ঢাকা-১৭ সংসদীয় আসনে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ১১০ সদস্যবিশিষ্ট একটি নির্বাচনী কমিটি গঠন করেছে। কমিটিতে সাবেক ছয়জন সেনা কর্মকর্তা ও সাবেক আমলাসহ বিভিন্ন পেশার প্রতিনিধিরা রয়েছেন।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) গুলশান-১ এলাকায় জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ডা. এসএম খালিদুজ্জামানের প্রধান নির্বাচনী কার্যালয়ে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভা ও ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানে এ কমিটির ঘোষণা দেওয়া হয়। একই অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে আগামী নির্বাচনের জন্য দলের ইশতেহারও প্রকাশ করা হয়।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ছাড়াও এনসিপি, এলডিপি, খেলাফত মজলিস, জাগপাসহ ১০ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তারা সম্মিলিতভাবে দাড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ডা. এসএম খালিদুজ্জামানকে বিজয়ী করতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
ইশতেহার ঘোষণাকালে ডা. এসএম খালিদুজ্জামান বলেন, নির্বাচিত হলে তিনি ঢাকা-১৭ আসনকে একটি পরিকল্পিত ও আধুনিক জনপদে রূপান্তর করবেন। জনগণের বাস্তব চাহিদাকে গুরুত্ব দিয়েই তাদের ইশতেহার প্রণয়ন করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
তিনি বলেন, “আমরা গতানুগতিক কোনো ইশতেহার দিইনি। সরকারি সব সেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়াই আমাদের মূল লক্ষ্য।”
ডা. খালিদুজ্জামান আরও বলেন, কড়াইল, ভাষানটেক ও সাততলা বস্তির অবকাঠামোগত উন্নয়ন, রাস্তা প্রশস্তকরণ এবং জরুরি সেবা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে, যাতে অ্যাম্বুলেন্স ও ফায়ার সার্ভিসের যানবাহন দ্রুত চলাচল করতে পারে। পাশাপাশি শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়ন এবং যুবকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে ফ্রিল্যান্সিং সেন্টার ও কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।
নারী, শিশু ও প্রবীণদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে একটি নিরাপদ ঢাকা-১৭ গড়ে তোলার অঙ্গীকার করে তিনি বলেন, নারীদের কর্মক্ষেত্রে মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে এবং সামাজিক সুরক্ষা কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে জামায়াতের এই প্রার্থী বলেন, “আমরা কাউকে প্রতিপক্ষ মনে করি না। উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচন করতে চাই। দাড়িপাল্লার পক্ষে মানুষের সাড়া ব্যাপক। ইনশাআল্লাহ জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে আমরা সংসদে পৌঁছাতে পারব।”
কেকে/ আরআই