত, এখন পর্যন্ত যে লেভেলের মাদকসেবী ও মাদকব্যবসায়ী আছে, সে রকম পর্যন্ত গ্রেফতার হয়নি।”
গতকাল বিকেলে নেত্রকোনার কলমাকান্দা সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ব্যবসায়ীবৃন্দের আয়োজনে বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, “আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে বিনয়ের সাথে অনুরোধ করবো, নির্বাচনের পরিবেশকে সুন্দর রাখা এবং সুন্দর একটা পরিবেশ তৈরির জন্য, যারা মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকসেবী আছে এবং যারা কিশোর গ্যাংয়ের হোতা বা নেতৃত্ব দিচ্ছে, তাদেরকে অনতিবিলম্বে আইনের আওতায় আনার।”
কায়সার কামাল বলেন, “আমাদের এই অঞ্চলটা হচ্ছে সীমান্তবর্তী অঞ্চল। এই অঞ্চলে অবাধে মাদক বেচাকেনা, মাদক সেবন ও চোরাচালান হচ্ছে। এসবের সাথের যারা জড়িত তাদেরকে আইনের আওতায় না আনা পর্যন্ত এই অঞ্চলের মানুষ নিজেদেরকে নিরাপদ ভাববে না। অতএব, মানুষকে নিরাপত্তা বিধান করা দায়িত্ব রাষ্ট্রের। রাষ্ট্রের দায়িত্ব তাদেরকে আইনের আওতায় আনা।”
তিনি আরও বলেন, “অধীর আগ্রহে মানুষজন অপেক্ষা করছে বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে ভাল নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আমরা সেই প্রত্যাশাতে আছি। ইনশাল্লাহ—যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া এবং আইন বিধান অনুসরণ করে সার্বিকভাবে বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হয়, সেটার জন্য আমরা অপেক্ষা করছি।”
এ সময় উপস্থিত ছিলেন হাফেজ সবুজ, আ. মালেক, তোফাজ্জল হোসেন, ব্যাবসায়ী মালিক সমিতির সভাপতি এম আলমগীর তালুকদার, সদস্য সচিব সেলিম রেজা, ব্যাবসায়ী মালিক সমিতির সাবেক সভাপতি জহিরুল ইসলাম মোস্তফা, ব্যাবসায়ী আব্দুস ছালাম কেরন, রহুল আমিন প্রমুখ।
কেকে/ আরআই