মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬,
৯ আষাঢ় ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
শিরোনাম: হামে প্রাণ গেল আরও তিন শিশুর, মোট মৃত্যু ৬৮৬      একযোগে ১৭ ডেপুটি-সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের পদত্যাগ      বিকল লঞ্চ থেকে ৯৯৯-এ ফোন, ৮০ যাত্রী উদ্ধার      সেপ্টেম্বর থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হতে পারে: ডা. জাহেদ      সালমান শাহর লাশ উত্তোলনের আদেশ বাতিল      সুশাসন ও সংস্কার ছাড়া বাজেট বাস্তবায়ন কঠিন      দেশজুড়ে কঠোর সতর্কতা      
খোলাকাগজ স্পেশাল
স্থবির অর্থনীতিতে প্রাণ ফেরাবে নির্বাচন
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশ: বুধবার, ২১ জানুয়ারি, ২০২৬, ১:০৫ এএম আপডেট: ২১.০১.২০২৬ ১:১২ এএম
ছবি: খোলা কাগজ

ছবি: খোলা কাগজ

বাংলাদেশ বর্তমানে একযোগে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ রূপান্তরের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে- রাজনৈতিক পরিবর্তন, সামষ্টিক অর্থনৈতিক সমন্বয় এবং এলডিসি থেকে উত্তরণ। এই সময়োপযোগী পরিবর্তনগুলো দেশের অর্থনীতি, বিনিয়োগের সম্ভাবনা ও রপ্তানি খাতের ভবিষ্যৎকে সরাসরি প্রভাবিত করবে। স্থিতিশীল ও জবাবদিহিমূলক সরকার গঠন ছাড়া দেশীয় অর্থনীতি ও পুঁজিবাজারের দীর্ঘমেয়াদি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা কঠিন হবে।

রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফেরানো, সংস্কার প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া এবং আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশকে আরও প্রতিযোগিতামূলক করা- এই বিষয়গুলো আগামী নির্বাচনের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে। এ ছাড়া সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন হলে দেশের অর্থনীতিতে নতুন প্রাণ ফিরে আসবে, বিনিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধি পাবে এবং পুঁজিবাজার সচল হয়ে দেশের আর্থিক কাঠামোকে শক্তিশালী করবে।

রাজধানীর একটি হোটেলে গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় নির্বাচনের পর বাংলাদেশের অর্থনীতি, রাজনৈতিক বাস্তবতা ও পুঁজিবাজারের সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে এক আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। আলোচনা সভার আয়োজন করে ব্র্যাক ইপিএল স্টক ব্রোকারেজ লিমিটেড। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন র‌্যাপিড-এর চেয়ারম্যান অর্থনীতিবিদ ড. এমএ রাজ্জাক। 

ছবি : খোলা কাগজ

ছবি : খোলা কাগজ


ড. এমএ রাজ্জাক বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে একযোগে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ রূপান্তরের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। প্রথম রূপান্তরটি হচ্ছে- রাজনৈতিক পরিবর্তন, যেখানে ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচন বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। এই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে রাজনৈতিক ও নীতিগত স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার প্রত্যাশা করা হচ্ছে, যা বিনিয়োগ ও সংস্কার প্রক্রিয়ার জন্য অত্যন্ত জরুরি।

দ্বিতীয় রূপান্তরটি হলো- সামষ্টিক অর্থনৈতিক সমন্বয়। আগের রাজনৈতিক সরকারের পতনের আগেই বাংলাদেশের অর্থনীতি চাপের মুখে পড়ে। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ, মূল্যস্ফীতি ও আর্থিক খাতের দুর্বলতার কারণে সরকারকে আইএমএফ কর্মসূচিতে যেতে হয়। এই সমন্বয় প্রক্রিয়া এখনো চলমান এবং রাজনৈতিক পরিবর্তনের সঙ্গে মিলিত হয়ে এটি আরও সংবেদনশীল হয়ে উঠেছে।

তৃতীয় এবং সবচেয়ে বড় রূপান্তরটি আসছে ২০২৬ সালের ২৪ নভেম্বর, যখন বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে এলডিসি থেকে উত্তরণ ঘটাবে। এর ফলে দীর্ঘদিন ধরে পাওয়া বিভিন্ন নীতিগত ও বাণিজ্যিক সুবিধা ধীরে ধীরে প্রত্যাহার হয়ে যাবে, যা রপ্তানি ও শিল্প খাতে নতুন চাপ তৈরি করতে পারে।

এই তিন রূপান্তরের পাশাপাশি বৈশ্বিক অর্থনীতিও এখন অস্থির। ভূরাজনৈতিক প্রতিযোগিতা, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ব্যবস্থার পরিবর্তন এবং নীতিগত অনিশ্চয়তা বিশ্ব অর্থনীতির জন্য নতুন উদ্বেগ তৈরি করছে। ফলে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রূপান্তরগুলো ঘটছে একটি জটিল বৈশ্বিক বাস্তবতার মধ্যে। বাংলাদেশ যদি এই তিন রূপান্তর দক্ষতার সঙ্গে সামাল দিতে পারে, তাহলে বর্তমান চাপ কাটিয়ে দেশ আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাতে পারে।

তিনি বলেন, এলডিসি উত্তরণের পর বাংলাদেশ আর রপ্তানি ভর্তুকি দিতে পারবে না, আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী মেধাস্বত্ব আইন কার্যকর করতে হবে এবং ওষুধ শিল্পে ট্রিপস সুবিধা ধীরে ধীরে উঠে যাবে। এসব কারণে কিছু খাতে চাপ তৈরি হতে পারে। স্বল্প ও মধ্যমেয়াদে বড় কোনো ধাক্কার আশঙ্কা না থাকলেও দীর্ঘমেয়াদে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়ানোই হবে মূল চ্যালেঞ্জ। বিশেষ করে শিল্প খাতের ভ্যালু চেইন উন্নয়ন, ম্যান-মেড ফাইবারভিত্তিক পোশাকে ঝোঁক, রপ্তানি বৈচিত্র্য এবং মান ও কমপ্লায়েন্স নিশ্চিত করা জরুরি।

অর্থনীতিবিদ ড. এমএ রাজ্জাক বলেন, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও গণতান্ত্রিক জবাবদিহিতা ছাড়া কঠিন সংস্কার বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার অভিজ্ঞতাও দেখিয়েছে, রাজনৈতিক বিশ্বাসযোগ্যতা ছাড়া নীতিগত পরিবর্তন টেকসই হয় না। এ কারণে আসন্ন নির্বাচনের মাধ্যমে একটি রাজনৈতিকভাবে বৈধ সরকার গঠনের বিষয়টি বিনিয়োগকারীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একটি স্থিতিশীল সরকার নীতিগত সংস্কার এগিয়ে নিতে পারলে তা দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়াবে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, দেশের অর্থনৈতিক সংকট ও পুঁজিবাজারের অচলাবস্থার মূল কারণ হলো জবাবদিহির অভাব। জনগণের কাছে দায়বদ্ধ নির্বাচিত সরকার ছাড়া এসব সমস্যা সমাধান সম্ভব নয়। 

তিনি বলেন, গত ১৬-১৭ বছর ধরে দেশের মানুষ প্রকৃত অর্থে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেনি। এখন দেশের সবচেয়ে বড় প্রত্যাশা হলো একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন, যাতে নাগরিকরা সংসদে নিজেদের প্রকৃত প্রতিনিধিকে নির্বাচিত করতে পারে।

আমির খসরু বলেন, একটি নির্বাচিত সরকারই কেবল জনগণের কাছে জবাবদিহিমূলক হয় এবং এই জবাবদিহির মাধ্যমেই অর্থনীতি ও আর্থিক খাতের কাঠামোগত সমস্যাগুলোর সমাধান সম্ভব। 

পুঁজিবাজার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দেশে পুঁজিবাজার নিয়ে প্রত্যাশা এখন ‘আকাশচুম্বী’। দীর্ঘ এক দশকের বেশি সময় ধরে বাজারের অংশীজনরা কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেননি। অথচ একটি শক্তিশালী ও কার্যকর পুঁজিবাজার ছাড়া টেকসই অর্থনীতি গড়ে তোলা সম্ভব নয়।

তিনি বলেন, আমি বিস্মিত হই- বাংলাদেশের অর্থনীতি এতদূর এগিয়েছে, অথচ পুঁজিবাজার কার্যত অকার্যকর। বাস্তবে সব ধরনের অর্থায়ন গিয়ে পড়েছে ব্যাংকনির্ভর ব্যবস্থার ওপর।

ব্যাংকিং খাত নিয়ে তিনি বলেন, স্বল্পমেয়াদি আমানতের বিপরীতে দীর্ঘমেয়াদি ঋণ দেওয়ায় ব্যাংকিং ব্যবস্থায় মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। পুঁজিবাজার সচল না থাকায় অনেকেই বেপরোয়া ঋণ নিয়েছে, যার একটি অংশ শিল্পে বিনিয়োগ হলেও বড় একটি অংশ বিদেশে পাচার হয়েছে। এর ফলেই আজ পুরো আর্থিক খাত চরম সংকটে।

আঞ্চলিক তুলনা তুলে ধরে আমির খসরু বলেন, ভারতে পুঁজিবাজারের বাজার মূলধন জিডিপির প্রায় ৬০ শতাংশ, পাকিস্তানে প্রায় ৪০ শতাংশ হলেও বাংলাদেশে এই অনুপাত ১০ শতাংশেরও কম। একটি কার্যকর পুঁজিবাজার ছাড়া অর্থনীতি এতদূর এগিয়ে এসেছে- এটা যেমন বিস্ময়কর, তেমনি ঝুঁকিপূর্ণও। 

তিনি আরও বলেন, পুঁজিবাজার কেবল বেসরকারি খাতের অর্থায়নের মাধ্যম নয়; সরকারও এখান থেকে অর্থ সংগ্রহ করতে পারে। অনেক দেশে সিটি করপোরেশন ও পৌরসভা বন্ড ইস্যু করে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করে। বাংলাদেশ সরকারও রেলওয়ে, বিমান ক্রয় কিংবা বড় অবকাঠামো প্রকল্পে পুঁজিবাজার ব্যবহার করতে পারত।

তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত হবে এবং জনগণ ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবে। নির্বাচনের মাধ্যমে একটি দায়বদ্ধ সরকার গঠিত হলে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরে আসবে। 

সংস্কার প্রসঙ্গে আমির খসরু বলেন, এলডিসি উত্তরণকে সামনে রেখে বাংলাদেশকে দ্রুত ডিরেগুলেশন, লিবারালাইজেশন এবং ব্যবসা সহজীকরণের পথে যেতে হবে। ব্যবসার উচ্চ খরচ ও অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রণ না কমাতে পারলে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা কঠিন হবে।

সিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাশরুর আরেফিন বলেন, দেশের অর্থনীতি ও পুঁজিবাজারের উন্নয়নের জন্য রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও নির্বাচনের সুষ্ঠু কার্যক্রম অপরিহার্য। সেই সব নাগরিক যারা দীর্ঘদিন ভোট দিতে পারেননি, তারা এবার ভোটাধিকার ব্যবহার করতে পারুক এবং তাদের প্রতিনিধি নির্বাচন করতে পারুক।

তিনি আরও বলেন, একজন নির্বাচিত সরকার থাকলে সে নাগরিকদের কাছে দায়বদ্ধ থাকবে। আর দায়বদ্ধতার মাধ্যমে আমাদের আলোচনায় থাকা অনেক সমস্যার সমাধান সম্ভব। সমস্যার মূল কারণ হলো দায়বদ্ধতার অভাব। তাই আমাদের প্রত্যাশা হচ্ছে, নির্বাচন হবে সুষ্ঠু, অবাধ এবং গ্রহণযোগ্য।

পুঁজিবাজারের অবস্থার উপর আলোকপাত করে তিনি বলেন, সবাই দেখছে পুঁজিবাজার কার্যকর হচ্ছে না। ব্যাংকগুলোতে ঋণ ও তহবিলের সঠিক ব্যবহার হচ্ছে না। অনেক ক্ষেত্রে ঋণ শুধু ব্যাংক থেকে ব্যাংকে ঘুরছে, শিল্প বা ব্যবসায় বিনিয়োগ হচ্ছে না। এই পরিস্থিতি বিনিয়োগকারীদের আস্থা কমিয়েছে। তাই পুঁজিবাজারের কার্যকারিতা নিশ্চিত করা খুবই জরুরি।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে পুঁজিবাজারের বাজারপুঁজির হার জিডিপির সাথে তুলনা করলে খুবই কম, মাত্র ৫-৬ শতাংশ। ভারত বা পাকিস্তানে এটি যথাক্রমে ৬০ শতাংশ এবং ৪০ শতাংশ। অথচ অর্থনীতি এতদূর এগিয়েছে। আমাদের অবশ্যই ভবিষ্যতে পুঁজিবাজারকে শক্তিশালী করতে হবে, শুধু কর্পোরেট ঋণ নয়, সরকারও এই বাজার থেকে তহবিল সংগ্রহ করতে পারবে। 

বিনিয়োগ ও আন্তর্জাতিক সংযোগ প্রসঙ্গে মাশরুর আরেফিন বলেন, বিশ্বব্যাপী বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশকে গুরুত্ব সহকারে দেখছেন। তারা বিনিয়োগ করতে আগ্রহী, কিন্তু নির্বাচনের ফলাফলের অপেক্ষায় রয়েছেন। ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন সফলভাবে অনুষ্ঠিত হলে বিনিয়োগ দ্রুত বৃদ্ধি পাবে।

তিনি নির্বাচনের গুরুত্ব আরও ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন, দায়বদ্ধ সরকার গঠিত হলে, পুঁজিবাজার ও ব্যাংকিং খাতে সংস্কার কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন সম্ভব হবে। এছাড়া ব্যাংকিং সিস্টেমে থাকা বিপুল পরিমাণ অব্যবহৃত অর্থ সিস্টেমে আসতে পারবে, যা অর্থনীতিকে আরও প্রাণবন্ত করবে।

অনুষ্ঠানে প্যানেল আলোচনায় দেশের অর্থনীতি, রাজনীতি ও আর্থিক খাতের শীর্ষস্থানীয় নীতিনির্ধারক, অর্থনীতিবিদ ও খাতসংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা অংশ নেন। সরাসরি আলোচনায় আরো অংশ নেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সিনিয়র নেতা ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আতীকুর রহমান, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের কমিশনার মো. সাইফুদ্দিন। পাশাপাশি ভার্চুয়াল প্যানেলে যুক্ত হন প্রাভা হেলথের প্রতিষ্ঠাতা ও বোর্ড চেয়ার সিলভানা কাদের সিনহা, টুন্ড্রা ফন্ডারের প্রধান বিনিয়োগ কর্মকর্তা ম্যাটিয়াস মার্টিনসন এবং কনটেক্সচুয়াল ইনভেস্টমেন্ট এলএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক তাকাও হিরোসে। 

আলোচনায় অন্যান্য বক্তারাও নির্বাচন-পরবর্তী অর্থনৈতিক অগ্রাধিকার, নিয়ন্ত্রক কাঠামোর দৃষ্টিভঙ্গি, ব্যাংকিং খাতের বাস্তবতা, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থা ধরে রাখতে প্রয়োজনীয় পুঁজিবাজার সংস্কারের বিষয়গুলো গুরুত্ব দেন। সমাপনী বক্তব্য ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ব্র্যাক ইপিএল স্টক ব্রোকারেজ লিমিটেডের চেয়ারপারসন ফাহিমা চৌধুরী। 

কেকে/এমএ


আরও সংবাদ   বিষয়:  স্থবির অর্থনীতি   প্রাণ   নির্বাচন  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

খোলাকাগজ স্পেশাল- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: kholakagojnews@gmail.com, kholakagojadvt@gmail.com

© 2025 Kholakagoj
🔝
close