কুড়িগ্রামে গৃহবধুকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় প্রধান আসামি এরশাদ আলীকে গাজীপুর থেকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১।
গ্রেফতারকৃত এরশাদ আলী (৩৩) কুড়িগ্রাম জেলার মৃত আবুল হোসেনের ছেলে।
র্যাব-১ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া অফিসার) ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রাকিব হাসান জানান, আসামি এরশাদ আলী নিহত ভিকটিম শাহিদা খাতুন (২৮)-এর প্রতিবেশী ছিলেন। সেই সুবাদে তিনি ভিকটিমের ছোট বোন শাহানাজ বেগম (১৮)-কে অর্থের বিনিময়ে কুপ্রস্তাব দেন।
বিষয়টি জানাজানি হলে নিহতের স্বামী আজিজুল ইসলাম স্থানীয়দের অবহিত করেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে আসামি এরশাদ আলী পারিবারিক সুনাম ক্ষুণ্ণ হওয়ার অভিযোগ তুলে আজিজুল ইসলামকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি দিতে থাকেন।
এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৪ জানুয়ারি আজিজুল ইসলাম ব্যবসায়িক কাজে বাড়ির বাইরে থাকাকালে শাহিদা খাতুন কুড়িগ্রাম জেলার পানিরচর মাঝিখালী গ্রামে নিজ বসতবাড়ির পাশে টিউবওয়েল পাড়ে ভাতের চাল ধোয়ার সময় এরশাদ আলী আরও ১২–১৩ জন সহযোগীর সহায়তায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার গলা কেটে হত্যা করে এবং দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
ঘটনার পর পুলিশ নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে ময়নাতদন্তের জন্য কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে পাঠায়।
এ ঘটনায় গত ১৬ জানুয়ারি নিহতের পিতা সাইফুর রহমান (৫৫) বাদী হয়ে কুড়িগ্রাম জেলার কচাকাটা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
র্যাব জানায়, রোববার (১৭ জানুয়ারি) রাত আনুমানিক ১০টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায় যে, আসামি এরশাদ আলী গাজীপুরের গাছা থানা দৌলতপুর এলাকায় আত্মগোপনে রয়েছে। পরে র্যাব-১ গাজীপুরের একটি আভিযানিক দল বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃত আসামিকে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) বাসন থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
কেকে/এলএ