আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে সাত জেলায় নির্বাচনী সমাবেশে অংশ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এসব সমাবেশে ধানের শীষের পাশাপাশি বিএনপির সঙ্গে আসন সমঝোতা হওয়া প্রার্থীদের পক্ষেও ভোট চান তিনি।
একইসঙ্গে এসব নির্বাচনী সমাবেশে আগামী দিনে বিএনপি সরকার গঠন করতে পারলে সারাদেশে খাল খনন, ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, বেকারদের প্রশিক্ষণ দিয়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং ইমাম-মুয়াজ্জিমদের সম্মানি ভাতা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন তারেক রহমান। এসব জনসমাবেশ শেষে শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) ভোরে ঢাকায় ফিরলেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) নির্বাচনী প্রচারের প্রথম দিন সিলেট থেকে সমাবেশ শুরু করেন তিনি। ওই দিন বেলা ১২টায় সিলেট আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে প্রথম নির্বাচনী সমাবেশে বক্তব্য রাখেন তারেক রহমান। সর্বশেষ নরসিংদীর সমাবেশে বক্তব্য দিয়ে রাত ৪টার কিছু সময় পর তিনি ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন।
এরপর বেলা ৩টায় মৌলভীবাজার, সন্ধ্যা সোয়া ৬টায় হবিগঞ্জ, রাত সাড়ে ১০টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল, রাত সোয়া ১২টায় কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলায় বক্তব্য দেন তিনি।
এরপর রাত ৩টায় নরসিংদীর পৌর পার্কসংলগ্ন মাঠে পৌঁছান তারেক রহমান। সেখান থেকে রাত ৪টা ১৬ মিনিটের দিকে নারায়ণগঞ্জের একটি মাঠে প্রথম দিনের শেষ নির্বাচনী সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বিএনপির চেয়ারম্যান। এরপর সেখান থেকে তিনি ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন।
শেষ কয়েকটি নির্বাচনী সমাবেশে ভোর রাত পর্যন্ত নেতাকর্মীদের অপেক্ষা করিয়ে রাখার জন্য দুঃখ প্রকাশ করতেও দেখা যায় তারেক রহমানকে।
বিএনপির মিডিয়া সেলের অন্যতম সদস্য শায়রুল কবির খান রাত সোয়া ৪টায় জানান, নির্বাচনী প্রচারণার প্রথম দিনে ১৬ ঘণ্টায় সাতটি সমাবেশ শেষ করে গভীর রাতে গুলশানের বাসায় ফিরেছেন তারেক রহমান।
তিনি আরও বলেন, নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলার রূপগঞ্জের গাউসিয়ায় শেষ নির্বাচনী সমাবেশটি করেন তারেক রহমান রাত ৪টার কিছু সময় পরে। সমাবেশ শেষ হওয়ার পর বিএনপি চেয়ারম্যান বাসার উদ্দেশে রওনা হন।
সিলেট থেকে টানা ১৬ ঘণ্টা সফর করেন তারেক রহমান। পথে পথে অনুষ্ঠিত জনসমাবেশগুলোতে গভীর রাত পর্যন্ত বিপুল মানুষের উপস্থিতি দেখা যায়।
বিএনপির মিডিয়া সেলের পক্ষ থেকে জানানো হয়, শুক্রবার নিজ নির্বাচনী এলাকা ঢাকা-১৭-এর ভাসানটেকের বিআরবি ময়দানে নির্বাচনী সমাবেশে বক্তব্য রাখবেন তারেক রহমান।
কেকে/এজে