মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬,
৯ আষাঢ় ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
শিরোনাম: হামে প্রাণ গেল আরও তিন শিশুর, মোট মৃত্যু ৬৮৬      একযোগে ১৭ ডেপুটি-সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের পদত্যাগ      বিকল লঞ্চ থেকে ৯৯৯-এ ফোন, ৮০ যাত্রী উদ্ধার      সেপ্টেম্বর থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হতে পারে: ডা. জাহেদ      সালমান শাহর লাশ উত্তোলনের আদেশ বাতিল      সুশাসন ও সংস্কার ছাড়া বাজেট বাস্তবায়ন কঠিন      দেশজুড়ে কঠোর সতর্কতা      
দেশজুড়ে
কাশিয়ানীতে ভোটের মাঠে কঠোর সেনা নজরদারি
কাশিয়ানী (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি
প্রকাশ: শনিবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ৯:৪৯ পিএম
ছবি: প্রতিনিধি

ছবি: প্রতিনিধি

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে যেকোনো ধরনের সহিংসতা, নাশকতা ও নির্বাচনী অনিয়ম ঠেকাতে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসনের সমন্বয়ে গড়ে তোলা হয়েছে বহুমাত্রিক ও কঠোর নিরাপত্তা বলয়। নির্বাচনী পরিবেশ বিনষ্টের চেষ্টা করলে ব্যক্তি বা গোষ্ঠী—কারও প্রতিই ছাড় না দেওয়ার স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে যৌথ বাহিনী।

উপজেলার একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় গত কয়েক দিন ধরে সেনাবাহিনীর পরিকল্পিত ও পেশাদার কম্বিং অপারেশন চলছে। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত এসব অভিযানে সন্দেহভাজনদের গতিবিধি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ টহল কার্যক্রম জোরদার করায় পুরো উপজেলাজুড়ে তৈরি হয়েছে দৃশ্যমান নিরাপত্তা উপস্থিতি, যা সম্ভাব্য অপরাধীদের জন্য কার্যত সতর্কবার্তা হিসেবে কাজ করছে।

নিরাপত্তা সূত্রগুলো জানায়, নির্বাচনের আগে ও ভোটের দিন কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে পারে—এমন ব্যক্তি ও গোষ্ঠীর তালিকা ধরে নজরদারি চলছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ স্থানে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে সেনাবাহিনীর সক্রিয় সহযোগিতায়। আইন ভাঙার প্রবণতা দেখা মাত্রই তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, যাতে নির্বাচনী পরিবেশের ওপর সামান্যতম নেতিবাচক প্রভাব না পড়ে।

উপজেলার প্রধান সড়ক, সংযোগ সড়ক ও প্রবেশপথগুলোতে স্থাপন করা হয়েছে একাধিক চেকপোস্ট। যানবাহন ও সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের নিবিড় তল্লাশির মাধ্যমে অস্ত্র, বিস্ফোরক বা অবৈধ সামগ্রী বহন ঠেকাতে কাজ করছে যৌথ বাহিনী। এতে করে নাশকতার ঝুঁকি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

উপজেলা প্রশাসনের দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা জানান, নির্বাচনী পরিবেশ বিনষ্টের যেকোনো অপচেষ্টা রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ হিসেবে বিবেচিত হবে। সে অনুযায়ী সর্বোচ্চ কঠোরতায় আইন প্রয়োগ করা হবে। কারও রাজনৈতিক পরিচয় বা প্রভাব বিবেচনায় নেওয়া হবে না—এমন নির্দেশনা মাঠপর্যায়ের বাহিনীগুলোকে দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, সেনাবাহিনী ও পুলিশের টহল বৃদ্ধি পাওয়ায় এলাকায় স্বস্তি ফিরেছে। অনেকেই মনে করছেন, এই কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থাই ভোটারদের নির্বিঘ্নে কেন্দ্রে যেতে সাহস জোগাবে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, সাধারণ মানুষ যেন সম্পূর্ণ নির্ভয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে—সেটিই যৌথ বাহিনীর প্রধান লক্ষ্য। শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নির্বাচনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত জনগণের আস্থা ও নিরাপত্তার প্রতীক হিসেবে মাঠে সক্রিয় থাকবে।

কেকে/এমএফ


মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

দেশজুড়ে- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: kholakagojnews@gmail.com, kholakagojadvt@gmail.com

© 2025 Kholakagoj
🔝
close