মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬,
৩০ আষাঢ় ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে প্রধান করে সংবিধান সংশোধন কমিটি, বিরোধীদের ওয়াকআউট      তিস্তার পানি বিপদসীমার ওপরে, বন্যার শঙ্কা      ৯ জেলায় বন্যা পরিস্থিতি অবনতির শঙ্কা      সিলেট-সুনামগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতির শঙ্কা      বন্যার কবলে সাত জেলা : নিহত ৫৪, ছয় লাখের বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত      আদ-দ্বীন হাসপাতালের বিষয়ে পরিদর্শনের পর সিদ্ধান্ত : স্বাস্থ্যমন্ত্রী      ৪১৬ বছরপূর্তিতে বর্ণিল ‘ঢাকা উৎসব’, উদ্বোধনে প্রধানমন্ত্রী      
দেশজুড়ে
নীলফামারীতে অগ্নিকাণ্ডে পুড়েছে ১১ পরিবারের ২৫ ঘর
নীলফামারী প্রতিনিধি
প্রকাশ: রোববার, ২৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ১২:১৭ এএম
ছবি: প্রতিনিধি

ছবি: প্রতিনিধি

নীলফামারীতে অগ্নিকাণ্ডে ১১ পরিবারের ২৫টি ঘর পুড়ে ছাই হয়েছে। গত শুক্রবার রাত নয়টার দিকে জেলা সদরের ইটাখোলা ইউনিয়নের পাটোয়ারীপাড়া গ্রামে এঘটনা ঘটে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো খোলা আকাশের নীচে মানবেতর জীবনযাপন করছে।

শনিবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুরে ওই গ্রামে গিয়ে দেখা গেছে ক্ষতিগ্রস্ত রিকশা চালক দিলীপ রায়ের স্ত্রী মিনু বালা রায়কে পুড়ে যাওয়া ভিটায় বসে বিলাপ করছে। অগ্নিকাণ্ডে সর্বস্ব হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন তিনি। তার  মতো দিশেহারা হয়ে পড়েছেন অন্যরা। নতুন করে ঠাঁই গোজানোর চেষ্টায় তারা ওই পোড়া ভিটার ছাই সরাচ্ছিলেন। 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, রাত নয়টার দিকে গ্রামের দুলাল রায়ের বাড়ি থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। এসময় দিলীপ, দিপু, সুবাস, বিপুল, সুকুমার, চন্দন, প্রতিমা, হিমেল, প্রদীপ ও বেলাই রায়সহ ১১ পরিবারের ২৫টি ঘর, আসবাব পত্র, ঘরে রক্ষিত ধান-চাল পুড়ে যায়। 

অগ্নিদগ্ধ হয়ে প্রতিমা রায়ের দুইটি গরু মরা যায়। খবর পেয়ে নীলফামারী দমকল বাহিনীর দুইটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

ইটাখোলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হেদায়েত আলী শাহ ফকির ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন,‘ধারণা করা হচ্ছে বিদ্যুতের শর্টসাকিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। সন্ধ্যায় এসব পরিবারের বেশিরভাগ পুরুষ মানুষ বাজারে অবস্থান করায় ক্ষতির পরিমাণ বেড়েছে।’

নীলফামারী দমকল বাহিনীর কর্মকর্তা মকুল হোসেন বলেন, ‘দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নেভানো সম্ভব হয়। বিদ্যুতের শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমান আট লাখ টাকা।’

এদিকে শনিবার দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন সদর উপজেলা নির্বহী কর্মকর্তা মুবাশ্বিরা আমাতুল্লাহ। এসময় তিনি প্রতি পরিবারের ত্রাণ মন্ত্রলায়রে দুইটি করে কম্বল, ১০ কেজি করে চাল, ডাল, তেল, চিনি, লবনসহ রান্নার বিভিন্ন মসলার একটি করে প্যাকেট বিতরণ করেন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মাঝে।

কেকে/এমএফ


মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

দেশজুড়ে- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: [email protected], [email protected]

© 2025 Kholakagoj
🔝
close