আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী-১ (তানোর-গোদাগাড়ী) আসনের ভোট বিজয় নির্ভর করবে আলীগ-ওয়ার্কার্স পার্টি । লড়াই নৌকা ও হাতুড়ির প্রচলিত দ্বন্দ্বের বাইরে দাঁড়িয়েছে আওয়ামী লীগ ও ওয়ার্কার্স পার্টির নীরব ভোটপ্রভাব। ফলে সমীকরণ করেছে জটিল ও অনিশ্চিত।
রাজশাহী-১ আসনের মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৬৮ হাজার ৭৮০, যেখানে পুরুষ-নারীর সংখ্যা প্রায় সমান এবং মোট ভোটকেন্দ্র ১৫৯টি। বিস্তৃত ভৌগোলিক এলাকা ও বিপুল ভোটারসংখ্যার কারণে ফলাফল পূর্বানুমান কঠিন।
এ আসনে চারজন প্রার্থী মনোনয়ন নিয়েছেন। ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপি মনোনীত মেজর জেনারেল (অব.) শরিফ উদ্দিন সামাজিক ও প্রশাসনিক শক্তি কাজে লাগিয়ে এগিয়ে। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত অধ্যাপক মুজিবুর রহমান (দাঁড়ি পাল্লা) দীর্ঘ সাংগঠনিক অভিজ্ঞতায় শক্ত অবস্থান গড়ে তুলেছেন।
এছাড়া এবি পার্টির আব্দুর রহমান (ঈগল) ও গণ-অধিকার পরিষদের শাহজাহান (ট্রাক) রয়েছেন। কিন্তু তাদের সাংগঠনিক ভরমাত্রা তুলনামূলক কম।
স্থানীয় বিশ্লেষকরা বলছেন, যদিও মূল লড়াই বিএনপি ও জামায়াতের, আওয়ামী লীগ ও ওয়ার্কার্স পার্টির ভোট কোথায় যাবে তা নির্ধারণ করবে বিজয়ের ভাগ্য। সরাসরি প্রার্থী না থাকা সত্ত্বেও এই দুই দলের ভোটারগোষ্ঠী নীরবে প্রভাব ফেলতে পারে।
কিছু আওয়ামী লীগ সহায়ক মনে করেন বেসরকারি ও প্রভাবশালী প্রার্থীর দিকে দলটির অংশ ভোট দিতে পারে, বিশেষ করে ব্যবসা, চাকরি নিরাপত্তা ও সামাজিক শঙ্কার কারণে।
রাজশাহী-১ আসনে ভোট বিজয় নির্ভর করবে নৌকা-হাতুড়ির মূল লড়াইয়ের পাশাপাশি বিরামহীনভাবে এই ফ্যাক্টর ভোট কোথায় জমা হয় তার ওপর।
কেকে/এমএফ