পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার নোমান নামের এক যুবক ঢাকার একটি ভাড়া বাসায় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।
গতকাল দিবাগত রাতে তিনি তার রুমের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। নিহত নোমান উপজেলার বহরমপুর ইউনিয়নের আদমপুর গ্রামের বাসিন্দা মো. মজিবর দফাদারের ছেলে।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, নোমান ও তার স্ত্রী মাহমুদা ঢাকার সিদ্ধিকগঞ্জ থানার চেয়ারম্যান অফিসের পাশে কাইযুম নামের এক বাড়ি মালিকের বাসায় ভাড়া থাকতেন। গতকাল দিবাগত রাতে তিনি তার রুমের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন।
নিহতের স্ত্রী মাহমুদা জানান, ডিউটি শেষ করে রাতে বাসায় এসে খাবার খেয়ে দুজনই শুয়ে পরি। সকালে ফজরের আযানের শব্দ কানে আসলে নোমানকে পাশে দেখতে না পেয়ে পাশের রুমে যাই। গিয়ে দেখি ফ্যানের সাথে মরদেহ ঝুলে আছে। আমি চিৎকার করি এবং বাড়ির মালিক আসে। পরে আমার ভাসুর সোহাগকে ফোন করলে তিনিও আসে। পরে পুলিশ নোমানকে ঝুলন্ত অবস্থা থেকে নামিয়ে থানায় নিয়ে আসে।
মাহমুদা আরও জানান, আমাদের ১৭ মাসের দাম্পত্য সময়কালে কোন ঝগড়া বা মন-মানিল্য হয়নি। কি করনে এমন করল বুজতে পারছিনা।
নোমানের ভাই সোহাগ জানান, সকালে ফজরের আযানের পরপরই নেমানের স্ত্রী আমাকে ফোন করে জানান। আমি দ্রুত ঘটনাস্থলে যাই এবং থানায় ফোন করি। পরে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায়। আমি মর্গের সামনে আছি। থানা থেকে মরদেহ দেওয়ার পর বাড়ি নিয়ে আসবো।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. গোলাম মোস্তফা জানান, ঘটনার বিষয়ে শুনে পুলিশ পাঠিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়। মরদেহ প্রাথমিক সুরাতহাল করা হয়েছে। থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা রুজু করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে মরদেহ দেওয়া হবে।
কেকে/ আরআই