সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬,
২৯ আষাঢ় ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম: সিলেট-সুনামগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতির শঙ্কা      বন্যার কবলে সাত জেলা : নিহত ৫৪, ছয় লাখের বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত      আদ-দ্বীন হাসপাতালের বিষয়ে পরিদর্শনের পর সিদ্ধান্ত : স্বাস্থ্যমন্ত্রী      ৪১৬ বছরপূর্তিতে বর্ণিল ‘ঢাকা উৎসব’, উদ্বোধনে প্রধানমন্ত্রী      ১৫ জুলাই সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণের নির্দেশ      সারা দেশে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেবে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী      আগামী ৫ বছরে দেশে ২৫ কোটি গাছ লাগানো হবে: প্রধানমন্ত্রী      
দেশজুড়ে
মুরাদনগরে সরকারি অর্থের লোভে ভোট চাওয়ার অভিযোগ
কুমিল্লা প্রতিনিধি
প্রকাশ: শনিবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:৫৩ পিএম
ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

কুমিল্লার মুরাদনগরে সরকারি প্রকল্পের অর্থ ‘দিয়ে ও দেওয়া হবে’—এমন প্রলোভন দেখিয়ে ভোট চাওয়ার অভিযোগ উঠেছে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর অনুসারীদের বিরুদ্ধে। পাশাপাশি আগে পাওয়া সরকারি প্রকল্পের অর্থ নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যয় করা হবে বলেও অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।

শনিবার (১৭ জানুয়ারি) বিকেলে মুরাদনগরের অন্তত ২০ জন সাধারণ মানুষ এসব অভিযোগ করেন।

তারা জানান, আসিফ মাহমুদ উপদেষ্টা হওয়ার পর থেকে তার নিজ এলাকা মুরাদনগরের বাঙ্গরা বাজার থানার আকুবপুর, নবীপুর ও বাঙ্গরা গ্রামে অন্তত দুটি সরকারি প্রকল্পের আওতায় প্রায় ৬০০ পরিবারকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এর মধ্যে দুগ্ধ প্রকল্পে ১০০ জন এবং মডেল গ্রাম প্রকল্পে ৫০০ জন সুবিধা পাওয়ার কথা রয়েছে।

অভিযোগকারীরা বলেন, আগে গুঞ্জন ছিল আসিফ মাহমুদ নির্বাচনে অংশ নিলে এসব প্রকল্পের অর্থ ব্যয় করে তার পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণা চালানো হবে। তবে তিনি নির্বাচনে অংশ না নেওয়ায় একই জোটের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর পক্ষে এসব সরকারি সুযোগ–সুবিধা ব্যবহার করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

মুরাদনগর উপজেলা সমবায় কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, অভিযোগের প্রেক্ষিতে বর্তমানে প্রকল্পগুলোর কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। নির্বাচন শেষ না হওয়া পর্যন্ত প্রকল্প বন্ধ রাখতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা একটি চিঠি দিয়েছেন। এর আগে দুগ্ধ প্রকল্পের আওতায় অন্তত ৫০ জনকে ২ লাখ টাকা করে দেওয়া হয়েছে। বাকি ৫০ জনও একই পরিমাণ অর্থ পাওয়ার কথা ছিল। এই অর্থ এক বছর পর থেকে ৩১ কিস্তিতে পরিশোধ করার নিয়ম রয়েছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে আকুবপুর গ্রামের অন্তত ছয়জন বাসিন্দা জানান, আকুবপুর, নবীপুর ও বাঙ্গরা গ্রামের মানুষকে প্রকল্পের আওতায় আনা হয়েছে। এসব সুবিধা পাবেন তিন গ্রামের প্রায় ৬০০ জন। তাদের অভিযোগ, কিছু সুবিধাভোগীকে দিয়ে পার্শ্ববর্তী কয়েকটি গ্রামের মানুষকেও সরকারি সুবিধার লোভ দেখানো হচ্ছে।

এদিকে মডেল গ্রাম প্রকল্পটির নিবন্ধন কার্যক্রম চলছিল। তবে অভিযোগ পাওয়ার পর সেটিও বন্ধ রাখা হয়েছে।

মুরাদনগর উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা মোশারফ হোসেন ভূঁঞা বলেন, “মডেল গ্রাম প্রকল্পের নিবন্ধন কার্যক্রম চলছিল। এরই মধ্যে আমাদের কাছে কয়েকটি অভিযোগ আসে। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আমাদের এ কাজটি বন্ধ রাখতে বলেন। তিনি নির্দেশ দিয়েছেন, নিবন্ধনের কাজ নির্বাচন শেষ হওয়ার পর করতে।”

এ বিষয়ে কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর) আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী ইউসুফ সোহেলের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

মুরাদনগর উপজেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুর বলেন, “মডেল গ্রাম প্রকল্পটি আমার কাছে যাচাইয়ের জন্য এসেছে। নির্বাচনের সময় কিছু বিধিনিষেধ থাকায় প্রকল্পটির কার্যক্রম নির্বাচন শেষ হওয়ার পর করতে বলেছি।”

কেকে/ আরআই


আরও সংবাদ   বিষয়:  মুরাদনগর   অভিযোগ  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

দেশজুড়ে- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: [email protected], [email protected]

© 2025 Kholakagoj
🔝
close